পদ্মপুকুরের পাতাখালীতে কৃষক সমাবেশ


প্রকাশিত : এপ্রিল ১৮, ২০১৩ ||

ডেস্ক রিপোর্ট: সিডর ও আইলায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নের লবণাক্ত এলাকায় চলতি বোরো মৌসুমে উৎপাদিত লবণ সহিষ্ণু উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত যাচাই এর উপর এক কৃষক সমাবেশ ও জ্ঞান বিনিময় সভা বুধবার দুপুরে স্থানীয় পাতাখালী গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পাতাখালী গ্রামের উপকারভোগী কৃষক নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।
পদ্মপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদুল ইসলাম আমজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ বিশেষজ্ঞ আব্দুল গফুর। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়’র সাবেক পরিচালক মোকলেছুর রহমান, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা নুর আলী ও শ্যামনগর উপজেলা উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা শ্যামল কান্তি মন্ডল। অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন শহিদুল ইসলাম।
সভায় বক্তারা বলেন, চিংড়ি চাষের কারণে সিডর ও আইলা বিধ্বস্ত শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকায় গত ৩০ বছর ধরে কোন ধান চাষ হয় না। সব শেষ গত ২০০৯ সালের ২৫ মে প্রলয়ংকারী আইলার আঘাতে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে পুরো ইউনিয়ন লোনা পানিতে তলিয়ে যায়। প্ল¬াবিত এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে জোয়ার ভাটা থাকায় এখানে চিংড়ি চাষ করে চাষীরা সর্বশান্ত হতে বসেছিল।
বক্তারা আরও বলেন, চলতি বোরো মৌসুমে এখানকার কয়েকজন কৃষক প্রায় ১৬ বিঘা জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে ব্রি-৪৭, বিনা-৮, তেজ ও কাজললতা জাতের ধান চাষ করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে। কয়েকজন কৃষকের এই সাফল্য দেখে এলাকায় অন্যান্য কৃষকের মাঝে ব্যাপক সাড়া জেগেছে। ইতোমধ্যে পাতাখালী গ্রামের ৪০ বিঘা জমির মালিকরা এই জাতের ধান চাষ করার জন্য তাদের জমিতে লোনা পানি উঠানো বন্ধ করে দিয়েছে।