কলারোয়ায় চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে যুবলীগের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা, পুলিশ মোতায়েন


প্রকাশিত : আগস্ট ২৫, ২০১২ ||

ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরা-যশোর মহাসড়কে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে কলারোয়া উপজেলা যুবলীগের দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে গত বৃহস্পতিবার হাতাহাতি ও শুক্রবার হামলার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কলারোয়া পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক কাজী আসাদুজ্জামান সাহাজাদার নির্দেশে জালালাবাদ গ্রামের জিয়ারুল ইসলাম তার সঙ্গীদের নিয়ে কলারোয়া বাসস্ট্যান্ডে গরু বোঝাই একটি ট্রাক থামিয়ে জোরপূর্বক তিন হাজার টাকা চাঁদা নেয়। পরে যুবলীগ কর্মী রানা আদায়কৃত চাঁদার ভাগ চাওয়ায় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই পক্ষেরর মধ্যে হাতাহাতি হয়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে জিয়ারুল ইসলাম বাদী হয়ে আওয়ামী লীগ’র ৯ নেতাকর্মীর নামে কলারোয়া থানায় একটি মামলা (নং-২১) দায়ের করে।

এ ঘটনা চাউর হওয়ায় গতকাল শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলা যুবলীগের একাংশ ও মামলায় আসামি নেতাকর্মী ও সমর্থকরা একজোট হয়ে যুবলীগনেতা কাজী সাহাজাদার দোকানে (গরুর হাটের পাশ ঘর) হামলা করে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কাজী সাহাজাদাকে উদ্ধার করে। এসময় গরুর হাট ইজারা গ্রহণ করে লাভের টাকার ভাগ দেয়ার কথা বলে ১৬ জনের কাছ থেকে ধার নেওয়া প্রায় ১৩ লাখ টাকা ফেরত দেয়ার জন্য শাহাজাদাকে চাপ সৃষ্টি করা হয়। এসময় জেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান উপস্থিত হয়ে খুব শীঘ্রই টাকা ফেরতের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

এ ব্যাপারে যুবলীগ নেতা কাজী আসাদুজ্জামান চাঁদা আদায়ের জন্য জিয়ারুল ইসলামকে নির্দেশ দেওয়ার কথা অস্বীকার করেন। তিনি গরুর হাট ডাকাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের নাসির, তুহিন আজিজুর, বাচ্চু ও ইসমাইলের নেতৃত্বে তার উপর হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেন।

কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সিকদার আক্কাজ আলী জানান, যুবলীগের দু’গ্র“পের মধ্যে উত্তেজনা থাকায় পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।