চুকনগরে দোকানঘর থেকে দক্ষিণ গোবিন্দকাটি পর্যন্ত রাস্তা চলাচলে অনুপযোগী


প্রকাশিত : জানুয়ারি ৩, ২০১৭ ||

চুকনগর (খুলনা) প্রতিনিধি: চুকনগরে চাকুন্দিয়ার দোকানঘর থেকে দক্ষিণ গোবিন্দকাটি গ্রাম পর্যন্ত ২কিলোমিটার গ্রাম্য রাস্তা চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ রাস্তাটির ইটের সোলিং উঠে অসংখ্য ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে রাস্তা চলাচলে চরম ভোগান্তীর স্বীকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ।
জানাযায় ২০০১ সালে চাকুন্দিয়া সীমানা বরাবর গোবিন্দকাটি যাওয়ার জন্য এই রাস্তাটিতে ইটের সোলিং দেয়া হয়। তারপর থেকে এটি আর পুর্নরায় সংস্কার বা মেরামত না করার কারণে এটি জনসাধারণের চলাচলে সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রকাশ থাকে যে সাবেক চেয়ারম্যান শেখ মো. বদরুজ্জামান তসলিমের সাথে ৫ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মনোমালিন্য ছিল। আর এ কারণেই এ ওয়ার্ডের কোন কাজই সে সময় করা হয়নি বলে জানান চাকুন্দিয়া ওয়ার্ডে বসবাসকারী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি। তবে এ কথা সত্য যে বর্তমান চেয়ারম্যান সম আব্দুল কাইয়ুম খোকা চেয়ারম্যান হওয়ার পর তার নির্বাচনী ইশতিয়ার অনুযায়ী স্থানীয় ইউপি সদস্য মোস্তফা সরদারকে দিয়ে কিছু কাঁচা রাস্তায় ইটের সোলিং দিয়েছেন। সে রাস্তাটুকু দিয়ে মানুষ চলাচল করতে পারলেও বাকী রাস্তা চলাচলে একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ রাস্তাটির উপর দিয়ে ২টি ওয়ার্ডের প্রায় ৫/৭হাজার লোক প্রতিনিয়ত চলাচল করে। এলাকাটি কৃষি অধ্যূষিত হওয়ায় ধান,মাছ,তরি-তরকারি ও ফলমূলসহ অনেক কাঁচাপাকা মালামাল শহরে বা বাজারে নিয়ে যাওয়া হয় এ রাস্তা দিয়ে। এজন্য অন্যান্য রাস্তার তুলনায় এ রাস্তা দিয়ে মানুষের চলাচল একটু বেশি। কিন্তুু দু:খের বিষয় হল দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে এ রাস্তাটি সংস্কার বা মেরামত না করার কারণে বর্তমান সময়ে এটি চলাচলে সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তাই চাকুন্দিয়া ও দক্ষিন গোবিন্দকাটি গ্রামের প্রতিটা মানুষের প্রাণের দাবি যতদ্রুত সম্ভব জনবহুল এ রাস্তাটি পুর্ণরায় মেরামত বা সংস্কার করা হোক। এ ব্যাপারে ৫নং আটলিয়া ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান সম আব্দুল কাইয়ুম বলেন, আমরা ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব নেয়ার পর ইতোমধ্যে সমস্ত ইউনিয়নে প্রায় ৫/৭ কিলোমিটার মাটির রাস্তায় ইটের সোলিং দিয়েছি। দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ থাকা ইউনিয়ন পরিষদটি মেরামত ও সংস্কার করে আধুনিক ইউনিয়ন পরিষদের রুপান্তরীত করেছি। তাছাড়া আমার নির্বাচনী ইশতিয়ার অনুযায়ী অনেক ইটের সোলিং দেয়া রাস্তা সংস্কার করেছি এবং প্রায় ৫ কিলোমিটার গ্রাম্য রাস্তা পিচ দেয়ার কাজ ইতোমধ্যে আমরা শুরু করেছি। আর যে রাস্তা গুলো সংস্কার করতে বাকি আছে বিশেষ করে চাকুন্দিয়া সীমানা বরাবর গোবিন্দকাটি যাওয়ার জন্য এই রাস্তাটি অল্প দিনের মধ্যেই আমরা সংস্কারের কাজ শুরু করব।