কালিগঞ্জে বিএসটিআই’র ভূয়া কর্মকর্তা পরিচয়ে চাঁদাবাজিকালে পাঁচ প্রতারক আটক


প্রকাশিত : মে ৩০, ২০১৩ ||

নিয়াজ কওছার তুহিন: কালিগঞ্জে বিএসটিআই’র কর্মকর্তা পরিচয়ে বেকারী থেকে চাঁদা আদায়কালে জনতার সহায়তায় পুলিশ পাঁচ প্রতারককে আটক করেছে। বুধবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে উপজেলার নলতা ইউনিয়নের সোনাটিকারী এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলো ঝিনাইদাহ উপজেলার নান্দুলিয়া গ্রামের আক্তার আলীর ছেলে আশরাফুল আলম (৩৫), নারায়নগঞ্জ জেলার ফতুল্লা উপজেলার উত্তর পুলিশ লাইন এলাকার মৃত মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে পারভেজ (৪০), একই উপজেলার পঞ্চবডি গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে শফিকুল ইসলাম (৪১), ফতুল্লার খোকন হোসেনের ছেলে বাপ্পী (২৪), উত্তর মাজডাউর এলাকার আব্দুর রবের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৪০)।

কালিগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেকেন্দার হোসেন জানান, আশরাফুল আলমের নেতৃত্বে আট ব্যক্তি গত মঙ্গলবার শ্যামনগরের বংশীপুর ক্লিনিকে যেয়ে বিএসটিআই’র কর্মকর্তা পরিচয়ে অর্থবাণিজ্য করে। এরপর বুধবার কালিগঞ্জ কলেজ রোডে অবস্থিত ঝরণা ক্লিনিক থেকেও ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করে। বিকেল ৬টার দিকে  সোনাটিকারী এলাকার বাচ্চুর মালিকানাধীন সাগর বেকারীতে বিএসটিআই কর্মকর্তা পরিচয়ে অভিযান চালিয়ে এর লাইসেন্স দেখতে চায়। বেকারী কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স দেখাতে ব্যর্থ হলে প্রতারকরা কর্তৃপক্ষের নিকট অর্থ দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করায় ৩ প্রতারক ওই বেকারীর কিছু মালামাল জব্দ করে মাইক্রোযোগে পেট্রোল নিয়ে আসার কথা বলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরবর্তীতে বাকি ৫ প্রতারক একই এলাকার আব্দুল গফফারের মালিকানাধীন মিলন বেকারীতে অভিযান চালাতে গেলে এর মালিকসহ স্থানীয় এলাকাবাসী ওই ৫ জনের পরিচয়পত্র দেখতে চায়। এসময় তারা বিভিন্ন প্রকার অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতে থাকলে জনতা তাদেরকে আটক করে থানায় খবর দেয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে এসআই সেকেন্দার হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ ৫ প্রতারককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাদের দেয়া নাম ও ঠিকানা সঠিক কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছিল।