কেশবপুরে অবিরাম বৃষ্টি ও কপোতাক্ষের উপচে পড়াপানিতে সহস্রাধিক পরিবার পানিবন্দী


প্রকাশিত : July 25, 2015 ||

এম আব্দুল করিম, কেশবপুর (যশোর) :কপোতাক্ষের উপচে পড়া পানি ও অবিরাম বৃষ্টিতে কেশবপুর পৌরসভাসহ উপজেলার নিন্মাঞ্চলের প্রায় ২৭টি গ্রামের সহস্রাধিক পরিবার পানিবন্ধী হয়ে পড়েছে, তলিয়ে গেছে কৃষকের অসংখ্য বীজতলা ও ফসলী জমি। ভেসেগেছে মাছের ঘের ও পুকুর।
সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক সপ্তাহের অবিরাম বৃষ্টিতে পৌরসভাসহ কেশবপুরের নিন্মাঞ্চলের প্রায় ২৭টি গ্রামের সহস্রাধিক পরিবার পানিবন্ধী হয়ে পড়েছে। গ্রামগুলির মধ্যে উপজেলার পুর্বাঞ্চলের  বাগডাঙ্গা মনোহর নগর, বুড়–লী, বেতীখোলা, আড়–য়া, গৃধরনগর, কালীচরনপুর, কলাগাছী, ময়নাপুর,ও কাটাখালী  গ্রামের প্রায় ৪’শ পরিবার পানিবন্ধী হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে কেশবপুরের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাগরদাড়ী, বগা, রেজাকাটী, নেহালপুর, বিষ্ণুপুর, চিংড়া, ফতেপুর, ধর্মপুর, গোপালপুর, মহাদেবপুর, মেহেরপুর, গোবিন্দপুর ও বরনডালী, সরসকাটী, ত্রিমোহিনী, ও কোমলপুর গ্রামের প্রায় ১হাজার ২’শ পরিবার পানিবন্ধী হয়ে পড়েছে। নদীতে নাব্যতা না থাকার কারণে বৃষ্টির পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এদিকে জলাবদ্ধ এলাকার অধিকাংশ রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পানিতে তলিয়ে গেছে। জলাবদ্ধ এলাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানির অভাবে বিভিন্ন ধরনের পানি বাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এদিকে পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় শহরের সাহাপাড়া, মাছ বাজারসহ নিন্ম এলাকা জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া বৃষ্টিতে কয়েক’শ ছোট-বড় মাছের ঘের ও পুকুর ভেসে কোটি-কোটি টাকার লোকসান হয়েছে বলে ঘের মালিক সুত্রে জানাগেছে। হাজার-হাজার বিঘা জমির ফসল এবং বীজতলা পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। এবিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার সঞ্জয় কুমার ও মৎস্য অফিসার রাজ কুমার জানান কেশবপুরে নিন্মাঞ্চলের বহু ফসলী জমি ও মাছের ঘের ভেসে গেছে। তবে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান নিরপনে জরিপ চলছে ।