তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী শ্যামনগরে ভাঙন এলাকায় বেড়িবাঁধ কেটে নাইন্টি পাইপ স্থাপন


প্রকাশিত : জুলাই ৮, ২০১৯ ||

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট এসও কে মোটা অংকের টাকায় ম্যানেজ করে দাতিনাখালী ভয়াবহ নদীভাঙন এলাকায় অবৈধভাবে বেড়িবাঁধ কেটে ১২ ইঞ্চি ব্যাসের নাইন্টি পাইপ বসাচ্ছে কতিপয় কাঁকড়া হ্যাচারী ব্যবসায়ী। বিষয়টি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে শ্যামনগরের সচেতনমহল। সূত্র জানায়, দাতিনাখালী ৫নং পোল্ডারে নদী ভাঙন দীর্ঘ বছরের। এ ভাঙনকূলে সরকারি বে-সরকারিভাবে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করা হলেও সবই নদীগর্ভে চলে গেছে। এছাড়া নাইন্টি পাইপ দিয়ে লোনা পানি সরবরাহ করায় নদীভাঙন আরো ভয়াবহ আকার ধারন করে। কারণ নদী ভাঙন এলাকায় স্থায়ীভাবে মেরামতের জন্য কোন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়নি। সম্প্রতি পানি সম্পদ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। এর পর পরই দাতিনাখালী নদীভাঙন এলাকায় বালিভর্তি ১৬ শত জিও বস্তার কাজ চলমান রয়েছে। গত রবিবার সকালে সাবেক মেম্বর হায়দার আলীল নির্দ্দেশে ৫/৬ জন শ্রমিক ওই নদীভাঙন এলাকায় অবৈধভাবে বেড়িবাঁধ কেটে নাইন্টি পাইপ বসানোর চেষ্টা করছিলো। বিষয়টি জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ও শ্যামনগর এসও কে বিষয়টি অবিহিত করলে তারা লোক পাঠিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান। অথচ সেখানে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। উল্লেখ্য, উক্ত ভাঙন এলাকা থেকে আনুমানিক বিগত ১৫-২০ দিন পূর্বে নাইন্টি পাইপ উঠানোর জন্য সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর নির্দেশে সংশ্লিষ্ট এসও শাহনাজ পারভীন কাঁকড়া হ্যাচারী মালিকদের ১০ দিনের সময় বেঁধে নোটিশ প্রদান করেন। নির্ধারিত সময়ে তারা তাদের পাইপ স্ব স্ব দায়িত্বে উঠিয়ে নেন। অথচ কয়েক দিন যেতে না যেতে হ্যাচারী মালিক জুয়েল ও সেলিম বেড়িবাঁধ কেটে জিও বস্তা উঠিয়ে নাইন্টি পাইপ বসিয়ে লোনা পানি সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। একইভাবে গতকাল সাবেক মেম্বর হায়দার আলী বেড়িবাঁধ কেটে নাইন্টি পাইপ বসানোয় প্রতিয়মান হয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মোটা অংকের টাকায় ম্যানেজ করার।