কলারোয়ায় ভাইস চেয়ারম্যানের অফিসে বোমা হামলা ও সহিংসতার ঘটনায় জামায়াত-শিবিরের ৩ হাজার নেতা-কর্মীর নামে দুটি মামলা


প্রকাশিত : মার্চ ৭, ২০১৩ ||

ইয়ারব হোসেন: কলারোয়ায় মঙ্গলবার ভাইস চেয়ারম্যানের অফিসে বোমা হামলা ও সোমবার পুলিশের গাড়িতে আগুন ও তাদের উপর হামলাসহ সহিংসতার ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু ও কলারোয়া থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে মামলা দুটি দায়ের করেছেন। বোমা হামলা মামলায় ৫-৬ জন অজ্ঞাত নামা ও হামলার ঘটনায় ৬৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৩ হাজার জামায়াত-শিবির কর্মীকে আসামি করা হয়েছে।
কলারোয়া থানার ওসি আক্কাস আলী জানান, কলারোয়া-সরসকাঠি সড়কের উফাপুর প্রাইমারি স্কুলের সামনে সকাল থেকে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে ও টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং করছিল হরতাল সমর্থকরা। খবর পেয়ে বেলা ১১টার দিকে বিজিবি ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যারিকেড তুলে দেওয়ার চেষ্টা করে। এসময় হরতাল সমর্থকরা পুলিশের ওপর হামলা করে। হরতাল সমর্থকরা পুলিশ ও বিজিবিকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছুড়তে শুরু করলে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা জামায়াত-শিবির নেতা-কর্মীদের লক্ষ্য করে ১৫/২০ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ দুই ভাই আরিফ বিল¬াহ ও রুহুল আমিন ঘটনাস্থলে নিহত হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত জামায়াত কর্মী শামছুর রহমান পরে মারা যায়। আহত হয় পুলিশসহ কয়েক জন। এ ঘটনায় এসআই জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে মাও. মুিজবর রহমান, ছদর মোড়ল, আবু জার মোড়ল, মালেক মোড়ল, রবিউল ইমলাম, মোশারফ হোসেন, আব্দুর গফফার, হামিদ খাঁ, কবির হোসেন, নিজাম মোড়লসহ ৬৫ জনের নাম উল্লেখসহ ৩ হাজার জামায়াত-শিবির কর্মীকে আসামি করা হয়েছে।
অপরদিকে মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলা পরিষদের ভিতরে ভাইস চেয়ারম্যানের অফিসে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় এক জন নিহত ও পাঁচ জন আহত হয়। এ ঘটনায় ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জনের আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।
পুুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান মামলা রেকর্ড হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।