বুড়িগোয়ালিনীতে সরকারি খাল দখলের অভিযোগ


প্রকাশিত : জুলাই ৬, ২০১৯ ||

মুন্সিগঞ্জ (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের দূর্গাবাটীতে সরকারি খাল দখলের অভিযোগ উঠেছে। দূর্গাবাটী ব্রিজের মুখ দখল করে সেখানে অবৈধ দোকান ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। দূর্গাবাটী গ্রামের নিরঞ্জন ম-লের ছেলে নিমাই ম-লের নেতৃত্বে ফনি সরদার ও সাজু ম-ল সরকারি জায়গা দখল করে গাছপালা কর্তন করে দোকানঘর নির্মাণ করছে। যার ফলে নদীর সাথে যুক্ত সরকারি খালে জোয়ার-ভাটার জল প্রবাহে বিঘœ হচ্ছে। ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন দূর্গাবাটী, পোড়াকাটলা, ভামিয়ার প্রায় ৫০০ পরিবার। এছাড়া আানুমানিক ৬০০০ বিঘার চিংড়ি ও মৎস্য ঘেরের মালিকগণ পড়েছেন দুর্বিপাকে। স্থানীয় মৎস্য ঘের মালিক ও জনগণ বলেন, এলাকার জলপ্রবাহের একটিমাত্র সরকারি খাল এভাবে যদি দখল হতে থাকে তাহলে অদূর ভবিষ্যতে খালের কোন অস্তিত্ব থাকবে না। এলাকায় মৎস্য ঘের পরিচালনা, জোয়ার-ভাটা বন্ধসহ স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, সরকারি জয়গায় লাগানো গাছ হরিলুট চলছে। শুরু হয়েছে দখল প্রতিযোগিতা। জানা যায়, এর আগেও ওই খালের জায়গা দখল করেছে বর্তমান দখলদার বাহিনীর সদস্যরা। এতে বাঁধা দিলে প্রকাশ্যে মারমুখী হয়ে হুমকি দিচ্ছেন নিতাই ম-ল, সনজিপ ম-ল ওরফে সাজুসহ ফণি সরদার ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। ফলে জনমনে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ, উৎকন্ঠা। আতঙ্ক তো আছেই।
নিমাই ম-লের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, চেয়ারম্যান ভবতোষ ম-লের নির্দেশে আমরা এই জায়গায় দোকান ঘর নির্মাণ করছি। ঘটনাটি ইউপি চেয়ারম্যান ভবতোষ ম-লের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো কথা আমি কাউকে বলিনি। সরকারি জায়গা দখল করার নির্দেশ আমি দিতে পারি না। এ ব্যাপারে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আবু সুফিয়ানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি একাধিকবার ঘটনাস্থলে গিয়ে অবৈধ দখলদারদের সরিয়ে দিই এবং সরকারি খালের ভূমি দখল করা থেকে বিরত থাকার সর্তকতাসহ নিষেধ করি। তিনি শ্যামনগর উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি কর্মকর্তা সুজন সরকারকে এ বিষয়ে জানিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।