জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগে বাস্তুচ্যুতদের সুরক্ষায় জাতীয় নীতিমালা প্রণয়নের দাবিতে মানববন্ধন


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৪ ||

প্রাকৃতিক দুর্যোগের সবচেয়ে বেশি ঝুকিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ। এ দেশের মানুষ প্রতিনিয়ত ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করে টিকে থাকে। উন্নত বিশ্বের ভোগবিলাসিতার জন্য বিশ্ব প্রতিনিয়ত উষ্ণ হচ্ছে, সাগরের পানির উচ্চতা সমভূমির চেয়ে বেড়ে যাচ্ছে। এর ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বাংলাদেশসহ দরিদ্র এবং ঝুঁকিতে থাকা দেশের মানুষের। এসব দেশের মানুষ দুর্যোগের কবলে পড়ে প্রতিনিয়ত জীবনহানি, সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়ে বাস্তুুচ্যুত হচ্ছে। হারিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশসহ দরিদ্র দেশসমূহের কৃষি জমি। সংকটে পড়ছে তাদের খাদ্যের সংস্থান। বাস্তুুচ্যুত হওয়ার ফলে এসব মানুষের জীবন মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ছে। তারা খাদ্য, বাসস্থানসহ কোন কিছু আর ঠিকমতো গ্রহণ করতে পারছে না। এজন্য এখনই বাস্তুুচ্যুত এসব মানুষকে রক্ষায় রাষ্ট্রীয়ভাবে জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।
শনিবার সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগে বাস্তুচ্যুতদের সুরক্ষায় জাতীয় নীতিমালা প্রণয়নের দাবিতে রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারকদের প্রতি আহবান জানিয়ে নেটওয়ার্ক অন ক্লাইমেট চেঞ্জ ইন বাংলাদেশ-এনসিসিবি’র উদ্যোগে পালিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তারা এসব কথা বলেন।
জেলা জলবায়ু এডভোকেসি ফোরামের সভাপতি ফারুক রহমানের সভাপতিত্বে নেটওয়ার্ক অন ক্লাইমেট চেঞ্জ ইন বাংলাদেশ-এনসিসিবি আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক পত্রদূতের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, আইনজীবী শেখ আজাদ হোসেন বেলাল, সাংবাদিক ও সমাজকর্মী অধ্যাপক আনিসুর রহিম, রাজনৈতিককর্মী নিত্যানন্দ সরকার, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী অসীম বরণ চক্রবর্তী, জেলা মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জ্যোসনা দত্ত, জেলা জলবায়ু এডভোকেসি ফোরামের সদস্য ইউপি সদস্য রিয়াজুল ইসলাম প্রমুখ। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক আবদুল বারি, উন্নয়নকর্মী, অপরেশ পাল, আবু জাফর সিদ্দিকী, শ্যামল কুমার বিশ্বাস, লুইস রানা গাইন, শিশু ফোরামের মাসুম প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি