ফেসবুকের ভুল ধরলে পুরস্কার নিশ্চিত জানেন কি?

অনলাইন ডেস্ক ॥ প্রাত্যহিক কাজের মধ্যে ফেসবুকে সময় কাটানো আমাদের এখন অভ্যাসে দাঁড়িয়েছে। ফেসবুকের দৌলতে প্রতি দিনই নতুন নতুন বন্ধুর সঙ্গে পরিচিতি ঘটে। শুধু বন্ধু পাতানোই নয়, ফেসবুকের মাধ্যমে দেশ-বিদেশের খবর, বিনোদন সব কিছুই এখন হাতের মুঠোয়। কিন্তু, এই সোশ্যাল মিডিয়াকে আমরা কতখানি চিনি? ফেসবুকের আনাচে-কানাচে লুকিয়ে রয়েছে মজার তথ্য। জেনে নিন সে রকমই কিছু অবাক করা মজার তথ্য।

জানেন কি ফেসবুক শুধুমাত্র কলেজ পড়ুয়াদের কথা ভেবেই তৈরি করা হয়েছিল? প্রথমের দিকে ফেসবুকের অ্যাকাউন্ট সেটিংস ছিল খুব সহজ। যেখানে কলেজ বা স্কুলের নাম, বয়সের বেশি প্রাধান্য ছিল। পরে ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট প্রোফাইলে নানা বিষয়ে তথ্য রাখার ব্যবস্থা করা হয়।

আপনার মাতৃভাষাতেই ফেসবুক পেতে পারেন। ইংরেজি ছাড়া যদি অন্য ভাষায় ফেসবুক করতে আগ্রহী হন, তা হলে ল্যাঙ্গুয়েজ অপশনে গিয়ে পছন্দ মতো ভাষা পরিবর্তন করতে পারেন।

মৃত্যুর পর যাতে আপনার অ্যাকাউন্ট অন্য কেউ পরিচালনা করতে পারে, সে ব্যবস্থাও রয়েছে ফেসবুকে। সে ক্ষেত্রে পাসওয়ার্ড শেয়ার করার কোনও প্রয়োজন নেই। এর জন্য সিকিউরিটি সেটিংসে গিয়ে লিগ্যাসি কনট্যাক্ট গিয়ে আপনার প্রিয় জনের নাম জুড়ে দিন।

তা হলে মৃত্যুর পর আপনার সেই প্রিয় জন শেয়ার করতে পারবেন আপনারই পুরনো পোস্টগুলি।

‘অসাম বাটন’ মনে আছে? আগে লাইকের বদলে ব্যবহার করা হত অসাম বাটন। পরে ২০০৯-এর ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে লাইক বাটনের যুগ শুরু হয়।

মার্কিন মুলুকে জনপ্রিয় সোশ্যাল সাইট মাইস্পেসের সঙ্গে ফেসবুকের অনেক সময় তুলনা করা হয়। এমনকী, মাইস্পেস ৭ কোটি ৫০ লক্ষ ডলার দিয়ে জুকেরবার্গকে ফেসবুক কেনার অফার দেয়।

ফেসবুকের কোনও ভুল ধরিয়ে দিলে তারা পুরস্কৃত করবে আপনাকে। কোম্পানির পলিসি অনুযায়ী পুরস্কারের মূল্য ঠিক করা হয়।

ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকেরবার্গের ফ্যানের সংখ্যা ৩ কোটির বেশি। তাঁর ফেসবুক ইউআরএল হল -https://www.facebook.com/zuck কিন্তু শেষে জুকের পরিবর্তে ৪ দিলেও জুকেরবার্গ প্রোফাইলে পৌঁছাতে পারবেন। চেষ্টা করে দেখুন।

ফেসবুক কেন নীল? জুকেরবার্গ নাকি বর্ণান্ধ! দ্য নিউ ইয়র্কার ম্যাগাজিনে এক সাক্ষাত্কারে জুকেরবার্গ জানিয়েছিলেন, “আমার কাছে সব রঙের মধ্যে নীল উত্কৃষ্ট। আমি নীলকে ভাল ভাবে দেখতে পাই।”

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা