পাইকগাছায় পুরোদমে শুরু হয়েছে বোরো আবাদ


প্রকাশিত : জানুয়ারি ২৪, ২০১৪ ||

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা: পাইকগাছায় পুরাদমে শুরু হয়েছে বোরা আবাদ। কৃষকরা বোরো আবাদ নিয়ে ব্যাস্ত সময় কাঁটাচ্ছেন।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ২ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় ১৪শ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ সম্পন্ন হয়েছে। কৃষকরা জমি তৈরি ও চারা রোপন নিয়ে ব্যস্ত দিন পার করছেন। বেরো আবাদের জন্য ১শ ২০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর কোন বীজতলার ক্ষতি হয়নি। কৃষকরা ব্রিধান ২৮, ব্রিধান ৫৫, হাইব্রিড শক্তি, তেজ, এসএনএইট, টিআর, লালতীর ও আলোড়ন জাতের ধান বেশি চাষ করেছে। উপজেলার গদাইপুর গ্রামের কৃষক রফিকুল, শান্তিরঞ্জন ও শফিকুল জানান, এবছর বীজতলার চারা নষ্ট হয়নি। আমন ধান দেরিতে পাকায় বোরোচাষ একটু দেরি হয়ে যাচ্ছে। তবে হঠাৎ শীত বেশি পড়ায় ধানের চারা রোপনের পর কিছু কিছু চারা লাল হয়ে মরে যাচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ বিভাষ চন্দ্র সাহা জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবছর কোন বীজতলা নষ্ট হয়নি। বীজতলা সুরক্ষার জন্য তীব্র শীত ও কুয়াশা থেকে রক্ষায় পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে কৃষকদের। তবে হঠাৎ তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে সূর্যের আলো কম পাওয়া যাচ্ছে। আর এসময় কৃষকরা চারা রোপন করায় রোপনকৃত চারা থেকে শেকড় জন্মচ্ছে না এবং সূর্যের আলো ঠিকমত না পাওয়ায় খাদ্য তৈরি করতে পাচ্ছে না। এর ফলে রোপনকৃত কিছু চারা বিবর্ণ ও লাল হয়ে যাচ্ছে। এ জন্য জমিতে সন্ধ্যায় স্যালোর সাহায্যে পানি ভরে দিয়ে সকালে তা বের করে দিতে হবে। শীত কমে গেলে এ সমস্যা থাকবে না। লবণাক্ত উপকূলীয় এলাকার চাষাবাদ কিছুটা আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে।