রুইয়ের ভূয়া এলসিতে বাগদা: আটক বজিবি’র অভিযানে


প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ১২, ২০১২ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: মিষ্টি পানির মাছের এলসিতে লোনা পানির মাছ আমদানি করায় টাস্কফোর্স দফায় দফায় অভিযান চালিয়ে ৭ ট্রাক আমদানি নিষিদ্ধ লোনা পানির মাছ আটক করেছে। আটককৃত মাছের মধ্যে রয়েছে বাগদা চিংড়ি, সাগরের রিটা মাছ, বোয়াল, বেলে, পাবদা, ফলুই ও রুই মাছ। গতকাল বিকেলে সাতক্ষীরা টাস্কফোর্সের বিশেষ অভিযানে সদর উপজেলার আলিপুর, বাকাল, শহরের খুলনার রোড মোড় ও ভোমরার নবাতকাটি এলাকা থেকে এসব মাছ আটক করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এম এ মালেক ও বিজিবি’র ৩৮ ব্যাটালিয়নের অপরেশন অফিসার মেজর সোহেল। আটককৃত ৭ ট্রাক ভারতীয় মাছের মধ্যে দুই ট্রাক মাছের সিএন্ডএফ এজেন্ট মেসার্স সাব্বির এন্টার প্রাইজ’র কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে বৈধতা থাকায় রাতেই ওই দুই ট্রাক মাছ ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

বিজিবি জানায়, কাস্টমস কর্তৃপক্ষের দেওয়া বিল অব এন্ট্রির (নং ১০৪৯৭) একই কাগজ ৫টি ফটোকপি করে তা ট্রান্সপোর্ট চালানের সাথে যুক্ত করে দেওয়া হয়। ওই বিলে মিষ্টি পানির মাছের আমদানি করার কথা থাকলেও সেখানে লোনা পানির বাগদাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া গেছে। এসব মাছ ভোমরা বন্দরের সানি এন্টার প্রাইজ ও জাহান শিপিং লাইনস’র মাধ্যমে ছাড় হয়ে ঢাকার কাওরান বাজারে যাচ্ছিল। বিজিবি আরও জানায়, ট্রান্সপোর্ট চালানে কোনটিতে ৮৯ বক্স মাছের কথা থাকলেও কাস্টমসের বিল অব এন্ট্রিতে ১১০ বক্সের কথা লেখা আছে। এছাড়া ট্রান্সপোর্ট চালানে ভারতীয় হিমায়িত মাছ লেখা আছে। কিন্ত বিল অব এন্ট্রিতে লেখা আছে মিষ্টি পানির মাছ। আবার ট্রাকে পাওয়া গেছে লোনা পানির মাছ। যা বিজিবি এবং মৎস্য বিভাগের দাবি আমদানি নিষিদ্ধ। তবে কাস্টমস বলছে চিংড়ি আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা নেই। কিন্তু বিজিবি ও সাংবাদিকদের কোন প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারে নি কাস্টমস কর্মকর্তারা।