ভোটারদের তাড়া করেছে জামায়াত-শিবির আতংক


প্রকাশিত : জানুয়ারি ৬, ২০১৪ ||

পত্রদূত ডেস্ক: ভোটের আগের রাতে শনিবার নানা সহিংসতায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে সাতক্ষীরায়। এর প্রভাব পড়ে রোববার ভোটের দিন সকালে। জেলার দুটি নির্বাচনী এলাকার ভোটকেন্দ্রগুলোতে সকালে ভোটার উপস্থিতি ছিল খুব কম। সকাল হওয়ার আগেই ব্যাপক বোমাবাজি এবং রাতে বিভিন্নস্থানে পুলিশের গুলিবর্ষণের কারণে ভোটারদের মনে আতংক ছড়িয়ে পড়ে।
সাতক্ষীরার দুটি আসনে ভোট গ্রহণ সকাল আটটা থেকে শুরু হয়। দুটি আসনে ২৭৭টি কেন্দ্রে এক হাজার ৪১২টি বুথে ভোট গ্রহণ করা হয়। এখানে ভোটার সংখ্যা ছয় লাখ ৯৪ হাজার ৪৮৫। ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি তেমন দেখা যায়নি। ভোররাত থেকে জেলার সদর ও তালার ভিন্ন স্থানে শতাধিক ককটেল ফাটিয়ে আতংক সৃষ্টি করে জামায়াত-শিবির। তালার তেলকুপি ও সাধুপাড়া থেকে সাতটি তাজা ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাতক্ষীরা সদর ও তালার কয়েকটি স্থানে ফাঁকা গুলি করেছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
সাতক্ষীরা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসান জানান, তিনি সকাল আট থেকে কয়েকটি ভোটকেন্দ্র ঘুরেছেন। শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছে। ভোটার আসছেন কেন্দ্রে। বেলা বাড়ার সঙ্গে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়ছে। জেলায় জাতীয় সংসদের চারটি সংসদীয় আসন থাকলেও সাতক্ষীরা-৩ ও ৪ আসনে একক প্রার্থী থাকায় ওই দুটি আসনে ভোট গ্রহণের প্রয়োজন হয়নি।
বিভিন্ন এলাকার ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সাতক্ষীরা সদর আসনে জেলা ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতাকর্মী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল করিম সাবুর পক্ষে কাজ করেছেন। কিন্তু সাধারণ ভোটাররা নৌকার বিরুদ্ধে যেতে চাননি। যে কারণে অনেক ভোটার ভোট কেন্দ্রেই যাননি। অপরদিকে সহিংসতা কবলিত সীমান্ত এলাকার অনেকস্থানে প্রার্থীরাই যাননি। সেখানে ভোট কেন্দ্রে গেলে পরিণতি খারাপ হতে পারে এমন আশংকায় অনেকে ভোট কেন্দ্রে যাননি। এ ছাড়া এলাকায় এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত শিবিরের হামলার ভয়ে অনেকে ভোট কেন্দ্রে যেতে সাহস পাননি।