রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সাতক্ষীরার উপকুল বাঁচাতে বিশেষ বাজেট এখন সময়ের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৫:০২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার উপকুল বাঁচাতে বিশেষ বাজেট এখন সময়ের দাবি

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত নিয়ে যখন আলোচনা হয়, তখন উপকূলীয় এলাকার কথা আসে সবার আগে। আর সেই তালিকায় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জেলার নাম নিঃসন্দেহে সাতক্ষীরা। প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকা এই জনপদের মানুষ যেন বছরের পর বছর এক অনন্ত দুর্ভোগের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন ও লবণাক্ততার আগ্রাসন, অন্যদিকে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও অবকাঠামো গত দুর্বলতাÑসব মিলিয়ে সাতক্ষীরা এখন জলবায়ু সংকটের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। অথচ জাতীয় বাজেটে এখনো এই জেলার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষ ও স্থায়ী বরাদ্দ নিশ্চিত হয়নি।

 

তাই আসন্ন বাজেটে সাতক্ষীরাকে আলাদা গুরুত্ব দেওয়ার দাবি শুধু যৌক্তিক নয়, অপরিহার্যও। উপকূলের মানুষ দুর্যোগের সঙ্গে পরিচিত। কিন্তু সাতক্ষীরার বাস্তবতা অন্য অনেক জেলার চেয়ে কঠিন। ২০০৯ সালের ঘূর্ণিঝড় আইলা এই জেলার মানুষকে যে ক্ষত দিয়েছিল, তার অনেক চিহ্ন আজও মুছে যায়নি। এরপর আম্পান, ইয়াস, রেমালসহ একের পর এক দুর্যোগ নতুন করে ক্ষত তৈরি করেছে। বাঁধ ভেঙেছে, গ্রাম প্লাবিত হয়েছে, হাজার হাজার পরিবার নিঃস্ব হয়েছে। বহু মানুষ এখনও টেকসই ঘরবাড়ি পায়নি। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে এলাকা ছেড়ে শহরমুখী হয়েছে। জলবায়ু উদ্বাস্তু শব্দটি সবচেয়ে বেশি বাস্তব হয়ে উঠেছে সাতক্ষীরাতেই। সবচেয়ে ভয়াবহ সংকটগুলোর একটি হলো লবণাক্ততা।

 

আশাশুনি, শ্যামনগর, কালীগঞ্জসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় মাটির নিচের পানিও লবণাক্ত হয়ে পড়েছে। সুপেয় পানির জন্য নারীদের প্রতিদিন দীর্ঘ পথ হাঁটতে হয়। কোথাও কোথাও একটি নিরাপদ পানির উৎসকে ঘিরে শত শত মানুষের নির্ভরতা। নিরাপদ পানির সংকট শুধু জীবন যাত্রাকে কঠিন করছে না, বাড়িয়ে দিচ্ছে স্বাস্থ্যঝুঁকিও। বিশেষ করে নারী ও শিশুরা নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। অথচ এই সংকট মোকাবিলায় দীর্ঘ মেয়াদি ও কার্যকর প্রকল্প এখনো পর্যাপ্ত নয়। কৃষিও বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে।

 

একসময় সাতক্ষীরার বিস্তীর্ণ মাঠে ধানসহ নানা ফসলের আবাদ হতো। এখন সেই জমির বড় অংশ লবণাক্ততার কারণে অনুৎপাদন শীল হয়ে পড়ছে। কৃষকেরা বাধ্য হয়ে বিকল্প জীবিকার দিকে ঝুঁকছেন। অনেকে চিংড়ি চাষে যাচ্ছেন, কিন্তু সেখানেও রয়েছে নানা অনিয়ম ও পরিবেশগত ঝুঁকি। ফলে কৃষি, পরিবেশ ও জীবিকার মধ্যে এক অস্বাভাবিক সংকট তৈরি হয়েছে। সাতক্ষীরার মানুষের সবচেয়ে বড় ভরসা উপকূলীয় বেড়িবাঁধ। কিন্তু বাস্তবে সেই বাঁধই অনেক ক্ষেত্রে দুর্বল ও অরক্ষিত।

 

সামান্য জলোচ্ছ্বাসেই ভেঙে যায় কোথাও কোথাও। প্রতি বছর সংস্কারের নামে বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও টেকসই সমাধান মিলছে না। স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণেই অনেক বাঁধ দীর্ঘস্থায়ী হয় না। ফলে দুর্যোগ এলেই মানুষকে আবারও একই দুর্ভোগে পড়তে হয়। জাতীয় বাজেটে তাই শুধু বরাদ্দ নয়, সঠিক পরিকল্পনা ও জবাবদিহিও নিশ্চিত করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে সাতক্ষীরার সামাজিক কাঠামোও বদলে যাচ্ছে। জীবিকা হারিয়ে মানুষ শহরমুখী হচ্ছে।

 

পরিবার ভেঙে যাচ্ছে, বাড়ছে শিশুদের শিক্ষাছুট। নারীরা নানা ধরনের অনিরাপত্তার মুখে পড়ছেন। অথচ জলবায়ু সংকটকে কেন্দ্র করে সামাজিক সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তার বিষয়টি এখনো যথেষ্ট গুরুত্ব পাচ্ছে না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলোÑসাতক্ষীরার সংকট কোনো এক জেলার সংকট নয়। এটি জাতীয় সংকট। সুন্দরবন বাংলাদেশের প্রাকৃতিক ঢাল। এই বন ও উপকূল রক্ষা করতে না পারলে ভবিষ্যতে দেশের বড় অংশ আরও ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে পড়বে। তাই সাতক্ষীরায় বিনিয়োগ মানে শুধু একটি অঞ্চলের উন্নয়ন নয়; বরং দেশের পরিবেশগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

 

এখন প্রয়োজন বাস্তবমুখী ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। জাতীয় বাজেটে সাতক্ষীরার জন্য বিশেষ জলবায়ু তহবিল গঠন করা যেতে পারে। টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নিরাপদ পানি সরবরাহ, জলবায়ু সহনশীল কৃষি, বিকল্প কর্মসংস্থান, আধুনিক আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ ও দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসনের জন্য আলাদা বরাদ্দ জরুরি। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট সংস্থা গুলোর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

 

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পরিসরে জলবায়ু ঝুঁকির কথা তুলে ধরে সহায়তা চায়। কিন্তু দেশের ভেতরে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য যদি কার্যকর উদ্যোগই নেওয়া না হয়, তবে সেই অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ে। সাতক্ষীরার মানুষ বছরের পর বছর প্রকৃতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে টিকে আছেন। তাদের এই সংগ্রামকে অবহেলা করার সুযোগ নেই।জাতীয় বাজেট শুধু আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়; এটি রাষ্ট্রের অগ্রাধিকারের প্রতিফলন। সেই অগ্রাধিকারে সাতক্ষীরার নাম এবার সবার ওপরে থাকা উচিত। কারণ উপকূল বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে।

লেখক: সংববাদকর্মী

 

Ads small one

ঐতিহ্য ও বিনোদনের প্রাণকেন্দ্র সাতক্ষীরার ‘শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
ঐতিহ্য ও বিনোদনের প্রাণকেন্দ্র সাতক্ষীরার ‘শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক’

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা শহরের কোলাহল আর ব্যস্ততার মাঝে বুক ভরে নিঃশ্বাস নেওয়ার এক টুকরো সবুজ চত্বর ‘শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক’। শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই ঐতিহাসিক পার্কটি কেবল একটি বিনোদন কেন্দ্রই নয়, এটি সাতক্ষীরার রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের এক নীরব সাক্ষী।

প্রতিদিনই শহরের হাজারো মানুষের পদচারণায় মুখরিত থাকে এই পার্ক প্রাঙ্গণ। বিশেষ করে সকাল এবং বিকেলে সব বয়সী মানুষের জন্য এটি এক অন্যতম মিলনমেলায় পরিণত হয়।

ইতিহাস ও নামকরণ: মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসের সাথে জড়িয়ে আছে এই পার্কের নাম। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে মার্চের গণআন্দোলনের সময় ৩ মার্চ নিহত দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গকারী বীর শহীদ আব্দুর রাজ্জাকের স্মরণে এই পার্কটির নামকরণ করা হয়। পার্কের ভেতরে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে এক কোণে দাঁড়িয়ে থাকা দৃষ্টিনন্দন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, যা আগত দর্শনার্থী ও তরুণ প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেমের চেতনাকে জাগ্রত করে।

নাগরিক জীবনের ফুসফুস: যান্ত্রিক শহরের ব্যস্ত জীবন থেকে ক্লান্তি দূর করতে এই পার্কটি স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে এক বড় আশ্রয়স্থল।

প্রাতঃভ্রমণ ও স্বাস্থ্য সচেতনতা: প্রতিদিন ভোরে শহরের শত শত সচেতন নাগরিক এখানে আসেন প্রাতঃভ্রমণ ও ব্যায়াম করতে। পার্কের বিশাল গাছপালার ছায়া ঘেরা পরিবেশ ভোরের বাতাসকে রাখে সতেজ।

বিকেলের আড্ডা ও শিশু বিনোদন: বিকেলে পার্কটি মুখরিত হয়ে ওঠে শিশু-কিশোর ও তরুণ-তরুণীদের আড্ডায়। পরিবারের সবাইকে নিয়ে একটু খোলামেলা পরিবেশে সময় কাটানোর জন্য এটি শহরের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্থান।
সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কেন্দ্রবিন্দু: সাতক্ষীরার যেকোনো বড় উৎসব, মেলা, রাজনৈতিক সমাবেশ কিংবা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মূল ভেন্যু হিসেবে বছরের পর বছর ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে এই শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক। বিজয় মেলা, বইমেলা কিংবা স্বাধীনতা দিবসের বিভিন্ন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এই মাঠ উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়।

সংস্কার ও আধুনিকায়নের প্রত্যাশা: স্থানীয় দর্শনার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পার্কের পরিবেশ রক্ষায় এবং সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি করতে কিছু সংস্কার প্রয়োজন। পার্কের ভেতর বসার পর্যাপ্ত আধুনিক বেঞ্চের ব্যবস্থা করা, ওয়াকওয়ে (হাঁটার পথ) আরও উন্নত করা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার দাবি জানান তারা।

নাগরিকদের অভিমত: “শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কটি আমাদের সাতক্ষীরা শহরের প্রাণ। পৌর কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসন যদি পার্কটির সৌন্দর্য বর্ধনে এবং পরিবেশ রক্ষায় আরও একটু নজর দেয়, তবে এটি দেশের অন্যতম সেরা একটি দর্শনীয় স্থান হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।”

সব মিলিয়ে, সাতক্ষীরার ঐতিহ্য ও নাগরিক জীবনের স্পন্দন হয়ে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক। শহরের সৌন্দর্য ধরে রাখতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্থ বিনোদনের স্বার্থে এই পার্কের যতœ নেওয়া আমাদের সবার দায়িত্ব। সংবাদদাতা জুলফিকার আলী

 

 

 

 

 

 

কলারোয়ার জালালাবাদে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার: ভিজিএফ’র চাল বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
কলারোয়ার জালালাবাদে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার: ভিজিএফ’র চাল বিতরণ

সংবাদদাতা: পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরার কলারোয়ার জালালাবাদ ইউনিয়নে গরিব ও অসহায় মানুষের মাঝে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ করা হয়েছে। রোববার (২৪ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এ চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

 

জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান নিশান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, জালালাবাদ ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের মোট ৬৪১টি কার্ডধারী পরিবারের মাঝে পরিবারপ্রতি ১০ কেজি করে এই চাল বিতরণ করা হয়।

 

চাল বিতরণকালে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন-ইউপি সচিব আমিনুর রহমান, ইউপি সদস্য মোকলেছুর রহমান, মোজব্বার আলী, মাহবুবর রহমান ও মনিরুল ইসলাম, ইউপি সদস্য আলী মাহমুদ, মশিয়ার রহমান, শফিউল আজম ও সাইফুল ইসলাম, মহিলা ইউপি সদস্য কাঞ্জন বিবি, নুর জাহান ও সালমা খাতুন, ডিএম আফতাবুজ্জামান প্রমুখ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ব্রহ্মরাজপুরে ভিজিএফের চাল বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ
ব্রহ্মরাজপুরে ভিজিএফের চাল বিতরণ

সংবাদদাতা: আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপন উপলক্ষে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নে অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে সরকারি ভিজিএফ (ভার্নারেবল গ্রুপ ফিডিং) কর্মসূচির চাল বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। সরকারের এই মানবিক সহায়তার আওতায় ইউনিয়নের মোট ১ হাজার ০৪৬টি সুবিধাভোগী পরিবারের মাঝে এই চাল বিতরণ করা হয়।

শনিবার (২৩ মে) ও রবিবার (২৪ মে) দুই দিনব্যাপী উৎসবমুখর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে ইউনিয়নের পৃথক দুটি স্থানে এ চাল বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই চাল বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শাহিনুল ইসলাম।

 

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সেরাজুর রহমান, যুবদল নেতা জিয়ারুল ইসলাম, ট্যাগ অফিসার সুমন সাহা, ইউপি সদস্য সুভাষ চন্দ্র, হাকিম, লুৎফর, এবং কুরমান ও ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা রজব আলীসহ স্থানীয় গ্রাম পুলিশের সদস্যবৃন্দ।