জেলায় ঢিলেঢালা হরতাল পালিত, বাসে আগুন


প্রকাশিত : মে ২৭, ২০১৩ ||

ডেস্ক রিপোর্ট: বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের ডাকা রোববারের হরতাল সাতক্ষীরায় কোন প্রভাব ফেলতে পারেনি। যাত্রীবাহী বাস ছাড়া সব ধরনের যানবহন ও পণ্যবাহী ট্রাক-পিকআপ যাতায়াত করছে নির্বিঘেœ। অফিস-আদালত, দোকানপাট, ব্যাংক-বীমা খোলা ছিল। শহরের মোড়ে মোড়ে ছিল পুলিশি টহল। জনজীবন পুরোপুরি-স্বাভাবিক। শহরের কোথাও হরতালের সমর্থনে পিকেটারদের দেখা যায় নি। দূর-দূরান্তের মানুষ আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে বিকল্প যানবাহনে শহরে যাতায়াত করেছে।

রোববার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে জেলা সদরের ছয়ঘরিয়া মোড়ে হরতাল সমর্থনকারীরা ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা রোজিনা পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো ব-১১-৫৫৫৩) একটি কোচ বাস ব্যারিকেড দিয়ে থামিয়ে ভাঙচুর করে। পরে হরতাল সমর্থকরা পরিবহনটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। অপরদিকে প্রায় একই সময়ে শহরতলীর বাঁকাল এলাকায় হরতাল সমর্থকরা একটি মাইক্রোবাস ভাঙচুর করে বলে জানায় পুলিশ।

এদিকে হরতালে সমর্থনে জেলা বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠন এবং হরতালের বিরুদ্ধে জেলা ১৪ দল পাল্টাপাল্টি মিছিল করেছে। সকাল ৮টার দিকে শহরের নিউ মার্কেটস্থ শহীদ আলাউদ্দিন চত্বর থেকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এড. সৈয়দ ইফতেখার আলীর নেতৃত্বে হরতালের সমর্থনে একটি মিছিল বের হয়।

মিছিলটি শহরের সঙ্গীতা মোড়, ইটাগাছা হাটের মোড়সহ বিভিন্ন মোড় ও সড়ক প্রদক্ষিণ করে নিউ মার্কেট মোড়ে ফিরে আসে। মিছিলে অংশগ্রহণ করেন জেলা বিএনপি সহ-সভাপতি এসএম আকবর হোসেন, ইউসুফ আলী, যুগ্ম সম্পাদক অধ্যাপক মোদাচ্ছেরুল হক হুদা, পৌর বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুস সামাদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, কৃষকদলের সভাপতি মোহাম্মাদ আলী, সাধারণ সম্পাদক আবু জাহিদ ডাবলু, জেলা মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক আমান উল্যাহ আমান, বাস্তহারা দলের সভাপতি সালাহউদ্দিন লিটনসহ আব্দুল্লাহ আল মামুন রাজু, এড. আবুল হোসেন. এড. আব্দুল বারি, জিয়া শিশুকিশোর দল জেলা আহবায়ক শাহেদুল্লাহ লিটন, বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ মামুন মধু, অলিউল ইসলাম, আব্দুল জলিল খোকন, জহরুল ইসলাম, করিম সিরাজী ইলিয়াস হোসেন, নূরুল হক, বাবু চৌধুরী, শাহাজান খান, মৎস্যজীবি দলের লিটন, বাবলু, কালু, রানা, লিটন, লাল্টু, রফিকুল, আব্দুল হাকিম, আলমগীর প্রমুখ।