সদরের নেবাখালিতে জমাজমি সংক্রান্ত বিরোধে একই পরিবারের ৪ জন জখম


প্রকাশিত : জানুয়ারি ৮, ২০১৩ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: জমাজমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে এক পরিবারের ৪জনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। জখমীদের ঘরের মধ্যে আটকিয়ে রেখে সন্ত্রাসীরা মহড়া দেয়। এসময় সদর থানার পুলিশ পৌছে অবরুদ্ধ অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। মর্মান্তিক ঘটনাটি সাতক্ষীরা সদরের নেবাখালি গ্রামে গতকাল সকালে ঘটে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যুগ যুগ ধরে নেবাখালি সরদার পাড়ার আবুল কাশেমের ছেলে আবুল হাসেম তার পরিবার নিয়ে এক বিঘা জমির উপর বসবাস করে আসছে। হঠাৎ ওই জমিতে কু-নজর পড়ে প্রতিবেশি আব্দুল মজিদ গংদের। তারা ওই জমির জালিয়াতি কাগজপত্র প্রস্তুত করে দখলে নেওয়ার চেষ্টা করে। এঘটনার জেরধরে গতকাল সকালে আবুল হাসেম তার সীমানা প্রচীর দেওয়ার সময় আব্দুল মজিদ গংরা ১৫/২০ জন সন্ত্রাসী একত্রিত হয়ে আবুল হাসেমসহ তার পরিবারের উপর হামলা চালায়। এতে আবুল হাসেম মাথায় দুই জায়গায় রক্তাত্ব জখম হন। তার স্ত্রী শাহানারা বেগমও রক্তাত্ব জখম হয়। এছাড়াও আবুল হাসেমের ছেলে কামরুজ্জামানের বাম হাত ভেঙ্গে যায়। এসময় তার বাড়ি ঘর ভাংচুরসহ পাকা বাথরুম ভাংচুর করে ইট ও সিমেন্ট মাটি লুটপাট করে নেয়। এঘটনায় আবুল হাসেমের ভাই সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামী করে গতকাল বিকেসে সদর থানায় একটি এজাহার দাখিল করে। তবে প্রতিপক্ষ গ্র“পেও কমবেশি ৩জন আহত হওয়ার খবর পাওয়াগেছে। এরআগে জবর দখলকারিদের পক্ষ থেকে থানায় একটি এজাহাজার দেওয়া হয়।

সদর থানার ওসি গাজী মোহাম্মাদ ইব্রাহীম জানান, সকালে আহতদের অবরুদ্ধ করে রাখার খবর শুনে পুলিশ পাঠিয়ে উদ্ধার করা হয়। এব্যাপারে উভয় পক্ষে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।