রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী উৎসবে চির নতুনের ডাক


প্রকাশিত : মে ৯, ২০১৩ ||

শহীদুল ইসলাম: যায় যাক, যায় যাক, আসুক দূরের ডাক, যাক ঁিছড়ে সকল বন্ধন চলার সংঘাত- বেগে, সংগীত উঠুক জেগে, আকাশের হৃদয়-নন্দন। চির নতুনের এ আহ্বান জানিয়ে বুধবার সাতক্ষীরায় উদযাপন করা হয়েছে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫২তম জন্মজয়ন্তী উৎসব। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় জেলা সাংস্কৃতিক পরিষদ এ উৎসবের আয়োজন করে।
সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কের উন্মুক্ত মঞ্চে এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয় রবীন্দ্র আলোচনা, আবৃত্তি, নাটক, নৃত্য ও সঙ্গীতানুষ্ঠান। সাতক্ষীরার বর্ণমালা একাডেমী, দীপালোক থিয়েটার, সাংস্কৃতিক পরিষদের শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা এসব অনুষ্ঠানমালায় অংশ নেয়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) লস্কার তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা প্রশাসক ড. মুহা. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শেখ হামিম হাসান, সাবেক অধ্যক্ষ আবদুল হামিদ ও শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দৌলত-উজ-জামান খান। এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট কবি ও আবৃত্তি শিল্পী মনিজ্জামান ছট্টু, মঞ্জুরুল হাসান, শুভ্র আহমেদ, আবু আফফান রোজবাবু, সৈয়দ একতেদার আলী প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক ড. মুহা. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, রবীন্দ্রনাথ আমাদের প্রেরণার উৎস। বাঙালি চেতনাবোধের বিকাশে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মিশে আছেন আমাদের অস্তিত্বের সাথে। বাংলা সাহিত্যের এমন কোন শাখা নেই যেখানে রবীন্দ্রনাথকে পাওয়া যাবে না। রবীন্দ্র দর্শন মানবিক মূল্যবোধ বিকাশের দর্শন। তার সমাজ চিন্তা যুগে যুগে মানুষকে আঁধার থেকে আলোয় এনেছে। কবিতা, প্রবন্ধ, ছোট গল্প, উপন্যাস, নাটক, সঙ্গীত, চিঠি চিত্রকর্ম সবক্ষেত্রেই আমরা রবীন্দ্রনাথ কে পাই। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশে রবীন্দ্রনাথ কে অন্য কারো সাথে তুলনা করা যাবে না। বাংলা, বাঙালির সত্তায় মিশে আছেন রবীন্দ্রনাথ।
জেলা প্রশাসক বলেন, শহীদ মিনার আমাদের সকল আশা আকাক্সক্ষা, আনন্দ বেদনা, মান-অভিমান, সুখ-দুঃখ প্রকাশের স্মারক। এদেশের স্বাধীনতা, সাবভৌমত্ব ও গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখার সুমহান দায়িত্ব সকলের।
সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা সাংস্কৃতিক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হেনরী সরদার।