খুলনায় বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগের আলোচনা


প্রকাশিত : March 18, 2013 ||

আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে আজ আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেতাম না। বঙ্গবন্ধু তাঁর পরিবার পরিজনের কথা না ভেবে তৎকালীন সাড়ে ৭ কোটি বাঙালির জন্যে জীবন বাজি রেখে আন্দোলন করেছেন। এদেশের মাটি ও মানুষের অধিকার আদায় করতে গিয়ে তাঁকে জীবনের অধিকাংশ সময় কারাভ্যন্তরে কাটাতে হয়েছে। তাঁর যোগ্য নেতৃত্বের কারণে আমরা একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র পেয়েছি। এই স্বাধীন রাষ্ট্র অর্জন করতে জীবন দিতে হয়েছে এদেশের ৩০ লক্ষ মানুষকে। ৭ মার্চ ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ব হয়ে এদেশের ছাত্র-যুব সমাজ নিরস্ত্রাবস্থায় পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন। তাদের অবদানের কারণে আজকের এই স্বাধীন বাংলাদেশ। তাদের নিঃস্বার্থ অবদানকে চিরঞ্জিব করে রাখতে ’৭১-র যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির রায় কার্যকরের মধ্য দিয়ে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করতে হবে। কোন অবস্থাতেই ওই পরাজিত শত্র“র কাছে তাদের অবদানকে ম্লান হতে দেয়া হবে না। আজকের তরুণ প্রজন্ম মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে উজ্জীবিত হয়ে জেগে উঠেছে। তাদের এই অনুপ্রেরণাকে সামনে রেখে এদেশের মানুষকে সাথে নিয়ে সন্ত্রাসী জামায়াত-শিবির যুদ্ধাপরাধী রাজাকারমুক্ত বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সোনারবাংলা গড়ে তুলতে হবে।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৩তম জন্মদিন উপলক্ষে খুলনায় আয়োজিত আলোচনা সভায় নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। রোববার সকাল ১০টায় দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক শেখ হারুনুর রশীদের সভাপতিত্বে এবং মহানগর আওয়ামী লীগ’র সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাড. চিশতি সোহরাব হোসেন শিকদার, কাজী এনায়েত হোসেন, এ্যাড. রজব আলী সরদার, এ্যাড. সুজিত অধিকারী, এমডিএ বাবুল রানা, শেখ সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ।
এর আগে সকাল ৭টায় দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করা হয়। সকাল সাড়ে ৮টায় খুলনা বেতারে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি