দেশের মৎস্য সম্পদ জনগণের জীবিকা নির্বাহের অন্যতম উৎস: নারায়ণ চন্দ্র চন্দ


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১৪ ||

পত্রদূত রিপোর্ট: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেন, দেশের মৎস্য সম্পদ জনগণের জীবিকা নির্বাহের অন্যতম উৎস। এ সম্পদ বৃদ্ধির সার্বিক উদ্যোগ গ্রহণ করে মৎস্য আহরণ ও উৎপাদনের অতীত গৌরব ও ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী গতকাল সকালে সাতক্ষীরা জেলার সাতক্ষীরা সদর মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার, বিনেরপোতা বাগদা ও গলদা চিংড়ি হ্যাচারি, মুরগীর ডিম ফোটানোর কারখানা এবং এল্লারচর চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামার পরিদর্শনকালে একথা বলেন। তিনি বলেন, আমাদের দেশের প্রাকৃতিক পরিবেশ মাছ চাষের অনুকূলে। এ অনুকূল পরিবেশ কাজে লাগিয়ে দেশের মৎস্য সম্পদের ক্রমবর্ধমান বিকাশ নিশ্চিত করতে হবে। সরকার মৎস্য সম্পদের উন্নয়নের জন্যে বহুমুখী কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। তিনি এ কার্যক্রম সফল করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমিষ জাতীয় খাদ্যের অভাব পূরণের লক্ষ্যে প্রতিটি জলাশয়কে মাছ চাষের উপযোগি করে তুলতে হবে। তিনি সরকারি ও বেসরকারিসহ বিভিন্ন জলাশয় ও পুকুরে ব্যক্তিগত কিংবা সমবায়ের ভিত্তিতে মৎস্য চাষের মাধ্যমে নিজেদেরকে আত্মনির্ভরশীল ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
এ সময় সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় চিংড়ি চাষীর সমিতির সভাপতি ডা. আফতাব উজ্জামান, ঢাকা মৎস্য ভবনের উপ-পরিচালক (অর্থ ও পরিকল্পনা) মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম প্রধান মোঃ ইলিয়াছ হোসেন সরদার, খুলনা মৎস্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ মনিরুজ্জামান, মৎস্য পণ্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ মোঃ আব্দুল রাশেদ, খুলনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এবং সাতক্ষীরা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী সাতক্ষীরা এল্লারচর চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামারে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। বিকেলে প্রতিমন্ত্রী গল্লামারী মৎস্য খামার, বাগেরহাট মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং ফকিরহাটে মহিষ প্রজনন খামার পরিদর্শন করেন।