জেলা কারাগার থেকে ১৮ ভারতীয় বন্দির মুক্তি


প্রকাশিত : অক্টোবর ২৬, ২০১২ ||

ডেস্ক রিপোর্ট: সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও বিভিন্ন মেয়াদে সাতক্ষীরা জেলা কারাগারে অবস্থানকারী ১৮ ভারতীয় বন্দির (আরপি) মুক্তি মিলেছে। গত মঙ্গলবার ও বুধবার তাদেরকে জেলগেট থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

মুক্তি পাওয়া ভারতীয় বন্দিরা হলো, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার গোসাবা থানার ছোট মোল্লাখালি গ্রামের প্রফুল্ল চন্দ্র মণ্ডলের ছেলে সুভাষ মণ্ডল, একই থানার নরেন্দ্রপুর গ্রামের শ্যামাপদ মণ্ডলের ছেলে অশোক কুমার মণ্ডল, সাতজেলিয়া গ্রামের মৃত ভগবত মণ্ডলের ছেলে কানাই মণ্ডল ওরফে মোহাম্মদ আলী, একই গ্রামের ধীরেন্দ্র নাথ মৃধার ছেলে সুকুমার মৃধা, একই রাজ্যের নদীয়া জেলার ধানতলা থানার হোসালিয়াপাড়া গ্রামের ধীরেন্দ্রনাথ মিস্ত্রীর ছেলে উত্তম মিস্ত্রী, একই জেলার রাণাঘাট থানা সদরের দেলোয়ার হোসেন, দার্জিলিং জেলার মাটিয়াপাড়া থানার তুমবেজুট গ্রামের ছাইমচরণ সরকারের ছেলে প্রশান্ত সরকার, ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের সুখরামের ছেলে গঙ্গারাম, মুর্শিদাবাদ জেলার লালগোলা থানার নতুনগ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে শেখ মিনারুল ইসলাম, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপন থানার ফুলবাড়ি (মালঞ্চ) গ্রামের করু প্রমানিকের ছেলে শ্রীকুষ্ণ প্রমানিক, তার স্ত্রী শম্পা প্রমানিক, একই গ্রামের মঙ্গলা সূত্রধরের ছেলে পরিতোষ সূত্রধর, তার স্ত্রী ষষ্ঠী সূত্রধর, একই গ্রামের কচু প্রমাণিকের স্ত্রী মায়া রাণী প্রমানিক, একই থানার মুক্তরামপুর গ্রামের পরাণ মণ্ডলের ছেলে অমূল্য মণ্ডল, তার মেয়ে রেণু বালা মণ্ডল, একই জেলার হিলি থানার (ভারত) হরিপুকুর গ্রামের মোহাম্মদ আলী মণ্ডলের ছেলে রাজীব মণ্ডল ও বিহার রাজ্যের সুকুমার মণ্ডলের ছেলে সতীশ মণ্ডল।

সাতক্ষীরা জেলা কারাগার সূত্রে জানা গেছে, মুক্তি পাওয়া বন্দিদের বিরুদ্ধে সুন্দরবনে ডাকাতি, অপহরণ, চাঁদাবাজি, বিনা পাসপোর্টে  বাংলাদেশে আসাসহ বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। প্রথমাক্ত পাঁচজন ২০০২ সালের ২০ নভেম্বর থেকে জেল হাজতে ছিল। সম্প্রতি সকল আসামিদের সাজার মেয়াদ শেষ হলেও আইনগত জটিলতার কারণে তারা এক মাছ থেকে এক বছর পর্যন্ত বিনা কারণে জেল হাজতে ছিল। আইনগত জটিলতা কাটিয়ে গত মঙ্গলবার ও বুধবার তাদেরকে জেলা কারাগারের গেট থেকে মুক্তি দেওয়া হয়

সাতক্ষীরা জেলা কারাগারের সুপারইনটেনডেন্ট নূরুন্নবী ভুঁইয়া ১৮ জনের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।