সুন্দরবন কুরিয়ার: বুকিংকৃত পণ্য আত্মসাতের চেষ্টা! অস্বীকার


প্রকাশিত : মে ৮, ২০১৩ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস সাতক্ষীরা শাখার ম্যানেজারের বিরুদ্ধে বুকিংকৃত মালামাল যথাস্থানে না পাঠিয়ে আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। শুধু আত্মসাত নয়, ইতোমধ্যে বুকিং ম্যানের নিকট থেকে ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়ার পর আরও ৩০ হাজার টাকা দাবি করা হচ্ছে।
গোপন শালিসে বুকিংকৃত পণ্য ফেরত দিলেও এখনও মোটা অংকের অর্থ দাবি করার অভিযোগ রয়েছে। তবে কুরিয়ার কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত পণ্য বুকিং এর কথা স্বীকার করে আর্থিক সুযোগ সুবিধা নেয়ার কথা অস্বীকার করেছেন।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, গত ২৭ এপ্রিল কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা গ্রামের জনৈক সুমন ঢাকায় গজ ব্যান্ডেজ পাঠাতে ৩টি বাণ্ডিল সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস সাতক্ষীরা অফিসের ম্যানেজার কামরুল ইসলামের মাধ্যমে বুকিং দেন। গজ ব্যান্ডেজের ব্যাণ্ডেলের মধ্যে ভারতীয় আমদানি নিষিদ্ধ অন্তত ৫ লাখ টাকা মূল্যের ওষুধ ঢুকিয়ে দেন সদরের হাড়দ্দাহ গ্রামের জিয়ারুল ফকির।
জানা গেছে, সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের ম্যানেজার কামরুল ইসলাম বিষয়টি বুঝতে পেরে বুকিংকৃত পণ্য সেখানে না পাঠিয়ে নিজ হেফাজতে রাখেন। ইতোমধ্যে একটি ব্যাণ্ডেলের ওষুধ নলতায় জনৈক ব্যক্তির নিকট ৫০ হাজার টাকা মূল্যে বিক্রয় করেন। কিন্তু যথাস্থানে পণ্য না পৌঁছানোয় বুকিং ম্যান সুমন কুরিয়ারে খোঁজ নিতে আসলে তাকে আটকে রেখে আরও ৪০ হাজার টাকা আদায় করে ছেড়ে দেয়া হয়। বিষয়টি শহরের প্রভাবশালী এক ব্যক্তির মাধ্যমে সমঝোতার পর কুরিয়ার সার্ভিস ম্যানেজারকে আরও ৫০ হাজার টাকা দিয়ে সবগুলো গজ ব্যান্ডেজের ব্যাণ্ডেল ফেরত নেন। বর্তমানে কুরিয়ার ম্যানেজার সুমনের কাছে আরও ৩০ হাজার টাকা দাবি করছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিজ সাতক্ষীরা অফিসের ম্যানেজার কামরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে হলে তিনি গজ ব্যান্ডেজ বুকিং নেয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, টাকা পয়সার কোন লেনদেন হয়নি। চোরাচালানী পণ্য থাকায় যথা স্থানে না পাঠিয়ে বুকিং ম্যানকে ফেরত দেয়া হয়েছে।