শ্যামনগরের চিংড়ী চাষীরা হতাশ


প্রকাশিত : আগস্ট ৪, ২০১২ ||

আটুলিয়া (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: মাছ চাষ কে বলা হয় “বিকাশ মুখী বিজ্ঞান” চিংড়ী আসলে কোন মাছ নয়। এটি এক প্রকার পোকা। যেমনটি আমরা জানি তেলাপোকা, প্রজাপতি, মৌমাছি এ ধরণের সন্ধি পদ পর্বের প্রাণ। সমুদ্র বা নদী উপকূলবর্তী লোনা পানিতে চিংড়ী চাষ করা হয়। চিংড়ী ঘেরের তলার মাটি কালো নরম এবং পলি মাটিতে ভরা হওয়া উচিত। ভু-ত্বক এর উপরে ৬ ইঞ্চি থেকে ১ ফুট পর্যন্ত জৈব পদার্থ জমা হয়। যার ফলে মাটির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধি পায়। চিংড়ী সর্বভুক নিশাচর স্ব-জাতি ভোজী। চিংড়ী পানির তলদেশে বিচরণ করে এবং ১৫ দিন পর পর খোলস পরিবর্তন করে বড় হয়। চিংড়ী চাষে জ্বলীয় পরিবেশ ভাল থাকা দরকার। এরা সূর্যের আলো এড়িয়ে চলে। রাতে খাবার খেতে পছন্দ করে। চিংড়ীর অক্সিজেনের চাহিদা সাধারণ মাছের চেয়ে অনেক বেশী হয়। সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার মাটিতে লৌহ ও আয়রণের ভার অনেক বেশী। একারণে ঘঐ ৩ এবং ঝ ২ঙ গ্যাস বেড়ে যায়। চিংড়ী এ ধরনের গ্যাস সহ্য করতে পারেনা। চিংড়ী স্পর্শকাতর প্রাণী এবং পরিবর্তন পছন্দ করে না। এই মাটিতে আয়রনের ভাগ বেশী থাকায় চিংড়ী অনেক দিন ছোট থেকে যায়। যা চিংড়ী চাষীদের জন্য অনভিপ্রেত। বৈরী পরিবেশে চিংড়ী মারা যায়। শক্তি শালী প্রাণকে ভাইরাস আক্রমণ করতে পারেনা। চিংড়ী চাষীরা চিংড়ী চাষের সঠিক ধারণা পেলে এই অঞ্চলের মানুষ লাভবান হত।

এব্যাপারে চিংড়ী চাষী ভূপেন্দ্র নাথ মন্ডল বলেন, শ্যামনগর উপজেলার ৮৫ ভাগ জমিতে চিংড়ী চাষ হয়ে থাকে।  কিন্তু এই চিংড়ী চাষীদের  মধ্যে সঠিক ধারনা না থাকায় চিংড়ী চাষীরা হতাশা গ্রস্থ হয়ে পড়েছে।