ফতেপুরের ঘটনা সম্পর্কে পত্রদূতের প্রকাশিত খবরে প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা দিয়েছে জেলা জাতীয় পাটি


প্রকাশিত : জুলাই ৭, ২০১২ ||

গত ৫ জুলাই দৈনিক পত্রদূতে ‘ফতেপুরে সহিংসতার নায়ক মোশারফের মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে কালিগঞ্জে পোস্টারিং, জনমনে নানা প্রশ্ন’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ আমাদের দৃষ্টিতে এসেছে। অত্র সংবাদের মাধ্যমে ফতেপুরের ঘটনায় কেএম মোশারফ হোসেনকে ও চাকদাহের ঘটনার নায়ক মাসুম বিল্লাহ সুজনকে এমপি গোলাম রেজার একান্ত আস্থাভাজন লোক হিসেবে উল্লেখ করে ওই মর্মান্তিক ঘটনার নেপথ্যে নায়ক হিসেবে এমপিকে সামনে আনার চেষ্টা করা হয়েছে। এছাড়া রিপোর্টতে ফতেপুরের অগ্নি সংযোগ ও ভাংচুরের ঘটনার বিবরণ যেভাবে দেওয়া হয়েছে তাতে জাপা নেতা কে এম মোশারফ হোসেনকে একমাত্র নায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনার সাথে রিপোর্ট এর বর্ণনার ভিন্নতা রয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা মতে, মোশারফ হোসেনের নেতৃত্বে প্রথমে মিছিল হলেও তিনি ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগে অংশ নেননি। মোশারফের মিছিলের প্রায় সাথে সাথে কৃষ্ণনগরের বর্তমান চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে বিশাল জঙ্গি মিছিল ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগে মেতে ওঠে। এ সময় মোশারফ হোসেন ও তার দলের লোকেরা থামানোর চেষ্টা করেছেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।

এদিকে চাকদাহের ঘটনায় মাসুম বিল্লাহ সুজনকে চিহ্নিত করে এমপি গোলাম রেজার আস্থাভাজন হিসেবে রিপোর্ট এ বর্ণনা করেছেন। কিন্তু মাসুম বিল্লাহ সুজন আওয়ামী লীগের হিবেসেই পরিচিত। সে আওয়ামী লীগের কর্মী, জাপা বা এমপির লোক নয়। ফতেপুর ও চাকদাহের ঘটনার নায়কেরা আজও পর্দার অন্তরালে বলে আমরা মনে করি। ফতেপুর হাইস্কুলে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে হুজুরে কেবলা নাটকে কারা মঞ্চে উঠলো, তাদের নাম ঠিকই পর্দার অন্তরালে চলে গেছে। সংশ্লিষ্ট রিপোর্টার পিছন ফিরে দেখছেন ঠিকই। আমরা তাকে সাধুবাদ জানিয়ে আরো একধাপ পিছিয়ে দেখার আহবান জানাই। ওই দিন নাটকটি যারা মঞ্চে তোলে ও দৈনিক দৃষ্টিপাতে ধর্মীয় চেতনা উস্কে দেয়ার মতো রিপোর্ট ছেপে লিফলেট আকারে বিলি করে, তারাই প্রকৃতপক্ষে ঘটনার জনক। এই সত্যটা যদি রিপোর্টে উল্লেখ হতো তাহলে আমরা খুশি হতাম। এবং প্রকৃত সত্য উম্মোচিত হত। রিপোর্টটি পড়ে মনে হয়েছে, জাপা ও এমপি গোলাম রেজাকে কেন্দ্র বিন্দু পরিণত করাই লক্ষ্য। জামাত, বিএনপি ও আওয়ামী লীগকে ঘটনার বাইরে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা তাই ওই রিপোর্ট এর প্রতিবাদ জানাতে বাধ্য হলাম। গতকাল জেলা জাপার সভাপতি শেখ আজহার হোসেন, সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান আশু ও যুগ্ম সম্পাদক খালেদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ প্রতিবাদ জানানো হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি