শ্যামনগরে পাউবো’র বাঁধে ঘর তৈরীর জন্য সরকারি গাছ কাটার চক্রান্ত!


প্রকাশিত : মে ১৮, ২০১৩ ||

পত্রদূত ডেস্ক: পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধের উপর বেড়ে ওঠা বিশালায়তনের একটি সিরিস গাছ কেটে ফেলার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তিন দশক পুরানো গাছটি সরকারি মালিকানাধীন হলেও শুধুমাত্র সেখানে স্থাপনা গড়ে তোলার জন্য তা অপসারণের চক্রান্ত চলছে। গাছটি রক্ষাসহ পানি উন্œয়ন বোর্ডের বাঁধের উপরিভাগের জায়গা বরাদ্দ দেয়ার নামে শত শত স্থাপনা গড়ে তোলার প্রবণতা বন্ধে জেলা প্রশাসনসহ পানি উন্নয়ন বোর্ড’র দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভেটখালী বাজারের পূর্বপ্রান্ত দিয়ে বয়ে যাওয়া মাদার নদীর উত্তরপ্রান্তে বাঁধের উপরিভাগের জায়গা বরাদ্দের হিড়িক চলছে। বাঁধকে পেরিফেরিভুক্ত সম্পত্তি দেখিয়ে স্থানীয় তহশীল অফিসের বদান্যতায় স্থানীয়রা একের পর এক উক্ত জমি বরাদ্দ নিয়ে কাঁচা পাকা স্থাপনা নির্মাণ করছে। স্থাপনা নির্র্মাণের সময় ইজারা গ্রহীতারা বাঁেধর চরে বেড়ে ওঠা বড় বড় সব গাছ সাবাড় করে ফেলেছ।
অভিযোগে প্রকাশ বেশকিছুদিন পূর্বে সোরা গ্রামের এশার আলী শেখের পুত্র আশরাফ আলী শেখ স্থানীয় তহশীল অফিসের মাধ্যমে পেরিফেরিভুক্ত একটি জায়গা বরাদ্দ নেয়। ভেটখালী বাজারের হামিদ মোল্যার চায়ের দোকান ও নুর ইসলাম দর্জির ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যবর্তী ওই জায়গায় সম্প্রতি আশরাফ মোল্যা ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। অভিযোগ উঠেছে আশরাফ আলীকে ইজারা দেয়া ঐ জায়গায় তিনি কাজের জন্য ইট এনে রাস্তার উপরে মাঁজিয়ে রেখেছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ স্থাপনা নির্মাণের জন্য নিয়ে আসা ইট রাখা হয়েছে সেখানকার একটি বড় আকৃতির সিরিস গাছকে আড়াল করে। ইতিমধ্যে ঐ গাছের বেশকিছু ডালপালা কেটে ফেলা হয়েছে। আরও অভিযোগ উঠেছে, ইটের স্তুপের আড়ালে থাকা গাছটির গোড়া রাতের অন্ধকারে খুঁড়ে ফেলা হচ্ছে। উক্ত ইজারা গ্রহীতা তার স্থাপনা নির্মাণের জন্য গাছটি কেটে ফেরার ষড়যন্ত্র করছে।
এবিষয়ে আশরাফ মোল্যা জানান, গাছ কাটা মামলায় হাইকোর্ট ছাড়া জামিন হবে না। যদি অর্ডার নিতি পারি তবে মাইকিং করে গাছ কাটবো। এ বিষয়ে রমজাননগর ইউনিয়নের তহশীলদার সুধান্য কুমার সরকার বলেন, আমি নুতন সেখানে যোগদান করেছি। তবে পেরিফেরিভুক্ত জায়গায় গাছ থাকলে তারা কাটার নিয়ম নেই।