ভাড়াটিয়া থেকে মালিক, মাধ্যম প্রতারণা!


প্রকাশিত : মে ৯, ২০১৩ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভাড়াটিয়া থেকে দোকান মালিক। মামলা মোকদ্দমা। সালিশ বিচার। কোনটিতে টিকতে না পেরে এবার ঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের নাটক সৃষ্টি করে প্রতিপক্ষ কে হয়রানির চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছেন সদর উপজেলার ফিংড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ গোবরদাড়ি গ্রামের মৃত নূর আলী সরদারের ছেলে শহিদুল ইসলাম।
সদর উপজেলার ব্যাংদহা বাজার কমিটির সভাপতি শেখ মোনায়েম জানান, ব্যাংদহা বাজারে আশাশুনির বাকড়া গ্রামের জামাল উদ্দীনের ছেলে ফজলুর রহমানের তার দোকান ঘরটি ভাড়া দেন শহিদুল ইসলামের কাছে। কিন্তু সে সময় জরুরী অবস্থা বলবত থাকায় ফজলুর রহমান দোকান ঘর খোঁজ খবর নিতে পারেন নি। পরে সুযোগ বুঝে শহিদুল ইসলাম দোকানের মালিক হয়ে যান। এনিয়ে কয়েকবার শালিস বিচার হয়েছে। প্রতিবারই শালিসের রায় শহিদুলের বিপক্ষে যাবার কারণে তিনি থানা ও আদালতে মিথ্যা মামলা করেন।
একই কথা বলেন, ফিংড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুর রহমান। তিনি বলেন, শহিদুল ইসলাম একজন মামলাবাজ ও প্রতারক।
ফিংড়ি ইউপি মেম্বর বাবুল হোসেন বলেন, সোমবার সকালে শহিদুল ইসলাম স্বেচ্ছায় দোকানের মণ দুয়েক জ্বালানি কাঠ বের করে দোকান ছেড়ে দেয়। পরে ষড়যন্ত্র করে সে মোবাইলে ছবি তুলে তা সাংবাদিকদের সরবরাহ করে। প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে সে নাটক সৃষ্টি করেছে।
জেলা আওয়ামী লীগের একাধিক শীর্ষ নেতা জানান, শহিদুল ইসলাম ও ফজলুর রহমানের মধ্যকার বিরোধ নিয়ে কয়েকবার শালিসী বৈঠক হয়েছে। প্রত্যেকবারই শহিদুল ‘শালিস মানি তালগাছ আমার’ নীতি অনুসরণ করে পরবর্তীতে মিথ্যা মামলা মোকদ্দমা করে। সোমবার সকালে ব্যাংদহা বাজারে কোন দোকানঘর ভাঙচুর হয়নি। বরং শহিদুল ইসলাম স্বেচ্ছায় দোকান থেকে তার জিনিসপত্র সরিয়ে নেয় এবং ঘরে ছেড়ে দেয়।
ফিংড়ি ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শেখ আফজাল হোসেন মারুফ জানান, ব্যাংদহা বাজারে শহিদুল ইসলামের দোকানে কোন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেনি। বরং সে নিজেই ঘর ছেড়ে দিয়েছে।