সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে মধু আহরণে রাজস্ব আয় বেড়েছে

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি : পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে এবার মধু মৌসুমে গতবারের তুলনায় বেশী রাজস্ব আয় হয়েছে।

বন বিভাগ সূত্রে প্রকাশ, ২০১১-২০১২ মৌসুমে আহরিত মধুর পরিমাণ ছিল ৭৬৫ কুইন্টাল ও মোম ১৯৩.৮০ কুইন্টাল। পাশের সংখ্যা ১৪৩টি ও পাশ গ্রহণকারী মৌয়ালের সংখ্যা ছিল ১০২৪ জন। এই মৌসুমে মধু আহরণে রাজস্ব আয় হয়েছে ৫ লক্ষ ৭৩ হাজার ৭৫০ টাকা এবং মোমে রাজস্ব আয় হয়েছে ১ লক্ষ ৯৩ হাজার ৮০০ টাকা। জানা যায়, গত বছরের তুলনায় এ বছর ৬৪ হাজার টাকা বেশী রাজস্ব আয় হয়েছে। গত বারের তুলনায়  এবার পাশের সংখ্যা ১১টি বেশী ছিল। বন বিভাগ সূত্রে আরোও জানা যায়, সাতক্ষীরা রেঞ্জের চারটি স্টেশনের মধ্যে বুড়িগোয়ালিনী স্টেশনের আওতায় মধু আহরিত হয়েছে বেশী। এর পর পর্যায়ক্রমে কোবাদক, কদমতলা ও কৈখালী স্টেশনের অবস্থান। স্থানীয় মেীয়ালরা জানান জলদস্যু ও বাঘের উপদ্রব কম হলে মধুর পাশ বৃদ্ধি পাবে সাথে সাথে রাজস্ব আয়ও বেড়ে যাবে।

পদ্মা সেতু: দশ হাজার টাকা দেবেন ডা. আজিজুর রহমান

পত্রদূত ডেস্ক : নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণে সরকারের ঘোষণার পর এই প্রকল্পে ১০ হাজার টাকা জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সাতক্ষীরার বিশিষ্ট শিশু বিশেষজ্ঞ ও জেলা বিএমএ’র সভাপতি ডা. আজিজুর রহমান। ব্যক্তিগতভাবে তিনি এই অর্থ প্রদান করবেন। টেলিফোনে ডা. আজিজ পত্রদূতকে জানান, নিজস্ব অর্থে পদ্মা সেতু হবে এটা এ দেশের মানুষের জন্য সবচেয়ে আনন্দের খবর। সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। দেশের সকল মানুষ এই উদ্যোগে এগিয়ে আসবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

দাতা সংস্থা অর্থায়ন বাতিলের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেদের অর্থে পদ্মা সেতু নির্মাণের রূপরেখা ঘোষণা করেন। সোমবার মন্ত্রিপরিষদেও নিজস্ব অর্থায়নে যতো দ্রুত সম্ভব এই সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়। এরপর সারাদেশে বিভিন্ন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের অনুদান ঘোষণার পর সাতক্ষীরায় প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ডা. আজিজুর রহমান অর্থ দেওয়ার ঘোষণা দিলেন।

পদ্মাসেতু নির্মাণে লক্ষ টাকা দেবে গোপালগঞ্জের করপাড়া ইউনিয়নবাসী

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : পদ্মাসেতু নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে ২ লক্ষ টাকা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে গোপালগঞ্জের করপাড়া ইউনিয়নবাসী। এ উপলক্ষ্যে বুধবার বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে করপাড়া হাইস্কুল মাঠে করপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নওয়াব আলী ফকিরের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্থানীয় গণ্যমান্যরাসহ কয়েকশ ব্যক্তি দীর্ঘক্ষণ আলোচনা শেষে এ সিদ্ধান্ত নেন। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা বাবুল আকতার বাবলা। এছাড়া ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি লিয়াকত হোসেন ফকির, সদর থানা আওয়ামী লীগের সাংগনিক সম্পাদক স ম নজরুল ইসলাম, আজিজুল ফকির প্রমুখ।

নানা আয়োজনে জনসংখ্যা দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিনিধি : বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণসহ নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে বুধবার পালিত হয় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০১২। দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করে। এ উপলক্ষ্যে বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মূকেশ চন্দ্র বিশ্বাসের নেতৃত্বে সাতক্ষীরা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে মিলিত হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মূকেশ চন্দ্র বিশ্বাস। এতে বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক মুনসুর আহমেদ, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক অসীত কুমার স্বর্ণকার, এসি ল্যাণ্ড ইমরান আহমেদ। বক্তব্য রাখেন মেডিকেল অফিসার জিএম মুজিবুর রহমান, ডা. লিপিকা বিশ্বাস, ডা. মুনসুর আহমেদ, ডা. মশিউর রহমান, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মাঠকর্মী হালিমা জেসমিন, সিরাজুর রহমান, রহিমা খাতুন প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ সমস্যা হচ্ছে জনসংখ্যা সমস্যা। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এ সমস্যা আরো ভয়ঙ্কর। প্রতিনিয়ত জনসংখ্যা বাড়ছে জ্যামিতিক হারে। কিন্তু বাড়ছে না দেশের আয়তন। বরং বাড়তি জনসংখ্যার চাপে কমে যাচ্ছে দেশের আবাদি জমি। বাড়তি জনসংখ্যার থাকার জন্য ঘরবাড়ি, শিক্ষার জন্য স্কুল কলেজ মাদ্রাসা, যাতায়াত ও যোগাযোগের জন্য রাস্তাঘাট, ব্যবসা বাণিজ্যের জন হাট বাজার দোকান পাট, শিল্প কলকারখানা ইত্যাদি গড়ে উঠছে। এতে করে কমে যাচ্ছে কৃষি জমি। ফলে বাড়তি জনসংখ্যার খাদ্য যোগাতে গিয়ে চাপ পড়ছে ক্রমহ্রাসমান কৃষি জমির উপর। গত ৪০ বছরে দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দ্বিগুণের বেশি হয়েছে। কিন্তু দেশের আয়তন এক ইঞ্চিও বাড়েনি। জনসংখ্যা বৃদ্ধির কুফল তুলে ধরে বক্তারা আরো বলেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে পরিবেশ দূষণ, আইন শৃঙ্খলার অবনতি, হিংসা হানা হানি বাড়ছে। রোগ-ব্যাধীর প্রাদুর্ভাব, অপুষ্টি, স্বাস্থ্যহীনতা, বেকারত্ব, দরিদ্রতা প্রভৃতি সমস্যা একের পর এক সৃষ্টি হচ্ছে। এ সব সমস্যা মোকাবেলা করেই আমাদের এগিয়ে যেতে হচ্ছে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ২০২১ সালের ভিশন অর্জন করতে হলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ অপরিহার্য। ছেলে হোক মেয়ে হোক দুটি সন্তানই যথেষ্ট এ প্রবাদ এখন আর চলে না। বরং ছেলে হোক মেয়ে হোক একটি সন্তানই যথেষ্ট। বক্তারা পরিবার ছোট রেখে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে পরিকল্পিতভাবে জীবন গড়ার আহব্বান জানান।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আশ মনোরঞ্জন কুমার, পিকেএস’র প্রতিনিধি ডা. মামুনুর রশিদ, এফডব্লিউএ’র মর্জিনা খাতুন, এফডব্লিউভি তৃপ্তি রানী মণ্ডল, শেখ লূৎফর রহমান, আবু বক্কার সিদ্দিক, এসআর মজুমদার আলাউদ্দীন প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ডাঃ তপন কুমার বিশ্বাস।

জনসংখ্যা দিবসে পুরস্কার পেলেন যারা : জন্ম নিয়ন্ত্রণে সব চেয়ে বেশি স্থায়ী পদ্ধতি অর্জনকারী হিসেবে শিরিনা আকতার, সবচেয়ে বেশি আইইউডি সম্পাদনকারী হিসেবে সুলতানা তাসলিমা, সবচেয়ে বেশি ইমপ্লাণ্ট অর্জনকারী হিসেবে আব্দুল ওহাব এবং স্বাস্থ্য সহকারি কর্তৃক এনএসভি রেফার করার জন্য বিশেষ পুরস্কার পেয়েছেন আগরদাড়ি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য সহকারি ফারুক আহম্মদ। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পক্ষ থেকে প্রণোদনামূলক এ পুরস্কার প্রদান করেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) এমরান আহমেদ। অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারি হিসেবে শিরিনা আকতার, শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা হিসেবে হালিমা জেসমিন, শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ হিসেবে আলিপুর ইউনিয়ন পরিষদ এবং শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র হিসেবে আলিপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র পুরস্কার পেয়েছে। জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারি হিসেবে কলারোয়া উপজেলার কয়লার মর্জিনা খাতুন, শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা হিসেবে কলারোয়ার কেড়াগাছির তৃপ্তি রানী মণ্ডল, শ্রেষ্ঠ এইচএএফডব্লিউসি হিসেবে কেড়াগাছি, শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন হিসেবে কেড়াগাছি এবং শ্রেষ্ঠ উপজেলা হিসেবে কলারোয়া পুরস্কার পেয়েছে।

 

গণমাধ্যমের সাথে মৎস্য বিভাগের মতবিনিময়

পত্রদূত রিপোর্ট : জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১২ উপলক্ষ্যে গতকাল দুপুরে গণমাধ্যমের সাথে মতবিনিময় করেছে মৎস্য বিভাগ। জেলা মৎস্য অফিসে ‘রূপালী মৎস্য দিচ্ছে ডাক-দরিদ্রতা ঘুচে যাক’ শীর্ষক এ মতবিনিময় সভা মৎস্য বিভাগ ও জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন কমিটি যৌথভাবে আয়োজন করে ।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াদুদ সভায় সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মূকেশ চন্দ্র বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ ও জেলা তথ্য অফিসার জাহারুল ইসলাম।

সভায় বলা হয়, বর্তমানে দেশে ৪৬০৩ মে.টন মাছ উৎপাদন হয়। সরকার ২০১৫ সালের মধ্যে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৮ হাজার মে.টন নির্ধারণ করেছে। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে মাছের উৎপাদন বাড়াতে হবে। তিনস্তরে অর্থাৎ পানির নিচে মাগুর সিং জাতীয় মাছ, পানির মধ্যস্তরে রুই কাতলা জাতীয় মাছ এবং উপরে কাপ জাতীয় মাছের চাষ করতে হবে। বক্তারা বলেন, পুকুর জলাশয় ফেলে রাখলে হবে না, যেখানে সুযোগ রয়েছে সেখানে খাচায়ও মাছ চাষ করতে হবে।

এদিকে অনুরূপ মতবিনিময় সভা খুলনা বিভাগীয় মৎস্য বিভাগের উপ-পরিচালক রকিব উদ্দিন বিশ্বাস সভায় সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বক্তৃতা করেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ড. মো. আব্দুল হাকিম, বাংলাদেশ হিমায়িত খাদ্য রপ্তানিকারক সমিতির সাবেক সভাপতি ও জাতীয় চিংড়ি চাষী সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. আফতাব উজ্জামান ও সমিতির পরিচালক এস হুমায়ুন কবির।

কালিগঞ্জে অপহরণের ছয় মাস পর হাত-পা ও চোখ-মুখ বাধা অবস্থায় এক ব্যক্তি উদ্ধার

বিশেষ প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলা থেকে অপহৃত শেখ শাহাবুদ্দিনকে প্রায় ছয় মাস পর কালিগঞ্জ থেকে হাত, পা ও চোখ-মুখ বাধা অবস্থায় উদ্ধার করেছে জনতা। গতকাল ভোর ৫টার দিকে কালিগঞ্জের খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা সেতু’র নিচ থেকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে উদ্ধারের পর কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি  করা হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, আশাশুনি উপজেলার খলিষখালি গ্রামের মৃত শেখ কামাল উদ্দীনের ছেলে শেখ শাহাবুদ্দীনকে (৫০) জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে তার সহোদর ভাই শেখ আব্দুস ছালাম (৩২) ও তার সহযোগীরা অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এঘটনায় শেখ শাহাবুদ্দিনের মেয়ে বিউটি পারভীন শেখ আব্দুস সালামসহ ৬ জনকে আসামি করে গত ৩১ মে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (৩) এ মামলা দায়ের করেন। পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েও অপহৃত শাহাবুদ্দিনকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়। এদিকে অপহরণ হওয়ার প্রায় ৬ মাস পর গতকাল ভোর ৫ টার দিকে স্থানীয় জনতা হাত, পা ও চোখ-মুখ বাধা অবস্থায় এক ব্যক্তিকে দেখে কালিগঞ্জ থানায় খবর দেয় এবং গুরুতর অসুস্থ ওই ব্যক্তিকে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। খবর পেয়ে আশাশুনি থেকে শেখ শাহাবুদ্দিনের পরিবারের সদস্যরা কালিগঞ্জ এসে তাকে সনাক্ত করেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, শাহাবুদ্দিনের সহোদর ভাই আব্দুস ছালাম সম্পত্তি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে তাকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখে। শেখ শাহাবুদ্দিন বাকরুদ্ধ অবস্থায় থাকার কারণে প্রকৃত ঘটনা তার নিকট থেকে জানা সম্ভব হয়নি।

 

কলারোয়ার কেঁড়াগাছি জেলার শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন

কলারোয়া প্রতিনিধি : কলারোয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদ জেলার শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। গতকাল বুধবার বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে সদর উপজেলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা শেষে এই শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের সনদপত্র ইউপি চেয়ারম্যান ভুট্টোলাল গাইনের হাতে তুলে দেন সাতক্ষীরার পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক ডা: অসিত কুমার স্বর্ণকার। ওই সনদপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১১-২০১২ খ্রিস্টাব্দে পরিবার পরিকল্পনা এবং মা ও শিশু স্বাস্থ্য কার্যক্রমে প্রশংসনীয় অবদান রাখার জন্য কলারোয়া উপজেলার কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদ সাতক্ষীরা জেলার শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচিত হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ড: মু: আনোয়ার হোসেন হাওলাদার ও জেলা পরিবার পরিকল্পনা’র উপ-পরিচালক ডা: অসিত কুমার স্বর্ণকার স্বাক্ষরিত এই সনদপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আমরা বিশ্বাস করি, এ কর্মোদ্যোগ অন্যান্য ইউনিয়ন পরিষদকে অনুপ্রাণিত করবে। কেঁড়াগাছি ইউপি চেয়ারম্যান ভুট্টোলাল গাইন এই সনদপত্রে আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, এই ইউনিয়ন যাতে অর্জিত সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আরও আগুয়ান হতে পারে-এজন্য তিনি ইউনিয়নবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছেন।

 

আগামী প্রজন্মের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ জরুরী : কেসিসি মেয়র

খুলনা ব্যুরো : খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, আগামী প্রজন্মের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ জরুরী। জনসংখ্যাকে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে সকল অর্জন ম্ল¬ান হয়ে যাবে।

তিনি গতকাল সকালে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০১২ উপলক্ষ্যে খুলনা অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। খুলনা বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষ্যে এ আলোচনাসহ শোভাযাত্রা, পুরস্কার বিতরণ ও এবং গম্ভীরা গানের আয়োজন করে। সিটি মেয়র বলেন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে জন্মনিয়ন্ত্রণ কে প্রাধান্য দিতে হবে। আর এর জন্য যুব সমাজের মাঝে বেশি করে প্রচার চালানো প্রয়োজন। অন্যান্য আলোচকরা বলেন, সুস্থ শিশু ও মায়ের জন্য প্রজনন স্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। পরিকল্পনা হল সুন্দর জীবনযাপনের প্রথম ধাপ। তাই পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে আরও বেগবান করে ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের পরিচালক মো. রবিউল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. গাউস এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ড. মো. আব্দুল হাকিম। অন্যান্যর মধ্যে বক্তৃতা করেন দিঘলিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মলি¬ক, পরিবার পরিকল্পনা সমিতির জেলা কর্মকর্তা মো. আকরাম হোসেন প্রমুখ । স্বাগত জানান জেলা পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের উপ-পরিচালক মো. শাজাহান হাওলাদার। আলোচনা শেষে সিটি মেয়র পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে বিশেষ অবদান এবং দিবসটি উপলক্ষ্যে আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। পরে গম্ভীরা গানের আয়োজন করা হয়।

এর আগে ‘সর্বজনীন প্রজনন স্বাস্থ্যের জন্য পরিবার পরিকল্পনা’ স্লে¬াগান নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। সিটি মেয়রের নেতৃত্বে শোভাযাত্রাটি শহর প্রদক্ষিণ করে অফিসার্স ক্লাবে এসে শেষ হয়। আলোচনা সভায় উত্থাপিত পরিসংখ্যানে দেখা যায়, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে জাতীয়ভাবে খুলনা জেলা এগিয়ে আছে। এখানে কোন সন্তান নেই এমন সক্ষম দম্পতির সংখ্যা ৫১ হাজার ৭৮৩ জন। এক সন্তান বিশিষ্ট দম্পতির সংখ্যা এক লাখ ৪৪ হাজার ৭২০ জন এবং দুই সন্তান বিশিষ্ট দম্পতির সংখ্যা এক লাখ ৬৬ হাজার ৭০৬ জন। খুলনা জেলায় জন্ম হার দশমিক ৮৫,  (দেশে যার হার ২.২)। টোটাল ফার্টালিটি রেট এক দশমিক নয়। বন্ধ্যাকরণে খুলনা জেলায় গত এক বছরে লক্ষমাত্রা ছিল আট হাজার ২০০। অর্জন  হয়েছে ১০ হাজার ৮৭৭ অর্থাৎ ১৩৩ শতাংশ।

তালায় কৃষি বিষয়ক সেমিনার

তালা প্রতিনিধি : তালায় আইডিবি-আইডিএফ ফায়েল খায়ের কৃষি প্রকল্প’র উপকারভোগীদের এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। তালা শিল্পকলা একাডেমি’র মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার কো-অর্ডিনেটর ও জেদ্দা প্রতিনিধি ড. হাসান সালেম। মোঃ শাহিনুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. ফজলে এলাহী, মোঃ আবুল কালাম আজাদ ও শেখ আতাউর রহমান।

নূরনগরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন

নুরনগর (শ্যামনগর) প্রতিনিধি : জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষ্যে শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর ইউনিয়ন পরিষদে গতকাল বুধবার বিকাল ৩টায় এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রাজকুমার বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন শ্যামনগর ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি মোঃ শফিকুল ইসলাম এবং নূরনগর ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নূরনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম আলমগীর।

 

পাটকেলঘাটা থানার ওসির বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক রিপোর্ট : পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পাটকেলঘাটা থানার মিঠাবাড়ি গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দীন সরদারের পুত্র মোঃ মনতাজ উদ্দীন সরদার। তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, দৌলতপুর মৌজায় এস এ ২৬৩ নং খতিয়ানের ৭৭, ৮৮ দাগে ৮৬ শতক জমির তিনি ওয়ারেশ ও কোবালা সূত্রে মালিক। গত ৫ জুলাই জোরপূর্বক ওই জমি দখল করতে যায় একই গ্রামের মৃত আকবর আলী সরদারের ছেলে নাসিরুল জুলফিকারের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী। এ সময় বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা পিটিয়ে গুরুতর আহত করে মনতাজের দুই পুত্রবধূসহ ৪ জনকে। আহতদের ভর্তি করা হয় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে। এ ঘটনায় মনতাজ উদ্দিন সরদারের ছেলে মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে পাটকেলঘাটা থানায় এজাহার দিতে গেলে ওসি আখতারুজজামান মোটা অংকের টাকা ঘুষ দাবি করেন। ঘুষের টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ওসি মামলা নেয়নি। বরং প্রতিপক্ষের নিকট থেকে মোটা টাকা ঘুষ নিয়ে ওসি উল্টো মনতাজ ও তার লোকজনের নামে একটি মিথ্যা মামলা রেকর্ড করে। পরবর্তীতে মনতাজের ছেলে মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে সাতক্ষীরা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আদালত মামলাটি রেকর্ড করার জন্য পাটকেলঘাটা থানার ওসিকে নির্দেশ দিলেও ওসি সে নির্দেশ না মেনে উল্টো হুমকি দি”্ছ।ে এছাড়া বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। সন্ত্রাসীদের সাথে ওসি আখতারুজ্জামানের সখ্যতা গড়ে উঠেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন মনতাজ উদ্দীন সরদার। এ ব্যাপারে তার পরিবারের নিরাপত্তার দাবিতে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কতৃপর্ক্ষের আশু হস্থক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

তালা উপজেলার শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন ‘কুমিরা’

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি : তালা উপজেলার কুমিরা ইউনিয়ন মা ও শিশু স্বাস্থ্য কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখায় তালা উপজেলার শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। গতকাল বুধবার তালা-কলারোয়ার এমপি ইঞ্জিঃ শেখ মুজিবুর রহমান শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ হিসেবে কুমিরার চেয়ারম্যানকে প্রশংসাপত্র প্রদান করেন। উল্লেখ্য, গত ২৬ এপ্রিল কুমিরা ইউনিয়নকে প্রথম মডেল ইউনিয়ন হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

কালিগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে মৎস্য অধিদপ্তরের মতবিনিময়

বিশেষ প্রতিনিধি : জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০১২ উপলক্ষ্যে গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেচে কালিগঞ্জ উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর। গতকাল সকাল সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১২ উদ্যাপন কমিটির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ সভায় মতবিনিময় করেন কালিগঞ্জ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার মোঃ শামীম হায়দার। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারি মৎস্য অফিসার লুৎফর রহমান, ক্ষেত্র সহকারি উজ্জ্বল অধিকারী প্রমুখ। মতবিনিময় সভায় মৎস্য সেক্টরে অবদানের পাশাপাশি উচ্চ মানসম্পন্ন চিংড়ি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাবলী, ঘেরে চিংড়ি রোগে চাষীদের করণীয়, পুশ ও ভিজানো বন্ধ সংক্রান্ত  জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতি আহবার জানানো হয়। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক পত্রদূতের বিশেষ প্রতিনিধি অধ্যাপক নিয়াজ কওছার তুহিন, সহ-সভাপতি অধ্যাপক সনৎ কুমার গাইন, যুগ্ম সম্পাদক শেখ শাহীনুর রহমান শাহীন, সদস্য আবু হাবিব, মোঃ জাকির হোসেন, কালিগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ সাদেকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ডিএম সিরাজুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক হাফিজুর রহমান শিমুল, কোষাধ্যক্ষ ইলাদেবী মল্লিক, তথ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক শেখ আনোয়ারুল কবির লিটু, সদস্য কাজী আল-মামুন প্রমুখ।

 

কালিগঞ্জের ধলবাড়িয়া ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি গঠন

বিশেষ প্রতিনিধি : গতকাল বিকালে কালিগঞ্জের ধলবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে। কালিগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক শেখ ইকবাল আলম বাবলু ও যুগ্ম আহবায়ক এ্যাডভোকেট হাবিব ফেরদৌস শিমুল স্বাক্ষরিত এক পত্রে অনুমোদিত ওই কমিটিতে সুভাষ বিশ্বাসকে আহবায়ক, শেখ আমিনুর রহমান ও লতিফুর রেজাকে যুগ্ম আহবায়ক করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন শামিম জাহান রুবেল, কৌষিক চক্রবর্তী, রুহুল কুদ্দুস ও আমিনুর রহমান।

জেলা আইবিডব্লিউ’র সভা

জেলা ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস এন্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন এর বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বিকাল ৫টায় শহরের একটি অভিজাত হোটেলে ফাউন্ডেশনের জেলা সভাপতি মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমানের পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আইবিডব্লিউ এর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল কাজী হারুন অর রশিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাহাবুদ্দীন মুনসি। বক্তব্য রাখেন জেলা কমিটির শেখ নূরুল হুদা, জামসেদ আলম প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

কলারোয়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে গভীর নলকূপ স্থাপনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি : আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে অবৈধভাবে সেচ প্রকল্পের গভীর নলকূপ স্থাপনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে করে পানির স্তর নিচে নেমে পরিবেশ বিপর্যয়সহ দু’গ্র“পের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করছেন এলাকাবাসী। এ ঘটনায় আদালতে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।

মামলা ও এলাকাবাসী সূত্রে প্রকাশ, কলারোয়ার বাটরা গ্রামের পূর্বপাশে ১৯৯২ সালে মরহুম সোহরাব আলী মোড়ল বিএডিসির মাধ্যমে নগদ টাকা দিয়ে একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করেন। সেচ নীতি অনুসারে গভীর নলকূপ স্থাপনের ক্ষেত্রে একটি সেচ পাম্প থেকে আরেকটি সেচ পাম্পের দূরত্ব হবে কমপক্ষে আড়াই হাজার ফুট। একটি সেচ পাম্পের অধীনে কমপক্ষে ৬০ একর জমি থাকতে হবে। বাটরা মৌজায় ওই বিলে জমির পরিমান ৪০ একর। তারপরও কৃষি পণ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে বিএডিসি ওই গভীর নলকূপটি স্থাপনে অনুমতি দেয়। কিন্তু ২০ পর বিএডিসি’র দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে  একই গ্রামের রইচউদ্দীন আশরাফ আলী গংরা ওই সেচ পাম্পের পাশে আরো একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করছেন। সরকারি সেচ নীতি অনুসারে আড়াই হাজার ফুটের মধ্যে ২টি গভীর সেচ পাম্প স্থাপনে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তারপরও সরকারি নীতি উপেক্ষা করে গভীর নলকূপ স্থাপন করায় দু’গ্র“প মুখোমুখি হয়। এ সময় মরহুম সোহরাব আলী মোড়লের ছেলে শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে আদালতে ১৪৪ ধারার বিধান মতে মামলা করেন। আদালত উক্ত রইচ উদ্দীন গংদের বিরুদ্ধে গভীর নলকূপ স্থাপনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। কিন্তু আদালতের সে নির্দেশ মানছে না রইচ উদ্দীন গংরা। তারা বিএডিসি’র দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে অবৈধভাবে গভীর নলকূপ স্থাপন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। এ ঘটনায় গত ৯ জুলাই কলারোয়া সহকারি জজ আদালতে বিএডিসির ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্পের উপ-সহকারি প্রকৌশলীকে প্রধান আসামি করে আরো একটি মামলা হয়েছে।

এদিকে এলাকাবাসী জানান, পাশাপাশি দুটি গভীর নলকূপ স্থাপিত হলে ভূ-নিম্নস্থ পানির স্তর আরো নিচে চলে যাবে। এলাকায় ভূমি ধ্বসের সম্ভাবনা অনেক বেশি। এতে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশংকা রয়েছে।

অপরদিকে উক্ত গভীর নলকূপ স্থাপনকে কেন্দ্র করে এলাকার দু’পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান করছে। যে কোন মুহুর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করছেন এলাকাবাসী। এলাকাবাসী এ ব্যাপারে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।