দৃষ্টিপাত পত্রিকা বন্ধ করলেই চলবে না, সম্পাদকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত


প্রকাশিত : এপ্রিল ১২, ২০১২ ||

হারুন-অর রশিদ

সভাপতি

জাসদ, শ্যামনগর উপজেলা শাখা।

কালিগঞ্জের ফতেপুর ও চাকদাহের ঘটনার পর মৌলবাদকে উস্কে দেয়ার অভিযোগে দৈনিক দৃষ্টিপাতের প্রকাশনা বাতিলের সিদ্ধান্ত সময়োচিত। দৃষ্টিপাত মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারীদের পৃষ্ঠপোষকতা করে। তাই স্বাধীনতার চল্লিশ বছর পরেও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তির মদদ দেওয়ার অভিযোগে শুধুমাত্র উুক্ত পত্রিকার ডিক্লেরাশেন বাতিল যথেষ্ট নয়, বরং দরকার সংশ্লিষ্ট পত্রিকার সম্পাদকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রোদ্রোহীতার অভিযোগ এনে তাকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি প্রদান করা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধীতা করে পত্রিকাটি যে ধৃষ্ঠতা দেখিয়েছে তার জন্য ঐ পত্রিকার সম্পাদককে উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে।

 

অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নিদর্শন সৃষ্টি করতে সাম্প্রদায়িকতাকে উস্কে দেয়া পত্রিকাটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন যথাযথ

আবু সাইদ

সদস্য সচিব, ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটি

শ্যামনগর উপজেলা শাখা।

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বর্তমানে যাদের বিচার চলছে, তাদের সাথে একই কাতারে নিয়ে কালিগঞ্জের বসন্তপুর, ফতেপুর ও চাকদাহের ঘটনায় জড়িতদের বিচার করা উচিত। পত্রিকাকে সমাজের দর্পন বলা হয়। কিন্তু সেই গনমাধ্যম যখন কোনকিছু না বুঝেই সাম্প্রদায়িকতাকে উস্কে দিয়ে শান্তিপুর্ন সহাবস্থান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে তখন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া জরুরী। দৃষ্টিপাতের মত একটি পত্রিকা এমনটি করতে পারে সেটা ছিল অকল্পনীয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে বিরোধীতা করে অনুমান নির্ভর একটি সংবাদ প্রকাশের ঘটনার জের ধরে কালিগঞ্জের নারকীয় ঘটনা সারা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের গৌরবউজ্জ্বল ভুমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। আর এঘটনায় মদদ যুগিয়ে দৃষ্টিপাত এদেশের সংবিধানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে। তাই পত্রিকাটি বন্ধ করে বসে তাকলে চলবে না। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে উক্ত পত্রিকার সম্পাদকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।