যশোরের বাঘারপাড়া থানা পুলিশের হাতে অস্ত্রসহ বকচরার মোসলেমসহ পাঁচজন গ্রেপ্তার


প্রকাশিত : January 25, 2017 ||

যশোর প্রতিনিধি: যশোরের বাঘারপাড়া থানা পুলিশ সোমবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করেছে। নাশকতার পরিকল্পনা ও ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তাদের আটক করা হয় বলে দাবি করে পুলিশ বলছে, এ সময় উদ্ধার হয়েছে তিনটি অস্ত্র ও তিন রাউন্ড গুলি। মঙ্গলবার রাতে এ ব্যাপারে বাঘারপাড়া থানায় ডাকাতির প্রস্তুতি ও নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে পৃথক দুটি মামলার হয়েছে। বাঘারপাড়া থানার এসআই সামেদুল হক বলেন, ‘সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে উপজেলার প্রেমচারা প্রাইমারি স্কুলের পেছনের বটতলা থেকে প্রেমচারা গ্রামের আকবর আলী মন্ডলের ছেলে হুমায়ুন মন্ডল (৩৮) ও একই গ্রামের মৃত রফিউদ্দীনের ছেলে দাউদ হোসেনকে (৫৫) আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় একটি বিদেশি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, তিনটি গুলির খোসা ও বিস্ফোরিত বোমার অংশবিশেষ।’ তিনি বলেন, ‘একই দিন দিবাগত রাত সোয়া তিনটার দিকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে জোহরপুর বাজারের সৌরভ মেডিকেলের পেছনের বাংলালিংক টাওয়ারের কাছ থেকে বেতালপাড়া গ্রামের সুরমান মোল্যার ছেলে মনিরুল ইসলাম (২৪), জোহরপুর গ্রামের শওকত আলীর ছেলে জুয়েল সিকদার (২৫) এবং সাতক্ষীরার বকচরা গ্রামের মৃত তারাচাঁদ শেখের ছেলে মোসলেম আলী শেখকে (৫৫) আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় একটি ওয়ান শুটারগান, একটি পাইপগান ও দুই রাউন্ড গুলি।’ এসআই সামেদুল হক জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি ও নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে। মামলার বাদী তিনি (সামেদুল হক) নিজেই হচ্ছেন বলে জানান। এ সময় এসআই সামেদুল হক বলেন, ‘পৃথক এ দুটি ঘটনায় আরো ১৫/২০ জন জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। তাদেরকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’ এদিকে জহুরপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান দিলু পাটোয়ারী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, মনিরুল ইসলাম ও জুয়েল সিকদার কোনো দুস্কৃতিকারি নয়। তাদেরকে উদ্দেশ্যমূলক ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে থানা পুলিশ।