রোজার বিনিময় হচ্ছে জান্নাত


প্রকাশিত : July 9, 2015 ||

সাখাওয়াত উল্যাহ: আজ ২২ রমজান। অর্থ্যাৎ রমজানের ৩য় দশকের নাজাতের ২য় দিন। রোজা ঢাল স্বরূপ এবং জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচার সুরক্ষিত দূর্গ বিশেষ। রোজার বিনিময় হচ্ছে জান্নাত। অন্যান্য নেক কাজের বিনিময়ে গুনাহ মাফ করা হবে। কিন্তু রোজার বিনিময়ে শুধু গোনাহ মাফ নয় বরং জান্নাতে প্রবেশের উপায় হিসাবে ব্যবহার করা হবে। এ অবস্থায় আল্লাহ তায়ালার হুকুম আহকাম মেনে চলতে হবে। বেশী বেশী নেক আমল দান, সদকা, কুরআন তেলাওয়াত এর মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে।
হাদিস, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, “রাসুলুল্লাহ (সাঃ) রোজাদারকে অনর্থক কথা ও অশ্লীল ব্যবহার থেকে পবিত্র করা এবং গরীবদের মুখে অন্ন দেওয়ার জন্য ছদকায়ে ফিতর ফরজ করেছেন। যে ব্যক্তি ঈদের নামাজের পূর্বে তা আদায় করেছে তার ফিতর আদায় হয়ে গেছে। আর যে ব্যক্তি ঈদের নামাজের পর আদায় করল তার ছদকা সাধারণ সদকায় পরিনত হবে”। (আহমদ ও ইবনে মাজাহ)
ছদকায়ে ফিতরের পরিমাণ হচ্ছে এক ছা’ যা তিন সের বা আড়াই কিলোগ্রামের সমান। ছদকায়ে ফিতর সকল মুসলমান, সে গোলাম হোক বা আজাদ, পুরুষ হোক বা মহিলা, ছোট হোক বা বড়, রোজাদার হোক বা গায়রে রোজাদার, নেছাবের মালিক হোক বা না হোক সবার উপর ফরজ।
সাহরি ও ইফতার, আবুদ্দারদা (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন “তিনটি বিষয় নবীগনের চরিত্রের অন্তভূক্ত। ১) তাড়াতাড়ি ইফতার করা ২) সাহরী দেরিতে খাওয়া ৩) নামাজ অবস্থায় ডান হাতকে বাম হাতের উপর বাঁধা”। (তাবরানী)
*আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, “রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ আযান শুনে আর খাবার বাসন তার হাতে থাকে তখন সে তা রেখে না দেয় যতক্ষন না তা থেকে আপন আবশ্যক পূর্ণ করে। (আবু দাউদ)
পবিত্রতা রক্ষার্থে করনিয়, পবিত্র মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষার্থে সুদ ও ঘুষ নেয়া-দেয়া ও সহযোগীতা করা থেকে বিরত থাকি। সকল প্রকার দূর্নীতি ও চাঁদাবাজী বন্ধে সকলেই এগিয়ে আসি। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের তাওফিক দান করুন আমিন।