তালায় ইউনিয়ন পরিষদে মহিলা মেম্বর লাঞ্চিত : শ্লীলতাহানীর চেষ্টা


প্রকাশিত : এপ্রিল ৩, ২০১২ ||

কপোতাক্ষ অঞ্চল প্রতিনিধি : তালা সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের পোষ্য নেয়ামত মোড়ল নামের এক ক্যাডারের হাতে সংরক্ষিত মহিলা মেম্বর রেবেকা মকবুল লাঞ্চিত হয়েছে। একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক  ইউপি ভবনের মধ্যে নিয়ে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় তালা থানায় মহিলা ইউপি মেম্বর বাদী হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করে। একই দিন বিকালে তিনি তালা রিপোটার্স ক্লাবে সাংবাদ সম্মেলন করেছে। অভিযুক্ত নেয়ামত মোড়ল বারুইহাটি গ্রামের এজাহার আলী মোড়লের পুত্র।

ইউপি মেম্বর রেবেকা মববুল’র অভিযোগ,চেয়ারম্যান নিয়মনীতি ছাড়াই পরিষদে নেয়ামত নামের পোষ্য ক্যাডার দিয়ে পরিষদের কাগজপত্রসহ অধিকাংশ কাজ তদারকি করাই। আমি তাকে নিষেধ করাই সে আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়। একপর্যায়ে পরিষদে গেলে সে আমাকে মারপিট, লাঞ্চিত ও শ্লীলতাহানীর চেষ্টা চালায়। এঘটনা আমি চেয়ারম্যানকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানালে সে কর্ণপাত না করে আমাকে আরও হুমকি দিয়েছে।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে,রেবেকা মকবুল তালা সদর ইউনিয়নের সংরক্ষিত ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য। সম্প্রতি সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এসএম নজরুল ইসলামের নানান অপকর্ম নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। এসব অপকর্মের তথ্য সরবরাহ নিয়ে আমাকে সন্দেহ করে আমার উপর ক্ষুব্ধ হয় চেয়ারম্যান । সেই সূত্রধরে গতকাল সকালে আমি ইউপি ভবনে প্রবেশ করলে চেয়ারম্যানের পোষ্য ক্যাডার বারুইহাটি গ্রামের এজাহার আলীর পুত্র নেয়ামত মোড়ল (৩৫) আমার উপর অতর্কিত হামলা করে। এক পর্যায়ে আমাকে জোরপূর্বক  ইউপি ভবনের মধ্যে নিয়ে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করা হয়। এসময় আমার আত্মচিৎকারে ইউপি সচীব সহ ২/৩ জন এগিয়ে আসলে আমাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। তিনি আরও জানান, মাদকাসাক্ত ও বখাটে নেয়ামত পরিষদের কেউনা, অথচ সে পরিষদে ২৪ ঘন্টা অবস্থান করে মেম্বরদের সকল কাজে হস্তক্ষেপ করে। তার বিরুদ্ধে একাধীক অভিযোগ থাকলেও চেয়ারম্যান’র হস্তক্ষেপের কারনে কেউ কিছু বলতে পারে না। তিনি এ ঘটনায় তালা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ  দিয়েছেন।

তালা সদর ইউপি চেয়ারম্যান এসএম নজরুল ইসলাম বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন,সে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তালা থানার ওসি মোঃ রবিউল ইসলাম অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি সতত্য স্বীকার করেছেন। তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুর রহমান বলেন,এমন বিষয় আমার জানা নেই। যদি এমন হয়ে থাকে তবে বিষয়টি দুঃখ জনক।