নলতায় মীর ড্রাগ হাউজের মালিকের বিরুদ্ধে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে ঔষধ বিক্রির অভিযোগ


প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ১, ২০১৯ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: কালিগঞ্জের নলতা চৌমুহনীতে অবস্থিত মীর ড্রাগ হাউজের মালিক জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক দামে ঔষধ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন থেকে গ্রাহককে ঠকিয়ে বেশি মূল্যে ঔষধ বিক্রি করলেও কোন প্রতিকার পাচ্ছে না সাধারণ গ্রাহক।
শহরের ইটাগাছা এলাকার লুৎফর রহমান জনান, তার স্ত্রী রাশিদা বেগমকে (২৮) সিজার করার জন্য গত ৩০ আগস্ট নলতা চৌমুহনীর আহ্ছানউল্লাহ ক্লিনিকে ভর্তি করান। বিকালে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের দেয়া লিস্ট নিয়ে মীর হাউজে আমার স্ত্রীর জন্য ঔষধ আনতে যায়। লিস্টে উল্লেখিত ঔষধের মূল্য ২হাজার ৫শত হাজার টাকার স্থলে আমার নিকট থেকে ওই ফর্মেসির মালিক ৭ হাজার ১শত ৬৭ টাকা চাইলে আমার মনে সন্দেহ দেখা দেয়। ক্লিনিকে ফিরে বিষয়টি ক্লিনিক মালিক আব্দুল বারীকে জানালে তিনি ক্রয়কৃত ঔষধ ওই দোকানে ফেরত দিয়ে আসতে বলেন। তার কথামত ঔষধ নিয়ে ফার্মেসীর মালিক জিল্লুর রহমানকে ফেরত নিতে বললে ঘটনা বুঝতে পেরে তিনি তালবাহানা শুরু করেন। এ বিষয়ে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে ঔষধ ফেরত দিতে হলে প্রথমে ১হাজার টাকা দাবি করলেও পরবর্তীতে অতিরিক্ত ৩ শত ৭৫ টাকা নিয়ে ঔষধ ফেরত নেন। তার বিরুদ্ধে ক্রেতা ও রোগীদের কাছ থেকে ইচ্ছামতো বিভিন্ন ওষুধের দাম নেয়ার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে সিজারিয়ান ওষুধগুলোর গলাকাটা হারে দাম নেন বলে অনেকে জানান।
সাতবসু গ্রামের সিরাজুল ইসলাম, খানজিয়া গ্রামের আলমগীর হোসেন, কাশেমপুর গ্রামের আমজাত আলী, বাগবাটী গ্রামের রজব আলীসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, তাদের নিকট থেকেও নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক দামে ঔষধ বিক্রি করেছে জিল্লুর রহমান। গ্রামের সহজ সরল মানুষকে ঠকিয়ে তার এ ব্যবসা এখন অভ্যাসে পরিনিত হয়েছে। এলাকাবাসী ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।
এব্যাপারে জানতে চাইলে মীর ড্রাগ হাউজের মালিক জিল্লুর রহমান তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন।