খুলনায় ১৮ দলের সমাবেশে বক্তারা: সরকার জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে


প্রকাশিত : জানুয়ারি ৭, ২০১৪ ||

খুলনা ১৮ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও নগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, একদলীয় নির্বাচন জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে বর্জন করেছে। জনগণ ঘৃণাভরে ভোট প্রত্যাখ্যান করেছে। সাজানো পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমেই সরকার জনগণ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তিনি বলেন, জালিম সরকারের পতন অনিবার্য। বিরোধী দলের হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে জেলে রেখে ভোটার ও প্রার্থীবিহীন একরতফা ভাগাভাগির নির্বাচন করে সরকার একটি কলঙ্কজনক অধ্যায় রচিত করেছে বলেও দাবি করেন তিনি। সারাদেশে সর্বোচ্চ তিন থেকে পাঁচ শতাংশ ভোট পড়েছে এমন দাবি করে তিনি সরকারের উদ্দেশে বলেন, লজ্জা থাকলে নির্বাচন বাতিল করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন। অন্যথায় জনগণ ক্ষমা করবে না।
প্রহসনের নির্বাচন বাতিল ও ভোটের দিন সারা দেশে নেতা-কর্মীদের হত্যার প্রতিবাদে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের ডাকা অবরোধের পাশাপাশি টানা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল চলাকালে সোমবার দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বুধবার ভোর ছয়টা পর্যন্ত এ হরতাল চলবে। চলমান হাসিনা হটাও আন্দোলনের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি খুলনাবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান তিনি। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম নুরুল ইসলাম দাদুভাই, কেসিসি মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, বিজেপি নেতা এড. লতিফুর রহমান লাবু, পিপলসলীগ নেতা ডা. আফতাব হোসেন, এড. গাজী আব্দুল বারী, জামায়াতের খান গোলাম রসুল,শেখ মুশার্রফ হোসেন, এড. ফজলে হালিম লিটন, খায়রুজ্জামান খোকা, বিজেপি নেতা সিরাজ উদ্দীন সেন্টু, স ম আব্দুর রহমান, ফখরুল আলম, আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, শেখ হাফিজুর রহমান প্রমুখ। সমাবেশ পরিচালনা করেন আসাদুজ্জামান মুরাদ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি