পাইকগাছায় পুরাতন শীতবস্ত্রের দোকানে উপছে পড়া ভীড়


প্রকাশিত : ডিসেম্বর ২৭, ২০১২ ||

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা: তীব্র শীতের দাপটে পাইকগাছায় পুরাতন শীতবস্ত্রের দোকানগুলোতে উপছে পড়া ভীড় পরিলক্ষিত হচ্ছে। প্রতিদিন দোকানগুলোতে প্রচুর শীতবস্ত্র বিক্রি হচ্ছে। ঘণ কুয়াশা আর হাড় কাপানো শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন। শীতের দাপট থেকে রক্ষা পেতে যে যার সাধ্যমত শীতবস্ত্র কিনছে। সারদিন কুয়াশা আর তীব্র শীতের সাথে ঝাপটা বাতাসে মানুষ নাকাল হয়ে পড়েছে। অধিকাংশ মানুষ সারাদিন গরম কাপড় ববহার করছে। তীব্র শীত অনুভূত হওয়ায় ফুটপাতের দোকানগুলোতে গরম কাপড় বেচাকেনা বেড়েছে। বাজারে পুরাতন কাপড়ের দোকান রাবেয়া, রনি গার্মেন্টসসহ ফুটপাতে বাজার চৌরাস্তা পোস্ট অফিসের সামনে, কলেজ মার্কেটের সামনে, পরিবহন চত্বরসহ উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারের ফুটপাতে শীতবস্ত্র বিক্রি হচ্ছে। মাথার টুপি, হাত ও পায়ের মোজা, সোয়েটার, জাম্পার, মাপলার, জ্যাকেট, কোর্টসহ বিভিন্ন ধরনের শীতের কাপড় বিক্রি হচ্ছে। দোকনগুলোতে দরিদ্র, নিুবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও বিত্তশালিরাও কেনা কাটা করছে।

বিত্তশালী ক্রেতার কাছ থেকে জানা গেছে, পুরাতন কাপড়ের দোকানে পছন্দের রং ও কাপড় পাওয়া যায়, যাহা নতুন কাপড়ের দোকানে কিনতে পাওয়া যায় না। তাই বিত্তশালীরা বিভন্ন দোকান ঘুরে পছন্দের কাপড়টি সংগ্রহ করছেন।

জানা গেছে, বাচ্চাদের গরম কাপড় গেঞ্জি, সোয়েটার ২০ টাকা থেকে ৬০ টাকা, বড়দের ৪০ টাকা থেকে একশ ত্রিশ টাকা, জ্যাকেট একশ টাকা থেকে সাড়ে চারশ টাকা, কোর্ট দেড়শ টাকা থেকে এক হাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া পুরাতন বিভিন্ন কাপড় নানা দামে বিক্রি হচ্ছে।

এ ব্যাপারে পুরাতন কাপড়ের দোকান রাবেয়া গার্মেন্টস এর মালিক কামরুল ইসলাম জানান, একটি গাইড খুললে তিন কোয়ালিটির মালামাল বের হয়। এসব পুরাতন মালের গাইটগুলো চট্টগ্রাম থেকে ক্রয় করতে হয়। মালের উপর নির্ভর করে ১০ থেকে ২৫ হাজার টাকা দামে গাইড কিনতে হচ্ছে। যাহা গত বছরের থেকে দিগুন। বেশি দামে গাইড ক্রয়ের কারণে শীতবস্ত্র বিক্রি করতে বেশ অসুবিধা হচ্ছে। তবে শীত বেশি থাকায় কাপড়ের চাহিদা বেশি এবং বিক্রিও বেশ ভাল হচ্ছে। তীব্র শীতে দরিদ্র ও নিুবিত্তদের ভরসা পুরাতন কাপড়ের দোকান। তাই তারা শীত নিবারণে ফুটপথ থেকে পছন্দের শীতবস্ত্রটি কিনতে ভীড় করছে।