ভোমরা স্থলবন্দরে পঁচা পিয়াজ ও টমেটোর দুর্গন্ধে জন জীবন বিপর্যস্ত

পত্রদূত ডেস্ক: ভোমরা স্থলবন্দরে কিছু অসাধু সরকারি কর্মকর্তার অবৈধ যোগসাজসে প্রতিনিয়ত আমদানি হচ্ছে খাওয়ার অযোগ্য পঁচা পিয়াজ ও টমেটো। এসব পঁচা পিয়াজ ও টমেটো বন্দরের যত্রতত্র ফেলে রাখায় এর বিষাক্ত দূূর্গন্ধে স্বাস্থ্য ঝুকিতে পড়ছে শিশুসহ বন্দরে কর্মরত শ্রমিক কর্মচারি ও ব্যবসায়ীরা। সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোনো খাদ্যদ্রব্য আমদানি করতে গেলে বন্দরের উদ্ভিদ সংঘ নিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালকের কার্যালয় থেকে এই মর্মে সার্টিফিকেট নিতে হয় যে, আমদানিকৃত খাদ্যদ্রব্য সম্পূর্ণভাবে খাওয়ার উপযুক্ত। একইসাথে কাস্টমসের পরীক্ষণে নিয়োজিত ইন্সপেক্টর ও ঐ পণ্যের গুন মান সঠিক আছে বলে সার্টিফিকেট দিয়ে থাকেন। অথচ উভয়ের যোগসাজসে প্রতিদিন ভোমরা বন্দরে ঢুকছে পচা পিয়াজ, টমেটোসহ অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য। এবিষয়ে কথা প্রসংগে বিভিন্ন সিএ্যন্ডএফ এজেন্টসহ সিএ্যন্ডএফ কর্মচারিরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই প্রতিনিধিকে জানালেন কেঁচো খুড়তে সাপ বেরিয়ে আসার অবস্থা। বর্তমানে ভোমরা কাস্টমসের জাদরেল দুই ইন্সপেক্টর লস্কর বখতিয়ার রহমান ও মিজানুর রহমান কাস্টমস এসি এবং সুপার এর অগোচরে বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছেন। পচা পিয়াজ, টমেটো, চাউল, গম আমদানি তাদের হাতের কারসাজিতেই হচ্ছে বলে জানান বন্দরের বিভিন্ন সূত্র। বর্তমান এসি এবং সুপার ওজনে সঠিক মাপ বজায় রাখার চেষ্টা করলেও এই দুই ইন্সপেক্টর ওজনে ফাঁকি দিয়ে সরকারি রাজস্ব ফাঁকিতে ভুমিকা রাখছেন বলে তাদের দাবি। বিভিন্ন অজুহাতে সিএ্যন্ডএফ কর্মচারিদের জিম্মি করে এসি এবং সুপারের অগোচরে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন এ দুই ইন্সপেক্টর। তাদের অন্যায় দাবি মানতে অস্বীকৃতি জানালে সেইসব সিএ্যন্ডএফ এজেন্ট ও কর্মচারিদের উপর নেমে আসে হয়রানির খড়গ। এমনকি ফাইল ছুড়ে ফেলে দেওয়ার নজির ও আছে। ভুক্তভোগি সিএ্যন্ডএফ এজেন্ট ও কর্মচারিরা কমিশনারের কাছে এই দুই ইন্সপেক্টরের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি করেছেন।