সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে বিভিন্ন সংগঠনের অভিনন্দন জ্ঞাপন অব্যাহত

ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাচনে বিজয়ী কালাম-মোজাফফর প্যানেলের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি প্রদান অব্যাহত রয়েছে।

সিপিবি-বাসদ

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নির্বাচনে বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে সিবিপি-বাসদ। বিবৃতিদাতারা হলেন জেলা সিপিবির সভাপতি কমরেড আবুল হেসেন ও জেলা বাসদের সমন্বয়ক নিত্যানন্দ সরকার।

 

সনাতন ধর্মীয় যুব সংঘ

প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ ও সাধারণ সম্পাদক মোজাফফর রহমানসহ নবনির্বাচিত সকল কর্মকর্তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন শ্যামসুন্দর মন্দিরস্থ বাংলাদেশ সনাতন ধর্মীয় যুব সংঘ’র সভাপতি সত্যজিৎ ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক পলাশ দেবনাথসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

 

শ্যামনগরের সুশীল সমাজ

সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে শ্যামনগর আতরজান মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, পত্রদূতের সুন্দরবনাঞ্চল প্রতিনিধি রনজিৎ বর্মন, নকশীকাঁথার পরিচালক চন্দ্রিকা ব্যানার্জী, আতরজান কলেজের অধ্যাপক মানবেন্দ্র দেবনাথ, কাটুনিয়া রাজবাড়ী ডিগ্রী কলেজের অধ্যাপক প্রদীপ কুমার রপ্তান, উন্নয়ন কর্মী সুর্পনা, তপন কর্মকার, অনিরুদ্ধ কর্মকার, বারসিক কর্মকর্তা শাহীন ইসলাম, মননজয় মন্ডল, রামকৃষ্ণ জোয়ারদ্দার প্রমুখ।

 

কেশবপুর নিউজ ক্লাব

সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে আবুল কালাম আজাদ সভাপতি ও মোজাফ্ফর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় এবং নতুন কমিটির সকল নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়ে কেশবপুর নিউজ ক্লাবের পক্ষে বিবৃতি দিয়েছেন, সভাপতি কামরুজ্জামান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান, সহসভাপতি এস আর সাইদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম মিন্টু, প্রচার সম্পাদক রাবেয়া ইকবাল, প্রকাশনা সম্পাদক বেলাল হোসেন, মুসফেক-উস-সালেহীন মাসুম, এম আব্দুল করিম, এমএ রহমান, মেহেদী হাসান জাহিদ, আব্দুল কাদের, শহিদুল ইসলাম, আলমগীর হোসেন, ইউনুছ আলী, আজিজুর রহমান, রোকনুজ্জামান, আব্দুল লতিফ প্রমুখ।

 

বুধহাটা আঞ্চলিক প্রেস ক্লাব

সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে আবুল কালাম আজাদ পুনরায় সভাপতি ও মোজাফফর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় তাদেরসহ নির্বাচিত সকলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বুধহাটা আঞ্চলিক প্রেসক্লাবের সভাপতি সচ্চিদানন্দদে সদয়, সাধারণ সমপাদক শেখ হেদায়েতুল ইসলাম, সহ-সভাপতি এসএম আমির হামজা, আহম্মদ আলী বাচা, আবু ছালেক, যুগ্ম সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, সাংগঠনিক সম্পাদক আইয়ুব হোসেন রানা, কোষাধ্যক্ষ আবু হেনা কামরুজ্জামান, প্রচার সম্পাদক রেজাউল করিম কাজল, দপ্তর সম্পাদক রমেশ চন্দ্র বসাক, সাহিত্য সম্পাদক কেএম জিল¬ার উদ্দীন, সদস্য এ্যাডভোকেট এবিএম সেলিম, জিএম ইসলাম উদ্দীন, শফিকুল ইসলাম, সুধান্য সরকার ও হাসান ইকবাল মামুণ, বুধহাটা নবজাগরণী সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি অসিম দও, শ্রদ্ধাঞ্জলি সাহিত্য পরিষদের সভাপতি রমেশ চন্দ্র বসাক, উদীপ্ত যুব সংঘের সভাপতি হরসিত দে, বুধহাটা অনন্যা মহিলা পরিষদের সভাপতি সুচিত্রা দে, সাধারণ সম্পাদক অর্চনা রানি দে প্রমুখ।

 

গণশিল্পী সংস্থা

সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক মোজাফ্ফার রহমানসহ সকল কর্মকর্তাদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন গণশিল্পী সংস্থা সাতক্ষীরা আঞ্চলিক শাখার সভাপতি এমএ জলিল ও সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন।

 

যুব মৈত্রী

সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক মোজাফ্ফার রহমানসহ সকল কর্মকর্তাদের প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ যুব মৈত্রী সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি স্বপন কুমার শীল, সাধারণ সম্পাদক মফিজুল হক জাহাঙ্গীর, সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ¬ব সমাজদার, সহ-সভাপতি সুব্রত কুমার সানা, যুবনেতা প্রতাপ কুমার হোড় ও ধ্র“ব সরকার।

 

নারী মুক্তি সংসদ

সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক মোজাফ্ফার রহমানসহ সকল কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন নারী মুক্তি সংসদ’র সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি নাসরিন খান লিপি, সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌসি বেগম আলো, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনা বিলকিস ময়না, দপ্তর সম্পাদক লিলিফা পারভীন।

 

জাতীয় কৃষক সমিতি

সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক মোজাফ্ফার রহমানসহ সকল কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয় কৃষক সমিতির সাতক্ষীরা জেলা আহবায়ক অধ্যাপক সাবীর হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক মাস্টার আঃ রউফ ও মাস্টার সারদার রফিকুল ইসলাম।

 

বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর ইউনিয়ন

সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সাধারণ সম্পাদক মোজাফ্ফার রহমানসহ সকল কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর ইউনিয়ন সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি অজিত কুমার মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক নির্মল সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন সরকার।

 

ছাত্র মৈত্রী

সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক মোজাফ্ফার রহমানসহ সকল কর্মকর্তাদের প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী’র সাতক্ষীরা জেলা নেতা দিপংকর মন্ডল, অম্বিক কুমার, আঃ লতিফ, বিপ¬ব, প্রণয় সরকার,বিশ্বনাথ সরকার প্রমুখ।

 

 

 

ডিবি পুলিশের অভিযানে ২৪৮ বোতল ফেনসিডিলসহ এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি: ডিবি পুলিশের অভিযানে ২৪৮ বোতল আমদানি নিষিদ্ধ ভারতীয় ফেনসিডিলসহ এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম কিনু সরদার (৩৭)। তার বাড়ি দেবহাটা উপজেলার বহেরা গ্রামে। তার পিতার নাম মোকছেদ সরদার।

সোমবার ভোর ৫টায় সাতক্ষীরা ডিবি পুলিশের এএসআই সাইদুর রহমানের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কিনু সরদারের বাড়িতে অভিযান চালায়। পুলিশ এ সময় কিনু সরদারের গোয়াল ঘর থেকে ২৪৮ বোতল ফেনসিডিলসহ তাকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।

 

 

 

কেশবপুরে খেজুরের রস সংগ্রহে গাছিদের প্রতিযোগিতা

এম আব্দুল করিম, কেশবপুর: প্রাচীন বাংলার ঐতিহ্য কেশবপুরের খেজুরের রস। কেশবপুরের খেজুরের রসের গুড় এক সময় দেশজুড়ে ছিলো বিখ্যাত। আর খেজুরগুড়ের জন্য দেশের মানচিত্রে কেশবপুরের নাম ছিলো চিরপরিচিত। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও কেশবপুরের গাছিরা শীতের শুরুতেই মধুবৃক্ষের রস সংগ্রহের জন্য আগেভাগে শানাতে শুরু করেছে খুঙ্গি দড়া দাঁ ও বালিধরা। শীত শুরু হলেই কেশবপুরের প্রত্যন্ত অঞ্চল জুড়ে শুরু হয় খেজুরের রস সংগ্রহের প্রতিযোগিতা। বাড়িতে-বাড়িতে শুরু হয়, গ্রামীণ জীবনের প্রাচীনতম নান্দনিক ঐতিহ্য চিরচেনা পিঠা পায়েসের উৎসব। এ যেন গ্রামীণ জীবনের  এক অবিচ্ছেদ্ধ অঙ্গ। শীতের প্রতিটি সকাল যেন আবহমান বাংলার ঘরে-ঘরে উৎসবে পরিণত হয়। বৃহত্তর যশোর জেলার দক্ষিণে অবস্থিত কেশবপুর উপজেলা। এই উপজেলার পরতে-পরতে রয়েছে মধুবৃক্ষ খেজুর গাছ। যে গাছের তরল রস জ্বালিয়ে তৈরী হয় ঝোলা দাঁনাগুড় ও পাটালী। খেজুরের গুড় থেকে এক সময় তৈরী হতো দাঁনামিছরি ও বাদামী চিনি, যার স্বাদ ও ঘ্রাণ ছিলো একেবারেই আলাদা। স্বাদে ও তৃপ্তিতে দাঁনামিছরি ও বাদামী চিনির কোন জুড়ি নেই। খেজুর গাছের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে যত বেশী শীত পড়বে তত বেশী মিষ্টি রস পাওয়া যাবে। পুরো মৌসুম জুড়ে নতুন খেজুর গুড়ের মিষ্টি গন্ধে মাতোয়ারা হয়ে উঠবে আবহমান বাংলার  প্রতিটি ঘর। খেজুর রসের কারণে গ্রামীণ পরিবেশ হয়ে উঠে মধুময়। মন ভরে যায় সান্ধ্য খেজুরের সেজো রসে। আর কিছুদিন পরে পুরোদমে শুরু হবে খেজুরের রস খাওয়ার ধুম। শহর থেকে দলে-দলে লোক ছুটে আসবে মধুবৃক্ষের অমৃত রস খাওয়ার জন্য।

কিন্তু দুঃখের বিষয় বিগত কয়েক বছরে উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় ইট ভাটা গড়ে উঠার কারণে এই মধুবৃক্ষ ইট ভাটার  জ্বালানির খোরাক হওয়ায় দ্রুত বিলুপ্তি হতে বসেছে। ২০০৯ সালে বন বিভাগের উদ্যোগে কিছু খেজুরের চারা রোপন করা হয়। বিভিন্ন সূত্রে জানাগেছে, বৃহত্তর যশোর জেলার জীববৈচিত্রের সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় গত কয়েক বছরে রোপিত হয়েছে প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ খেজুরের চারা, তবুও ইট ভাটার ভয়াল আগ্রসনের কারণে সরকারের সকল পরিকল্পনা ভেস্তে যাচ্ছে।

 

 

সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে আরও এক জেলে নিহত

আব্দুল হালিম, নীলডুমুর (শ্যামনগর): সুন্দরবন সংলগ্ন নদীতে কাঁকড়া ধরতে যেয়ে নজরুল ইসলাম শেখ (৩০) নামের এক বনজীবী নিহত হয়েছেন। তিনি কয়রা উপজেলার খাসিটানা গ্রামের রহিম শেখের ছেলে। সোমবার বেলা দশটার দিকে তিনি বাঘের শিকারে পরিণত হয়।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, নজরুল অপর এক সহযোগীকে নিয়ে সোমবার সকালে সুন্দরবনে যায় কাঁকড়া শিকারের জন্য। এক পর্যায়ে বেলা দশটার দিকে কাঁকড়া শিকারের রশি বাঁধার জন্য বনে উঠতেই ওৎ পেতে থাকা বাঘটি তাকে আক্রমণ করে। মুহূর্তের মধ্যে বাঘটি নজরুলকে টানতে টানতে বনের গভীরে নিয়ে যায়। পরক্ষণে সহযোগীসহ গ্রামবাসীদের সহায়তায় নিহত নজরুল ইসলামের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। কলাগাছিয়া টহল ফাঁিড়র অফিসার শাহাদাৎ হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে।

 

 

 

ডিবি পুলিশের অভিযানে ৯৭০ বোতল ফেনসিডিলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরা ডিবি পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে ৯৭০ বোতল ফেনসিডিলসহ দুই মাদক চোরাচালানিকে গ্রেপ্তার  করেছে। সোমবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশাশুনি উপজেলার বুধহাটার বেতনা নদীতে অভিযান চালিয়ে নৌকা ভর্তি ওই ফেনসিডিল আটক করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে মাদক চোরাচালানি ওমর মাঝিকে (৪৭) কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বুধহাটা গ্রামের আব্দুল করিম মাঝির ছেলে।

অপরদিকে সোমবার ভোরে দেবহাটা উপজেলার বহেরা গ্রামে অভিযান চালিয়ে ডিবি পুলিশ ২৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী কিনু সরদার (৪৫) কে তার বাড়ি থেকে আটক করা হয়। তিনি ওই গ্রামের মোকছেদ সরদারের ছেলে। ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমান-উল্লাহ জানান, পৃথক ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে।

 

 

মানবাধিকার ব্যুরো পাইকগাছা শাখার কমিটি গঠন:ফসিয়ার সভাপতি ও অজিত সাধারণ সম্পাদক

 

পাইকগাছা প্রতিনিধি: বিশিষ্ট সমাজসেবক সিআইপি ফসিয়ার রহমানকে সভাপতি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী দাউদ শরীফকে সহ-সভাপতি ও অজিত কুমার মন্ডলকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৭ সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশ মানবাধিকার ব্যুরোর পাইকগাছা উপজেলা শাখার কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ মানবাধিকার ব্যুরোর খুলনা জেলা শাখার সভাপতি সিআইপি আব্দুল জববার মোল্ল¬া ও সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক শেখ দিদারুল আলম এ কমিটি অনুমোদন করেছেন।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ-সম্পাদক রাবীদ মাহমুদ চঞ্চল, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মঈনুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক শেখ মিজানুর রহমান, মহিলা সম্পাদক সেলিনা আক্তার এবং নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে কাজী আজিজুল করীম, জিএম আব্দুস সাত্তার, এসএম মোজাম্মেল হক, মনোহর চন্দ্র সানা, আব্দুল্লাহ আল মামুন, রেখা রানী বিশ্বাস, জিএম রশীদুজ্জামান, সাংবাদিক আলাউদ্দিন সোহাগ, সাংবাদিক আব্দুল আজিজ ও স ম আব্দুর রব।

 

খুলনায় নারী উদ্যোক্তা উন্নয়নে নীতি ও পরিবেশ বিষয়ক পর্যালোচনা সভা

‘নারী উদ্যোক্তা উন্নয়নে নীতি ও পরিবেশ’ শীর্ষক এক পর্যালোচনা সভা সোমবার খুলনার সিএসএস আভা সেন্টারের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। ইউএসএইড ও দি এশিয়া ফাউন্ডশনে’র প্রদীপ প্রকল্পের সহায়তায় বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি খুলনা বিভাগীয় কার্যালয় এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

সভায় বিদ্যমান নীতিমালার যথাযথ বাস্তবায়ন ও নারী উদ্যোক্তা উন্নয়নে নতুন নীতিমালা প্রণয়নসহ বিভিন্ন সুপারিশ উত্থাপন করা হয়।

বিডব্লিউসিসিআইর খুলনা বিভাগীয় সভাপতি শামীমা সুলতানা শীলুর সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দৈনিক পূর্বাঞ্চলের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক বেগম ফেরদৌসী আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র রুমা খাতুন ও নাগরিক ফোরামের চেয়ারপার্সন মুক্তিযোদ্ধা শেখ আব্দুল কাইয়ুম। বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করেন প্রদীপের প্রকল্প ব্যবস্থাপক সৈয়দ সুলতান চাঁদ। শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন বিডব্লিউসিসিআইর ভাইস প্রেসিডেন্ট হাসিনা নেওয়াজ।

অনুষ্ঠানে বেসিক ব্যাংকের নাসিমা সুলতানা পলি, ডাচবাংলা ব্যাংকের জিয়াউর রহমান, জাহানারা খাতুনসহ ব্যাংক কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে নারী উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

 

পাটকেলঘাটায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্ণামেন্ট উদ্বোধন

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটা ফুটবল মাঠে সোমবার বিকাল ৪টায় ৮ দলীয় নক-আউট ফুটবল টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন করা হয়েছে। বেলুন এবং কবুতর উড়িয়ে টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা-১ আসনের এমপি শেখ মুজিবুর রহমান। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক লস্কর তাজুল ইসলাম, তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, তালা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধু, পাটকেলঘাটা বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ওবায়েদুস সুলতান বাবলু, আওয়ামী লীগ নেতা হাবিবুর রহমান পিন্টু, টুর্ণামেন্ট কমিটির আহবায়ক উদয় ঘোষ, জাসদ নেতা বিশ্বাস আবুল কাশেম, শেখ আব্দুল হাই, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শাহিদুজ্জামান পাইলট, ইয়াছীন আলী সরদার ও লাল্টু প্রমুখ।

উদ্বোধনী খেলায় আশাশুনি হাড়িভাঙ্গা ফুটবল একাদশ ও কেশবপুর পাজিয়া ফুটবল একাদশ অংশগ্রহণ করে। খেলায় রেফ্রির দায়িত্ব পালন করেন খলিল বিশ্বাস। এতে হাড়িভাঙ্গা ফুটবল একাদশ ১-০ গোলে জয়লাভ করে।

 

চাম্পাফুল আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠে ঋশিল্পীর মেডিকেল ক্যাম্প

 

সোমবার ঋশিল্পীর স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে আশাশুনি  উপজেলার চাম্পাফুল আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠে মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। ঋশিল্পীর আশাশুনি সমাজভিত্তিক পুনর্বাসন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে এ মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধন করেন শিক্ষাচার্য স্যার সাহাবউদ্দীন স্বাস্থ্য প্রকল্পের আহবায়ক প্রফেসর আব্দুল আজিজ।

ক্যাম্প পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঋশিল্পীর প্রোগ্রাম ম্যানেজার (স্বাস্থ্য) সভারঞ্জন শিকদার।  ক্যাম্প পরিচালনা করেন ইতালিয়ন অর্থোপেডিক সার্জন ডা. ডোনাটেল্লা, ঋশিল্পীর মেডিকেল অফিসার ডা. বরকত আলী, ফিজিওথেরাপিস্ট ডা. শংকর কুমার ঢালী, ফিজিওথেরাপিস্ট ডা. গোলাম মোস্তফা,  সহকারি ফিজিওথেরাপিস্ট  আনিছুর রহমান, সোস্যাল ওয়েলফেয়ার ইউনিট এর সুপারভাইজার লুইস পান্ডে, সমাজ সংগঠক আবু সালেক, সাধন দাশ ও ঠাকুরদাস সরকার। ক্যাম্পে বাতব্যাথা, প্যারালাইসিস এবং জন্মগত শিশু প্রতিবন্ধিতা নিরসনে চিকিৎসা সেবাসহ  কাউন্সিলিং ও পরামর্শ প্রদান করা হয়। এছাড়া বিনামূল্যে ১৫৫ জন নারী-পুরুষ ও শিশুদের মধ্যে প্রয়োজনীয় ঔষধ বিতরণ করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

 

বৈকারীতে ছিনতাইকারিদের আঘাতে আহত ৩

আলিপুর প্রতিনিধি: বৈকারী সীমান্তে ছিনতাইকারিদের হাতে দু’গরু ব্যবসায়ী ও এক গরু রাখাল গুরুতর আহত হয়েছে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আহতরা হলো, কাথণ্ডা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদের পুত্র গরু ব্যবসায়ী আব্দুল জলিল (৪০), ওয়াজেদ সরদারের পুত্র মনিরুজ্জামান (৪৫) ও   ছামাদ মোল্যার পুত্র গরু রাখাল আক্তারুল ইসলাম (৪২)।

আহতরা জানান, সোমবার ভোরে বৈকারী সীমান্তে মসজিদের সামনে দিয়ে গরু ব্যবসায়ী জলিল, মনিরুজ্জামান ও গরু রাখাল আক্তারুল খাটালে গরু নিয়ে যাচ্ছিল। এসময় আগে থেকে উৎপেতে থাকা কাথণ্ডা গ্রামের মরহুম মোহাম্মদ দফাদারের পুত্র মশিয়ার রহমান (ইদোল), মৃত দেলোয়ার হোসেনের পুত্র নজরুল ইসলাম, ছ’ঘোরিয়া গ্রামের আব্দুস ছাত্তারের পুত্র রবুল্লাহ, কাথণ্ডার কয়ারপাড়ার মৃত জসিম মুহুরীর পুত্র কালাম, বৈকারী গ্রামের ইয়ার আলী মোল্যার পুত্র হযরত, হায়দার আলীর পুত্র বাবলু, গহর আলীর পুত্র নূর ইসলামসহ অজ্ঞাত ১৫/২০ জনের একটি দল হঠাৎ তাদের উপর লাঠি, রড, দা নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে এবং তাদেরকে এলোপাতাড়ি মেরে প্রায় লক্ষাধিক টাকা ও ৩টি মোবাইল ছিনতাই করে নিয়ে চলে যায়। টের পেয়ে স্থানীয়রা এসে আহতদেরকে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ছিনতাইকারিদের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

 

জেলার প্রাইভেট ক্লিনিকগুলো চলছে ‘ফ্রিস্টাইলে’ : নিয়ম নীতি মানছে না কেউ, অব্যাহত প্রতারণা

আব্দুস সামাদ: জেলার ৭ উপজেলায় বেসরকারিভাবে পরিচালিত ক্লিনিক, ডেন্টাল ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরিগুলো চলছে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে। সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেয়ার নামে গ্রামে-গঞ্জে, হাট-বাজারে এবং শহরের অলিগলিতে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে ছোট-বড় এসব প্রতিষ্ঠান।

সূত্র জানায়, সাতক্ষীরা জেলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বৈধ লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় ১৩২টি। এগুলোর মধ্যে ৮২টি ক্লিনিক ও ডেন্টাল ক্লিনিক এবং ৫০টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালের ৩০ বেড, সংগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালের ৩০ বেড, নলতা হাসপাতাল এন্ড ক্লিনিকের ২০ বেড এবং অন্যান্য ক্লিনিকগুলোর ১০ বেডের আনুমোদন রয়েছে।

সূত্র জানায়, সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৫৮টি। এর মধ্যে ক্লিনিক ও ডেন্টাল ক্লিনিক ৩৬টি, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি ২২টি।

তালা উপজেলায় বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৫টি। এর মধ্যে সবগুলোই ক্লিনিক ও ডেন্টাল ক্লিনিক।

কলারোয়া উপজেলায় বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৩০টি। এর মধ্যে ক্লিনিক ও ডেন্টাল ক্লিনিক রয়েছে ১৭টি এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি রয়েছে ১৩ টি।

দেবহাটা উপজেলায় বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৪টি। এর মধ্যে ক্লিনিক ও ডেন্টাল ক্লিনিক ২টি, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি রয়েছে ২টি।

কালিগঞ্জ উপজেলায় বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান রয়েছে ১২টি। এর মধ্যে ক্লিনিক ও ডেন্টাল ক্লিনিক রয়েছে ১০টি এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি রয়েছে ২টি।

আশাশুনি উপজেলায় বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৪টি। এর মধ্যে ক্লিনিক ও ডেন্টাল ক্লিনিক রয়েছে ৪টি।

শ্যামনগর উপজেলায় বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান রয়েছে ১৯টি। এর মধ্যে ক্লিনিক ও ডেন্টাল ক্লিনিক   রয়েছে ৮টি এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি রয়েছে ১১টি।

দি মেডিকেল প্রাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ রেগুলেশন অর্ডিন্যান্স ১৯৮২ অনুযায়ী ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি স্থাপন করতে হলে ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট, ইনকাম ট্যাক্স (টিআইএন) ছাড়পত্র, প্রতিষ্ঠানের শয্যাসংখ্যা, বর্গফুট অনুসারে প্রতিষ্ঠানের পরিমাণ, ইনডোর, আউটডোর ও ভৌত সুবিধাদি-জরুরি বিভাগ, ওটি, ওয়াশরুম, লেবার রুম, অপেক্ষাকক্ষ, অফিস কক্ষ, প্রশস্ত সিঁড়ি, জেনারেটর, পোস্ট অপারেটিভ রুম, ইনস্ট্র-মেন্ট রুম, অভ্যর্থনা রুম, স্ট্যাভিলাইজার, চেঞ্জিং রুম, নার্সদের ডিউটি কক্ষ, ভান্ডার কক্ষ, অস্ত্রোপচার কক্ষের সুবিধা (শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ, ওটি টেবিল, সাকার মেশিন, জরুরি ওষুধের ট্রে, অক্সিজেন, ওটি লাইট, অ্যানেসথেসিয়া মেশিন, ডায়াথার্মি মেশিন, রানিং ওয়াটার, আইপিএস), যন্ত্রপাতির পূর্ণাঙ্গ তালিকা, সার্বক্ষণিক ডাক্তার-নার্সসহ সংশি¬¬ষ্টদের নাম-ঠিকানা, যোগ্যতার সনদপত্র, নিয়োগপত্র, জরুরি অত্যাবশ্যকীয় যন্ত্রপাতি ও ওষুধ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও এ্যাম্বুলেন্স থাকা অত্যাবশ্যক। প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি স্থাপনের জন্য একইভাবে নির্ধারিত নিয়মাবলী পালন করা অত্যাবশ্যক।

কিন্তু জেলার ১৩২টি প্রতিষ্ঠান সরকারি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে সেবা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষের সাথে অব্যাহত প্রতারণা করছে।

বৈধ ও অবৈধভাবে গড়ে ওঠা এসব প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, প্রশিক্ষিত ডাক্তার, নার্স, ওয়ার্ড বয়, টেকনিশিয়ান ও যন্ত্রপাতি নেই। যাচাই-বাছাই ছাড়া এসব প্রতিষ্ঠান স্থাপনের ফলে সাধারণ রোগীরা চরমভাবে বিভ্রান্ত হচ্ছেন। সুচিকিৎসার পরিবর্তে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে চলছে অপচিকিৎসা। এছাড়া দালালদের খপ্পরে পড়ে অনেকেই হচ্ছেন সর্বশান্ত। আবার প্রতিটি ক্লিনিকে একই ডাক্তারের সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে বড় বড় বিজ্ঞাপন দিয়ে রোগীদের আকৃষ্ট করে সেবার নামে প্রতারণা করছে প্রতিষ্ঠানগুলো।

এদিকে বেসরকারি পর্যায়ে গড়ে ওঠা এসব প্রতিষ্ঠানের বর্জ্য যত্রতত্র ফেলার কারণে তা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

সাতক্ষীরা জেলা শহরে কিছু হাসপাতালে বর্জ্য অপসারণের সুব্যবস্থা থাকলেও জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তা নেই বললেই চলে। একই সাথে ক্লিনিকগুলোতে বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি ও অস্ত্রোপচার বাবদ রোগীদের কাছ থেকে ইচ্ছা মাফিক অর্থ আদায় করছে। এছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে রক্ত সঞ্চালন নিষিদ্ধ হলেও কেউই মানছে না সে নিয়ম। সূত্র জানায়, রোগীদের আত্মীয় স্বজনদের এসব ক্লিনিকে রক্ত দানে বাধ্য করা হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, ক্লিনিকের মালিকানায় প্রভাবশালী মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ, চিকিৎসক অংশীদার হওয়ায় প্রভাব খাটিয়ে প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নেন।

সূত্র জানায়, লাইসেন্স গ্রহণের লক্ষ্যে কেউ আবেদন করলে

সিভিল সার্জনকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট মেডিকেল বোর্ড গঠন করে দেয়া হয়। ওই বোর্ড প্রদত্ত প্রতিবেদন দেখে লাইসেন্স প্রদান করে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

প্রতিবেদন প্রস্তুতের সময় প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ম কারণ মানলেও লাইসেন্স পাওয়ার পর চিত্র পাল্টে য়ায়। এছাড়া প্রতিবেদন প্রস্তুতকারিরাও অবৈধ অর্থ বাণিজ্যসহ নানা কারণে প্রভাবিত হন।

তবে জেলা পর্যায়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষ না থাকায় ক্লিনিক, ডেন্টাল ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরিগুলো নিয়মিত মনিটরিং এর অভাবে বেসরকারি পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নপূর্বক স্বাস্থ্য সেবা জনগণের দোর গোড়ায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আর এর মাশুল গুণতে হচ্ছে হাজার হাজার রোগীকে।

এসব বিষয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ সিভিল সার্জন ডা এসজেড আতিক বলেন, স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে এসব প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স প্রদান করা হয়। লাইসেন্স প্রদানের সময় একটি মেডিকেল টিম গঠন করে দেওয়া হয়, রিপোর্ট দেওয়ার জন্য। সেই টিম যাচাই বাছাই করে প্রতিবেদন পেশ করে। এসব প্রতিষ্ঠান কাগজে কলমে সব ঠিক আছে। কিন্তু বাস্তবে যা থাকার কথা, তা নেই। সাতক্ষীরায় একাধিক ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি থাকলেও অধিকাংশ মানসম্মত নয়। যথাযথ মনিটরিং ও সুপারভিশন না থাকায় এগুলো ইচ্ছামাফিক পরিচালিত হচ্ছে। এর সব দায়-দায়িত্ব স্বাস্থ্য অধিদফতরের। কিন্তু সদিচ্ছা থাকলে মোটামুটি মান বজায় রাখতে বাধ্য করা যেতে পারে।

তবে স্বাস্থ্য অদিফতরের ডিজি অধ্যাপক ডা. সেফায়েত উল¬ার সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি মোবাইল রিসিভ করেন নি।

 

জলবায়ু ন্যায্যতা প্রাপ্তির দাবিতে মানববন্ধন

বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর জলবায়ু দূষণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দরিদ্র দেশগুলো। উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত দেশগুলোর সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে মারাত্মক ক্ষতির শিকার হচ্ছে। জলবায়ু উদ্বাস্তু হচ্ছে প্রতিনিয়ত দরিদ্র দেশের মানুষ, বাস্তুহারা হচ্ছে এসব অসহায় মানুষগুলো। আর এ জন্য দায়ী উন্নত বিশ্ব। তাদের ভোগবিলাসের কারণে পরিবেশ ও প্রতিবেশ প্রতিনিয়ত দূষণের ফলে এবং অতিরিক্ত কার্বণ নিঃসরণের ফলে দূষিত হচ্ছে পৃথিবী। কিন্তু তারা দরিদ্র দেশগুলোর মানুষকে তাদের ন্যায্য পাওনা দিচ্ছে না।

সোমবার সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে জলবায়ু ন্যায্যতা চাইÑএখনই শীর্ষক স্লোগানকে সামনে রেখে নবলোক ও নেটওয়ার্ক অন ক্লাইমেট চেঞ্জ, বাংলাদেশ আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তারা এসব কথা বলেন। মানববন্ধন কর্মসূচিতে নবলোক-খুলনার ফিল্ড অফিসার উজ্জ্বল ভদ্রের সভাপতিত্বে এবং ফারুক রহমানের উপস্থাপনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক আবদুল বারি, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অসীম বরণ চক্রবর্তী, আবু জাফর সিদ্দিকী, শ্যামল কুমার বিশ্বাস, সরদার গিয়াস উদ্দীন আহমেদ, জ্যো¯œা দত্ত প্রমুখ।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে উপকূলীয় জনপদে বসবাসরত ভুক্তভোগী মানুষ, সাংবাদিক, শিক্ষক, রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক, মানবাধিকার কর্মী, উন্নয়নকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষজন অংশগ্রহণ করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

 

মাহিন্দ্রা চালকদের উপর বাস শ্রমিকদের হামলা, ভাংচুর হামলাকারিদের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক রিপোর্ট: বিভিন্ন স্থানে আকস্মিকভাবে মাহিন্দ্রা থ্রি-হুইলার ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দুপুর আড়াইটার সময় শহরের কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল, খুলনা রোডের মোড়, কপোতাক্ষ ফ্লিলিং স্টেশনের সামনে কমপক্ষে ৬টি মাহিন্দ্র ভাংচুর করা হয়। একশ থেকে দেড়শ বাস শ্রমিক হঠাৎ লাঠিসোটা নিয়ে এসব মাহিন্দ্রা ভাংচুর করে। বাস শ্রমিকদের হামলায় এসবস্থানে তাৎক্ষাণিকভাবে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। হামলাকারিরা মাহিন্দ্রা চালকদের মারপিট করে নগদ টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেয়।

এদিকে ভাংচুর ও চালকদের মারপিটের ঘটনার প্রাতিবাদে সন্ধায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ স্েম্মলন করে হামলাকারিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও মাহিন্দ্রা চালকদের নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছে মাহিন্দা থ্রি হুইলার মালিক সমিতি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, বাস মলিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হুকুমে শ্রমিক ইউনিয়নের ১০০-১৫০ জন শ্রমিক হঠাৎ করে সাতক্ষীরার বিভিন্ন রুটে রড ও লাঠিসোটা নিয়ে ধরপাকড়, মারপিট, গাড়ি ভাংচুর, ড্রাইভার-হেলপারদের কাছ থেকে টাকা পয়সা ও মোবইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে নির্যাতন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, থ্রি-হুইলার গাড়ি সরকারিভাবে অনুমোদনপ্রাপ্ত, ভাট ট্যাক্স প্রদান করে রাস্তায় চালানো হয়। অথচ বাস শ্রমিকরা বেআইনিভাবে মাহিন্দ্রা ভারচুর করে কয়েক‘শ মাহিন্দ্র শ্রমিককে পথে বসাতে চাচ্ছে। ভাংচুরের ঘটনায় জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারের নিকট আইনগত সহায়তা চেয়েছেন মাহিন্দ্র মালিক-শ্রমিকরা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন জেলা মাহিন্দ্রা থ্রি হুইলার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ শফিউল্লাহ মনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সভাপতি আনছার আলী, সহ-সভাপতি আরিফুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক আক্তারুজ্জামানসহ মাহিন্দ্রা মালিক, চালক ও শ্রমিকবৃন্দ।