কমিশনে কাজ করানোর অভিযোগ! কৃষি শুমারি’র কর্মীদের নিকট থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ


প্রকাশিত : জুলাই ৫, ২০১৯ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: কৃষি শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে অনিয়ম-দুর্নীতি ও তথ্য সংগ্রহকারীদের নিকট থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, কৃষি (শস্য, মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ) শুমারি-২০১৯ প্রকল্পের আওতায় জেলার সাতটি উপজেলায় ৩২জন জোনাল অফিসার, ৩২৫ জন সুপারভাইজার এবং ২১৬৯ জন তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে এসব কর্মী নিয়োগে অর্থ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে জেলা পরিসংখ্যান অফিসের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক একাধিক তথ্য সংগ্রহকারী অভিযোগ করেন, টাকা না দেয়ায় প্রশিক্ষণ নিয়েও তারা নিয়োগ পায়নি। আবার অনেকেই নিয়োগ পেয়েও ৫০% কমিশনে অন্য কাউকে দিয়ে কাজ করিয়েছেন বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
গত মাসের ৯ জুন থেকে ২০ জুন পর্যন্ত এ শুমারির দায়িত্বে থাকা একজন তথ্য সংগ্রহকারী ১২ হাজার টাকা, ১জন সুপরিভাইজার ১৩ হাজার টাকা পাবেন। তথ্য সংগ্রহকারীদের অভিযোগ জেলা পরিসংখ্যান অফিসের কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ অনেকের কাছ থেকে ১০০০ টাকা করে আদায় করছেন। বিষয়টি সাংবাদিক মহলে জানাজানির পর তথ্য সংগ্রহকারীদের বিষয়টি গোপন রাখার জন্য বলেন ঐ কর্মকর্র্তা। এছাড়া নিয়োগকৃত তথ্য সংগ্রহকারীদের তিন দিনের প্রশিক্ষণের নিয়ম থাকলেও নামমাত্র প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণ ভাতা হিসেবে দৈনিক ১২৫ টাকা করে দেওয়ার কথা থাকলেও তথ্য সংগ্রহকারীদের এখনও পর্যন্ত কোনো টাকা দেওয়া হয়নি। পরিসংখ্যান অফিসের কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন জানান, তথ্য সংগ্রহকারীদের নিকট থেকে অর্থ আদায়ের বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।