শেষ হওয়ার পথে মুন্সিগঞ্জ মিতালী সংঘের সংস্কার কাজ


প্রকাশিত : August 25, 2012 ||

শ্যামনগর অফিস: শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ মিতালী সংঘের সংস্কার কাজ সম্পন্ন হওয়ার পথে। ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানটির জন্য খেলাধুলার প্রয়োজনীয় সামগ্রী ক্রয়ের কাজও সম্পন্ন  হয়েছে। এদিকে স্থানীয় উদ্যোমী একদল তর–ণের প্রচেষ্টায় ক্লাবটি দিন দিন সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ায় একটি কুচক্রি মহল নানা ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ক্লাবের সভাপতি।

মুন্সিগঞ্জ মিতালী সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ফজলুল হক অভিযোগ করে বলেন, তিল তিল করে তিনি স্থানীয় কয়েকজন তরুণকে নিয়ে কয়েক বছর পূর্বে ক্লাব ঘরটি গড়ে তোলেন। সেখানে বয়স্ক শিক্ষাদানসহ এলাকার নানান সমস্যা নিয়ে মুরব্বীরা বসে স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। তিনি আরও বলেন, ক্লাবটি এতাদঞ্চলে ক্রীড়াক্ষেত্রে উলে−খযোগ্য ভূমিকা রাখছে। ক্রিকেট এবং ফুটবলে গত দু’তিন বছরে ক্লাবটির সাফল্য বেশ উল্লেখযোগ্য।

ফজলুল হক অভিযোগ করে বলেন, গত ২০১০/১১ অর্থ বছরে স্থানীয় সংসদ সদস্যের বিশেষ বরাদ্দ (টিআর) হতে ক্লাবটির নামে এক মে. টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। উক্ত  বরাদ্দ পেয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু কাজ করার পাশাপাশি ক্লাবটির দরজা লাগানোসহ ভিতরের মাটি ভরাটি দেওয়া এবং অন্যান্য সরঞ্জাম ক্রয়খাতে সমুদয় অর্থ ব্যয় করা হয়। কিন্তু স্থানীয় একটি মহল উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তরে ঐ বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। ক্লাবটির সভাপতির পদ দখলের হীনস্বার্থ চরিতার্থ করতে ঐ চক্রটি উঠেপড়ে লেগেছে অভিযোগ করে তিনি আরও জানান, বরাদ্দ নিয়ে কোন কাজ হয়নি এমন অভিযোগ এনে সম্প্রতি উপজেলা প্রকল্প বাˉ—বায়ন কর্মকর্তার দপ্তর থেকে টাকা ফেরত চেয়ে চিঠি পেয়ে তিনি যারপর নাই হতাশ হয়েছেন বলেও জানান।

ক্লাবটির সহ-সভাপতি ও সাধারণ সম্পদসহ অন্য সদস্যরাও দাবি করেছে সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক এমন অভিযোগের সত্যতা নিরুপণ করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তারা সকলেই দাবি করেন যে প্রথমদফা চিঠি পাওয়ার পরপরই ক্লাবটির যাবতীয় সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা হয়।

এদিকে উপজেলা প্রকল্প বাˉ—বায়ন কর্মকর্তার দপ্তর সূত্রে জানা গেছে দু’দফা চিঠি দেওয়ার পরও ইসমাইলপুর পরিবেশ ক্লাবসহ প্রায় তিরিশটিরও বেশী প্রতিষ্ঠান অদ্যাবধি সরকারি কোষাগারে আত্মসাতকৃত টাকা ফেরত না দেওয়ায় দু’তিন কার্য দিবসের মধ্যে আত্মসাতকৃত চালের দ্বিগুন মূল্য ফেরত চেয়ে চিঠি দেওয়া হবে। তারপরও টাকা ফেরত না পেলে আইন প্রক্রিয়ায় সরকারি সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা হবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে।