বেনাপোলে ইউপি চেয়ারম্যান হত্যা মামলার তিন আসামি গ্রেপ্তার


প্রকাশিত : মে ২১, ২০১৩ ||

 

পত্রদূত ডেস্ক: বেনাপোল পোর্ট থানার পুটখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক (৪৫) হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামির জামিনের সময় বাড়ানোর আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

নিহত রাজ্জাক চেয়ারম্যানের ছেলে হাসানুজ্জামান (২৩) জানান, রোববার উচ্চ আদালতের দেওয়া জামিন শেষ হওয়ার পর নিম্ন আদালতে হাজিরা দিতে গেলে আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আসামিরা হলেন, শিকড়ি গ্রামের আমানত সরদারের ছেলে ও পুটখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল গফফার, শিবনাথপুর বারোপোতা গ্রামের কাওছার রহমানের ছেলে মমিনুর রহমান ও পুটখালী গ্রামের মতলেব সরদারের ছেলে ঘাট মালিক সিরাজুল ইসলাম।

ঘটনার সময় ছেলে হাসানুজ্জামান তার বাবার সঙ্গে ছিল। চেয়ারম্যান পদ ও গরুর হাট দখলকে কেন্দ্র করে তাকে হত্যা করা হয় বলে জানায় হাসানুজ্জমান হাসান।

জামিনের সময় শেষ হলে আসামিদের নিম্ন আদালতে হাজিরা দেওয়ার কথা। সে অনুযায়ী রোববার তিনজনই সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুস শাহদাতের আদালতে হাজিরা দেয় এবং জামিনের সময় বাড়ানোর আবেদন করে। আদালত আবেদন গ্রহণ না করে তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তাদের গ্রেপ্তারের পরপরই পুলিশ তিনজনের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে।

উল্লেখ্য, গত ২৪ মার্চ সন্ধ্যায় পুটখালীর বারোপোতা গ্রামের আকবর আলীর বাড়ির সামনে সন্ত্রাসীরা গুলি করে, বোমা হামলা ও কুপিয়ে হত্যা করে চেয়ারম্যান রাজ্জাককে। হত্যাকাণ্ডের পর আসামিরা প্রকাশ্যে এলাকায় ঘুরে বেড়ায়। যার কারণে মৃত্যুর পাঁচ দিন অতিবাহিত হলেও হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে রাজ্জাকের পরিবার মামলা করতে পারেনি।

অবশেষে ২৯ মার্চ যশোর জেলা পুলিশ সুপার জয়দেব ভদ্র বিষয়টি জানতে পেরে রাজ্জাকের ছেলে হাসানুজ্জামানকে তার বাড়ি থেকে বেনাপোল পোর্ট থানায় ডেকে নিয়ে আসে। পরে ১০ জনের নামসহ অজ্ঞাত চারজন উল্লেখ্য করে থানায় মামলা করা হয়। মামলার পর থেকে চার পুলিশ সদস্য রাজ্জাকের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার দিয়ে আসছেন।