জেলা আইন শৃংখলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত


প্রকাশিত : জুলাই ২৩, ২০১২ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি : জেলা আইন শৃংখলা কমিটির সভা গতকাল সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ড. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার।

সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো: আসাদুজ্জামান, পিপি এ্যাড. মোস্তফা লুৎফুল্লাহ, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, তালা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, দেবহাটা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাড. গোলাম মোস্তফা, শ্যামনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বারী, সাংবাদিক ইয়ারব হোসেন, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ সাধু, চেম্বারের প্রতিনিধি দ্বীন আলী প্রমুখ।

সভায় উল্লেখ করা হয়, জেলার ৮টি থানায় মে মাসে বিভিন্ন ঘটনায় ২৯৯টি মামলা হয়েছে। এরমধ্যে সদর থানায় ৭৭টি, কলরোয়া থানায় ৫২টি, পাটকেলঘাটা থানায় ৫টি, তালা থানায় ৩৬টি, দেবহাটা থানায় ১৯টি, আশাশুনি থানায় ২৭টি, কালিগঞ্জ থানায় ২৯টি ও শ্যামনগর থানায় ৫৪টি মামলা হয়েছে। গত দুই মাসে জেলায় ১০৫টি নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে।

সভায় আরো উল্লেখ করা হয়, সীমান্তে গরু খাটালে চাাঁদাবাজি করা হচ্ছে। যে পরিমান রাজস্ব আদায় হয় গরু থেকে তার কয়েক গুন বেশি চাঁদা আদায় করা হয়ে থাকে। এসব অবৈধ গরুর খাটার বন্ধ করে দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে সে নির্দেশ এসেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রাত্রালয় থেকে। চরমপন্থী দলের শীর্ষ নেতা বিদ্যুতসহ তার সঙ্গীরা ও মোজাফ্ফর সানা কে গ্রেপ্তার করায় পুলিশ সুপার মো: আসাদুজ্জানকে সভায় উপস্থিত সকলে ধন্যবাদ জানান। যাদেরকে এখনও পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা যায়নি তাদের ব্যাপরে অভিযান চালানো হবে বলে জানানো হয় ঈদকে সামনে রেখে সড়কে, গরুর ট্রাকে, ইউনিয়ানের নামে যানবাহন থেকে কোন প্রকার চাঁদা আদায় না করা হয়। চাঁদা আদায় করা হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সুন্দরবনে জলদস্যু ও বনদস্যুদের চাঁদাবাজি বন্ধে অভিযান চালানো হবে। জিনিসিপত্রের দাম বাড়ানো হলে ওই ব্যবসায়ির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বড় বজারসহ জেলা সদর ও উপজেলা সদরে চুরি, ছিনতাই, টানা,পার্টি, রোধে পুলিশের টহল বাড়ানো হবে। বড় বাজরের দেশী মদের দোকান সরিয়ে খুলনা রোডে মোড়ে বসানো যাবেনা।  সীমান্তে চোরাচালান ও মাদক পাচার বন্ধে আরো বেশি অভিযান বাড়াতে হবে। সীমান্তে বিজিবি সদস্যরা ফেনসিডিল পাচারকারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। পুলিশ মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালান করছে। মাদকের সাথে জড়িতদের কাউকে পুলিশ ছাড়দেবে না। জেলায় খুনের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। কিছুটা হলেও আইন শৃংখলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটেছে। থানায় ব্যাপকহারে মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। থানায় মিথ্যা মামলা না এ জন্য খেয়াল রাখতে হবে। ঈদকে সামনে রখে ভারত থেকে প্রচুর পরিমানে শাড়িসহ বিভিন্ন পন্য আসছে। শাড়ি আসা বন্ধ করতে হবে।