আল বেদা মাহে রমজান


প্রকাশিত : জুলাই ৮, ২০১৫ ||

সাখাওয়াত উল্যাহ: আজ ২১ রমজান, শুরু হলো মাহ রমজানের শেষ দশক বা বিদায় দশকের ১ম দিন। জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাবার জন্য বিশ্বের কোটি কোটি রোজাদার আল্লাহর কাছে পানাহ চাইছে। দিন যতই এগিয়ে আসছে আমাদের কাছ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ক্ষমা বা মুক্তি পাওয়ার সময় গুলো। এখন দরকার বেশী বেশী কুরআন তেলাওয়াত, জিকির-আযকার, দান-সাদকা ও ইসলামী দ্বীন অন্নেষন। গতকাল আছর নামাজের পর থেকে অনেকেই এতেকাফ শুরু করেছেন।
মসজিদে থেকে এতেকাফ করার সাথে সাথে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে মহা মহিমান্বিত রাত লাইলাতুল কদর বা শবে কদর।
এতেকাফঃ এতেকাফ মানুষের উপর এমন নৈতিক ও রুহানী প্রভাব সৃষ্টি করে, যা তাকে দীর্ঘদিন আল্লাহর পথে তাকওয়াসহ পরিচালিত করে। তাই আল্লাহর নৈকট্য লাভের সাথে এতেকাফের মাধ্যমে মানুষ অনেক নেকী অর্জন করে। এতেকাফ মুমিন জীবনের পাথেয়।
হাদীসঃ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) বলেন, উমর (রাঃ) নবী করীম (সাঃ)- কে জিজ্ঞাসা করলেন, আমি জাহেলি যুগে মসজিদে হারামে এক রাত এতেকাফ করার মানত করেছিলাম, তা কি আদায় করতে হবে? রাসুল (সাঃ) বললেন, “মান্নত আদায় কর।” (বুখারী)
লাইলাতুল কদরঃ
* হযরত আয়শা (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “রমযানের শেষ দশ তারিখের বেজোড় রাত সমূহে লাইলাতুল কদরকে তালাশ কর।” (বুখারী)
* হযরত আয়শা (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, “রাসুলুল্লাহ (সাঃ) রমযানের শেষ দশ তারিখে অন্য দিন অপেক্ষা ইবাদাতে অনেক বেশি পরিশ্রম করতেন।” (বুখারী)
* হযরত আয়শা (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, “যখন রমযানের শেষ দশ দিনের আগমণ হতো তখন রাসূল (সাঃ) ইবাদাতের জন্য প্রস্তুত হয়ে যেতেন, রাত্রি জাগতেন এবং নিজের পরিবার-পরিজনদেরও জাগিয়ে দিতেন।” (বুখারী ও মুসলিম)
মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের নেক আমল করার তাওফিক দান করুন আমিন।