শুদ্ধাচারের অন্যতম উদ্দেশ্য দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনের মাধ্যমে জনগণের সেবা নিশ্চিত করা: প্রধান তথ্য অফিসার

পত্রদূত ডেস্ক: প্রধান তথ্য অফিসার একেএম শামীম চৌধুরী বলেন, শুদ্ধাচারের অন্যতম উদ্দেশ্য দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনের মাধ্যমে জনগণের সেবা নিশ্চিত করা। প্রাতিষ্ঠানিক শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠায় ব্যক্তি পর্যায়ে শুদ্ধাচার অনুশীলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বৃহস্পতিবার সকালে খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসে ‘শুদ্ধাচার কৌশল, ইনোভেশন, সিটিজেন চার্টার ও অন্যান্য বিষয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
প্রধান তথ্য অফিসার বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজে কার্যকরভাবে ন্যায় ও সততা প্রতিষ্ঠা এবং সফলতার সঙ্গে দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠা সরকারের  মূলনীতি। সততা এবং নিয়মের সাথে জনসেবাকে উদ্দেশ্য করে প্রত্যেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরকে স্ব স্ব স্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, দূর্নীতিকে কেবল আইনি ব্যবস্থার মাধমে দমন করা সম্ভব নয়, তার জন্য প্রয়োজন সামগ্রিকভাবে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ গ্রহণ ও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তথ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত প্রধান তথ্য অফিসার মোহাম্মদ ইসতাক হোসেন। এসময় তথ্য অধিদফতের চিফ ফিচার রাইটার মোহাম্মদ আলী সরকার, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য অফিসার জিনাত আরা আহমেদ এবং জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক ম. জাভেদ ইকবাল উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় অফিসের কর্মচারীগণ অংশগ্রহণ করেন।

আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের কোন বিকল্প নেই: নারায়ন চন্দ্র চন্দ

পত্রদূত ডেস্ক: বৃহস্পতিবার থেকে খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা-২০১৭। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ প্রধান অতিথি হিসেবে দুপুরে এ মেলায় উদ্বোধন করেন। খুলনা জেলা প্রশাসন এ মেলার আয়োজন করে। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। তথ্য প্রযুক্তি জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তথ্যপ্রযুক্তিই অন্যতম হাতিয়ার হতে পারে। আইসিটি ব্যবহার করে অনেক বেকারত্ব দূর হয়েছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের অন্যতম সম্ভাবনাময় দেশ। বিশ্বের দৃষ্টিও এখন বাংলাদেশের দিকে। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। অনেক আগেই বাংলাদেশ ডিজিটালে প্রবেশ করেছে। আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের কোন বিকল্প নেই। সমৃদ্ধ দেশ গড়তে আইসিটি খাতকে একটি শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড় করাতে হবে। একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাথে নিজেদের প্র¯তত করতে প্রযুক্তির অবাধ ব্যবহার ও জনসম্পৃক্ততা জরুরী। বাংলাদেশে এখন বিশ্বমানের তথ্যপ্রযুক্তিবিদ তৈরি হচ্ছে এবং তারা সুনামের সাথে দেশ ও বিদেশে কাজ করে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যন শেখ হারুনুর রশিদ এবং খুলনা পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক ড. মলি¬ক আনোয়ার হোসেন। খুলনা জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসান এতে সভাপতিত্ব করেন। স্বাগত বক্তৃতা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি)  মো. গিয়াস উদ্দিন।
মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে এবং মেলায় স্টল রয়েছে ৮২টি। এছাড়া মেলায় থাকবে  সেমিনার, কুইজ, বিতর্ক প্রতিযোগিত এবং সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
সকাল সাড়ে নয়টায় জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে কালেক্টরেট প্রাঙ্গণ থেকে বের করা হবে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সার্কিট হাউজ মাঠে এসে শেষ হয়।

খুলনাস্থ মংলা কাস্টমস হাউস মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস উপলক্ষে সেমিনার

পত্রদূত ডেস্ক: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেছেন, সম্পদের সুষম বন্টন ও সামাজিক বৈষম্য হ্রাসে রাজস্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দেশকে আরো উন্নত করতে হলে অধিক রাজস্ব প্রয়োজন। তিনি বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনাস্থ মংলা কাস্টমস হাউস মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস-২০১৭ উপলক্ষে সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (অডিট, ইন্টেলিজেন্স এন্ড ইনভেস্টিগেশন) মীর মুস্তাক আলী, কর আপীল অঞ্চলের কর কমিশনার প্রশান্ত কুমার রায়, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. হাবিবুর রহমান, কর কমিশনার মো. ইকবাল হোসেন এবং  মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. হাবিবুল মাওলা বিএন। খুলনা কাস্টম্স এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট’র কমিশনার ড. মোহা. আল-আমিন প্রামানিক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। সকালে প্রতিমন্ত্রী ডুমুরিয়া থুকড়া কাচারীবাড়ি আরআরজিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এবং বিকেলে ফুলতলা আটরা শ্রীনাথ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন।

ভালুকা চাঁদপুর দাখিল মাদ্রাসায় বিদায় ও নবীন বরণ

ফিংড়ী প্রতিনিধি: সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর দাখিল মাদ্রাসায় ২০১৭ সালের দাখিল পরিক্ষার্থীদের বিদায় ও ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে সুপার মাও. মহাসিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ মোদাচ্ছেরুল হক হুদা, আলহাজ্ব খলিলুর রহমান, শাহাদাৎ হোসেন, নুরুজ্জামান, রহমত আলী, মোমিনুর রহমান, সুরাইয়া বিলকিস, সাংবাদিক ইয়াকুব আলী, আব্দুর রউফ চৌধুরী, শিক্ষক রোকন্জ্জুামান লাভলু, মাজহারুল আনোয়ার, মাউদুজ্জামান, মহিউল ইসলাম, মাশারুল হক সাজু প্রমুখ। এবছর ভালুকা চাঁদপুর দাখিল মাদ্রাসা হতে ২৫ জন পরিক্ষার্থী দাখিল পরিক্ষায় অংশগ্রহন করবে। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ছাত্র সাইমুন ইসলাম ও আবু ইউসুফ।

শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে ৩দিনব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সরকারের প্রতিশ্রুত রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কোন বিকল্প নেই।

 

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে জনপ্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধিসহ জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। এলক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে এবং ইতোমধ্যে জনসাধারণ এর সুফল পেতেও শুরু করেছে। এর ধারাবাহিকতায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার সহজলভ্য ও জনপ্রিয় করার মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে ডিজটাল উদ্ভাবনী মেলা। সাতক্ষীরায় ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা’১৭ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দীন এসব কথা বলেন।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় ৩দিন ব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এএফএম এহতাসেমুল হক।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দীন আরো বলেন, ই-ফাইলের মাধ্যমে এখন ফাইলিং করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসক তার অফিসে উপস্থিত না থাকলে বা জরুরী কাজে অফিসের বাইরে থেকেও অনলাইনের মাধ্যমেই অফিসের কাজ করা সম্ভব। নামজারি করতে সাধারণ মানুষের এখন আর অফিসে ধর্ণা দেওয়া লাগেনা, তার কাজ বাস্তবায়ন করতে বিলম্ব হয় না, ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে ওই সেবা গ্রহণ করতে পারবে সেবা প্রত্যাশী। তথ্য প্রযুক্তির যুগে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনা বৃদ্ধি পেলে সরকারি, বেসরকারি অফিসসহ   সমাজের যেকোন ক্ষেত্রে অনিয়ম দুর্নীতি বন্ধ করা সম্ভব ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার এর উপরিচালক মইনুণ ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ অধ্যক্ষ ডা. হাবিবুর রহমান, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ লিয়াকত পারভেজ প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অরুন কুমার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ফারুখ আহমেদ, জেলা প্রশাসক পতœী, সাতক্ষীরা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারি পরিচালক একেএম আবু সাঈদ, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুন্নবী সোহেল রানা, এ করিম বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসরিন খান লিপি।
তিনদিন ব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলায় পৃথক চারটি প্যাভিলিয়নে সাজানো হয়েছে স্টল। এতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, জেলা নির্বাচন অফিস, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, আঞ্চলিক পার্সপোর্ট অফিস, বিটিসিএল, জেলা শিক্ষা অফিস, স্বাস্থ্য সেবা অধিদপ্তর, প্রাইমারী ট্রেনিং ইন্সিটিউট (পিটিআই), সমাজ সেবা অধিদপ্তর, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজ, পলিটেকনিক ইন্সিটিউট, চায়না বাংলা ফাস্টফুড, সাতক্ষীরা কলেক্টরেট স্কুল, টিআইবি, সদর উপজেলা প্রশাসনসহ জেলার সরকারি, বেসরকারি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৭৯টি স্টল স্থান পেয়েছে। মেলায় তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সেবা দানের পাশাপাশি মেলায় আগত সকলের বিনোদনের জন্য প্রতিদিন সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছে।
এদিকে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা উপলক্ষে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ককে সাজানো হয়েছে নান্দনিক রূপে। স্টলগুলোতে নানা রঙের ব্যানার ফেস্টুনে তুলে ধরা হয়েছে কোথায় কোন সেবা পাওয়া যাবে তার তথ্যচিত্র। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যাতায়াত ও যোগাযোগ, তথ্য ও প্রযুক্তিতে সাতক্ষীরা অগ্রগতি ও উন্নয়নের তথ্য ভান্ডার নিয়ে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার আয়োজন করেছে জেলা প্রশাসন।

ব্রহ্মরাজপুর ডিবি গার্লস হাইস্কুলে বিদায় ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

পত্রদূত ডেস্ক: সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ডিবি গার্লস হাইস্কুলে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীনবরণ অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার স্কুলের প্রধান শিক্ষক এমাদুল ইসলাম দুলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা স. ম শহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্কুলের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছোবহান, মৎস্য প্রাণি সম্পদ প্রতিমন্ত্রীর শ্যালক জ্যোতিষ স¤্রাট এসকে বোস, স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি লক্ষ্মীকান্ত মল্লিক। এছাড়া বক্তব্য রাখেন ইউপি মেম্বর রেজাউল করিম মঙ্গল, মতিয়ার রহমান, স্কলের শিক্ষক এসএম শহীদুল ইসলাম, অরুন কুমার মন্ডল, হাফিজুল ইসলাম, শিক্ষার্থী শরীফা খাতুন, রজনি খাতুন, তমালিকা সরদার, জান্নাতুল ফেরদৌস মিম, জাকিয়া সুলতানা, তন্বী মন্ডল প্রমুখ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিভাবক সদস্য আব্দুল হামিদ বাবু, সেলিম হোসেন, সাবেক মেম্বর গিয়াস উদ্দীন সানা, শিক্ষানুরাগী নোমান আহমেদ, সোহরাব হোসেন, সাংবাদিক আরশাদ আলী, সহকারি প্রধান শিক্ষক অনুজিৎ মন্ডল, শিক্ষক দেবব্রত ঘোষ, গীতা রানী সাহা, খালেদা খাতুন, ভানুবতী সরকার, শামীমা আক্তার, মৃনাল বিশ্বাস সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সমগ্র অনুষ্ঠান ও দোয়া পরিচালনা করেন সহকারি শিক্ষক নজিবুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে পরীক্ষার্থীদের মাঝে প্রবেশপত্র ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।

সাতক্ষীরা কিন্ডারগার্টেনের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা কিন্ডারগার্টেনের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার সকালে সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে দিনব্যাপী এ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে বেলুন, ফেস্টুন ও কবুতর উড়িয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম। সাতক্ষীরা কিন্ডারগার্টেনের প্রধান শিক্ষক রফিকুল হাসানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থা সাধারণ সম্পাদক একেএম আনিছুর রহমান, সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (প্রভাতি) শাখার সহকারী প্রধান শিক্ষক সমরেশ কুমার দাশ, লস্কর গ্রুপের পরিচালক জুনায়েদ হোসেন লস্কর। এসময় বক্তারা বলেন, শরীরকে সুস্থ্য রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। বর্তমান সময়ে খেলাধুলা আগের তুলনায় অনেক বেড়ে গেছে। লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলারও প্রয়োজন আছে। বক্তারা আরো বলেন, শিশুর মানবিক বিকাশ ঘটানোর জন্য সাতক্ষীরা কিন্ডারগার্টেন অন্যন্য ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। শৃংখলা ও অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে সাতক্ষীরা কিন্ডারগার্টেকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য, ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নয় শতাধিক শিক্ষার্থী ৪টি বিভাগে ৮টি গ্রুপে মোট ৩৩টি খেলায় অংশগ্রহণ করে। বিকেলে যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পরিচালানা করেন স্কুলের ক্রীড়া বিষয়ক টিচার মাজহারুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সিনিয়র শিক্ষক রাফিজা খাতুন ও রেজিষ্ট্রার বৈদ্যনাথ কুন্ডু। প্রকাশ থাকে যে, আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭ শনিবার সকাল ১০টায় স্কুল প্রাঙ্গনে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হবে।

চুকনগরে শিক্ষানুরাগী গনি স্যার আর নেই

চুকনগর (খুলনা) প্রতিনিধি: চুকনগরে বাদুড়িয়া গ্রামের শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি গনি স্যার আর নেই (ইন্নালিল্লাহি….রাজেউন)। বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন। মূত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৪পুত্র, ৩কণ্যা নাতী-নাতনীসহ অসংখ্য গুরুগ্রাহী রেখে গেছেন। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার সময় তার নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম শামসুদ্দিন, প্রধান শিক্ষক মাষ্টার রমজান আলী, খুলনা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি মোড়ল আমিনুর রহমান, সাংবাদিক গাজী আব্দুল কুদ্দুস, স্থানীয় ইউপি সদস্য আলমগীর কবির সবুজ, আইয়ুব আলী সরদার প্রমুখ। উল্লেখ্য তিনি দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস জনিত সমস্যায় ভুগছিলেন।

কলারোয়া বেত্রবতী হাইস্কুলে বিদায় সংবর্ধনা ও নবীনবরণ

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়া বেত্রবতী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০১৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা, নতুন শিক্ষার্থীদের বরণ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বিদ্যালয় চত্বরে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিটিএ’র সভাপতি মাওলানা ইছহাক আলি। সংবর্ধনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদুল হাসান কামরুল। এসময় অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কলারোয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, কোষাধ্যক্ষ সহকারী অধ্যাপক কেএম আনিছুর রহমান, সাংবাদিক এমএ সাজেদ, পৌরসভার সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর লুৎফুননেছা লুতু, কাজল মেম্বর, এসএমসি সদস্য শাহাদাৎ হোসেন, শেখ সাহিদুজ্জামান সাইদ, আব্দুল্লাহ শেখ, লিংকন, সহকারী শিক্ষক আব্দুদ দাইয়ান, মশিউর রহমান, নাছরিন সুলতানা, আনারুল ইসলাম, তজিবুর রহমান, সাইফুল আলম, জাকিয়া পারভীন, সমীর কুমার সরকার, রীনা রানী পাল, দেবাশীষ সরদার, অফিস সহকারী আমিরুল ইসলাম, ফারুক হোসেন, প্রাক্তণ ছাত্র আলফাজ, ডালিম, মোস্তফা, আশিক, ফারুক, বিদায়ী শিক্ষার্থী আরিফুল, শান্তা, ইসরাইল, আল আমিন, ১০ম শ্রেণির ইমাম হোসেন, ৯ম শ্রেণির তন্ময়, ৮ম শ্রেণির জেরিন, ৭ম শ্রেণির মাহি, ৬ষ্ঠ শ্রেণির রিয়া পাল প্রমুখ। নবীন বরণ ও সংবর্ধনা সভার পরে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতে স্কুলের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে শিক্ষা উপকরণ ও বিদায়ী শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে তাদের পক্ষ থেকে স্মৃতিস্বরূপ মূল্যবান সাউন্ড বক্সসহ সাউন্ড সিস্টেম তুলে দেয়। সভা শেষে পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা ইসমাইল হোসেন সিরাজী। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেন সহকারী শিক্ষক আবু বকর ছিদ্দীক। উল্লেখ্য, এ বছর বিদ্যালয় থেকে ৪৫ জন ছাত্র-ছাত্রী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে।

কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষাথীদের বিদায়ী অনুষ্ঠান

পত্রদূত ডেস্ক: কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০১৭ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণকারি শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবধর্না অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে স্কুলের প্রধান শিক্ষিক আবু তাহেরের সভাপতিত্বে ২০১৭ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণকারি শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবধর্না অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে কুরআন তেলোয়াত, গীতা ও বাইবেল পাঠের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বিদায়ী ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন, স্কুলের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বিদোৎসাহী সদস্য আবুল খায়ের, অভিভাবক সদস্য শেখ সৌখিন আলি ও সালাউদ্দীন ফিরোজ। বক্তব্য রাখেন সহকারী প্রধান শিক্ষক আজিজুল ইসলাম, শিক্ষক প্রতিনিধি আব্দুল হক, আব্দুল মালেক, রুস্তম আলি প্রমুখ। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মচারি, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন নীলা। বিদ্যালয়ের উন্নয়নকল্পে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ১টি আলমারি ও ৩টি উন্নতমানের চেয়ার প্রদান করে বিদায়ী শিক্ষার্থীরা। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রত্যেক বিদায়ী ছাত্র-ছাত্রকে পরীক্ষা সমগ্রী বিতরণ করা হয়। এ বছর এই বিদ্যালয় থেকে ১৩৬ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করছে। পরীক্ষার্থীদের শারারীক সুস্থতা ও মঙ্গল কামনা করে দোয়া করেন স্কুলের শিক্ষক মাওলানা আব্দুল আজিজ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক রুস্তম আলি ও আব্দুল হক।

ডুমুরিয়া উপজেলা শ্রমিক দল নেতৃবৃন্দের শোক

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি: খুলনা জেলা শ্রমিক দলের সদস্য ও শরাফপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি শেখ আব্দুর রশিদ এর মাতা আমেজান বিবির আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন ডুমুরিয়া উপজেলা শ্রমিক দলের নেতৃবৃন্দ। শোক সন্তপ্ত পরিবার বর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা ও তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন এরা হলেন, খুলনা জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ও ডুমুরিয়া উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক খান ইসমাইল হোসেন, গাজী ফারুক হোসেন, সরদার আজিজুল ইসলাম, রিয়াজ উদ্দিন উকিল, শেখ সেলিম আহমেদ, দেবব্রত রায়, শেখ মাহমুদুল হাসান, শেখ কামরুল ইসলাম, শেখ হাবিবুর রহমান হবি, আমিনুর জোয়ার্দার, শেখ জহুরুল ইসলাম, শেখ মোস্তাক আহমেদ, ফজর আলী সরদার, মো.রিপন ঢালী, গাজী রফিকুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম আকুঞ্জী, আব্দুল হালিম দফাদর, আব্দুল হামিদ সরদার, এবাদুল বাসার লিটন, শেখ মনিরুল ইসলাম প্রমখ।

মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা ভাষার হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী: সেতু মন্ত্রী কাদের

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ছিলেন আধুনিকতার জনক, পৃথিবী যখন প্রাচীন ধ্যান ধারণায় পাশ্চাত্য জমিদারী রীতিনীতি প্রচলিত ছিলো, মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত সেই জায়গা থেকে বেরিয়ে আধুনিকতা ও আধুনিক সমাজের প্রবর্তন ঘটিয়েছেন। যার ফলে সমসাময়িক অনেক কবি সাহিত্যিকের টিপ্পনি খেয়েছেন, হয়েছেন সমালোচনার পাত্র। তবুও তাকে দমিয়ে রাখতে পারিনি। তিনি কতটা আধুনিক ছিলেন তা তার সাহেবী কোট-টাই পরা দেখে বোঝা যায়। শুধু তাই নয় তিনি ছিলেন অসম্প্রদায়িক ও মুক্তমনের মানুষ, মুক্তি যোদ্ধা, যুক্তি যোদ্ধা, ভাষা যোদ্ধা এবং প্রাচীন কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ। মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ছিলেন বাংলা ভাষার হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, মুকুটহীন স¤্রাট। তার আলোক সত্য আমাদের আলোকিত করেছে। তাই এই সাগরদাঁড়ীর মধু মেলা আজ সব বাঙ্গালীর মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে। বাংলা সাহিত্যে অমৃত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৩তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে যশোরের কেশবপুরের কপোতাক্ষ নদের পাড়ে সাগরদাড়িতে সপ্তাহব্যাপী মধুমেলার ৬ষ্ঠ দিনে ২৬জানুয়ারি দুপুরে মহাকবি মধুসূদন পদক বিতরণ ও সমাপণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের (এমপি) এসব কথা বলেন।
যশোরের জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন শিকদার, আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য পীযুষ কান্তি ভট্রাচার্য্য, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ কাজী নাবিল আহমেদ, এড. মনিরুল ইসলাম, স্বপন ভট্রাচার্য্য, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহ হাদিউজ্জামান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক (এমপি)। আলেচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি নির্মলেন্দু গুন, কথা সাহিত্যিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ও কবি মারুফুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের কবি নির্মলেন্দু গুন ও কথা সাহিত্যিক ও অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলামকে মহাকবি মধুসূদন পদক প্রদান করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ছেলের দাবি: ২৫ অস্ত্র নিয়ে প্লাটুনের নেতৃত্ব দেন পিতা ষড়যন্ত্রের মুখে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন আশাশুনির আবদুল গফুর গাজি

নিজস্ব প্রতিনিধি: ছদ্মবেশ ধারন করে রাজাকার ক্যাম্পে ঢুকে একই রাতে ২৫টি অস্ত্র লুট করে নিয়ে আমার বাবা  সাতক্ষীরার আশাশুনির আবদুল গফুর গাজি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন। ২৫ জনের সেই প্লাটুনের নেতৃত্বও দেন তিনি। দুর্ভাগ্যবশত: তার নামের গোড়ায় লাল কালির চিহ্ন দেখে  ক্ষোভে ও দু:খে তিনি ১৫ বছর আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
লিখিতভাবে এই বক্তব্য তুলে ধরে তার ছেলে আশাশুনির বৈরামপুর গ্রামের রবিউল ইসলাম সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমার বাবা ও তার দুই বন্ধু ইদ্রিস মাস্টার ও আবদুল বারী মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে ৭১ এ ভারতে পালিয়ে যান। সেখানকার পরামর্শ পেয়ে ও দরগাহপুর ইউনিয়নের সে সময়কার চেয়ারম্যান গোলাম সরোয়ার সানার সহযোগিতায় তারা আশাশুনির রাজাকারদের ঘাঁটিতে ঢুকে এসব অস্ত্র নিয়ে এসে মুক্তিযুদ্ধে নামেন। বীরত্বের সাথে যুদ্ধে প্লাটুনের নেতৃত্ব দেওয়ায় আমার বাবা আবদুল গফুরসহ ২০জনের নামে প্রত্যয়নপত্র দেন কাজলনগর ক্যাম্প ইন চার্জ আবদুল বারী, যুদ্ধকালীন কমান্ডার সম বাবার আলি, গাজি রহমতুল্লাহ দাদু এবং খুলনা জেলা কমিটি প্রধান শেখ কামরুজ্জামান টুকু। ‘স্বাধীনতার দুর্জয় অভিযান’ নামক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বইয়ে বিষয়টির উল্লেখ রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের পর আমার বাবা দীর্ঘদিন ইউনয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আরও বলেন, মৃত্যুর আমার বাবাকে বীর মুক্তিযোদ্ধা উল্লেখ করে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়। এতো সব অকাট্য প্রমান থাকার পরও আমার বাবার নাম মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় কেনো আসেনি তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ছেলে রবিউল। আমি গর্বিত যে আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। অথচ আমার এই গর্বের কথাটি ষড়যন্ত্রকারীরা উচ্চারণ করতে দিচ্ছে না।
তিনি জানান, আগামি ২৮ জানুয়ারি আশাশুনিতে মুক্তযোদ্ধা যাচাই বাছাই কমিটি বৈঠকে বসবে। এ কমিটির দৃষ্টি আকর্ষন করে তার ছেলে রবিউল ইসলাম বলেন একজন স্বীকৃত মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে আমার বাবা আবদুল গফুর এবার যেনো তালিকাভূক্ত হন।
সংবাদ সম্মেলনে রবিউল ইসলাম বলেন আমার বাবা যাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ জকরেছিলেন তাদের বেশিরভা মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি পেয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সম বাবর আলির লেখা বইয়ের ২৭৬-২৭৭৭ পাতায় আমার বাবা মুকিাতযোদ্ধা গফুর গাজির কৃতিত্ব নিয়ে অনেক কথাই লেখ রয়েছে। তিনি প্রথমে দরগাহপুর ও পরে কাদাকাটি ইউনিয়ন কমান্ডারর দায়িত্বও পালন করেন। অথচ কোন অদৃশ্য শক্তির  ষড়যন্ত্রের বলে পর পর তিনটি ব্ছাাই কমিটির প্রতিবেদনে তিনি স্থান পেলেন না তা বুঝা মুশকিল। অথচ ‘দেশ ও জনগণের অতন্দ্র প্রহরী ’ কেন্দ্রীয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য তালিকায় আমার বাবার নাম ছিল।
রবিউল ইসলাম বলেন, আমার বাবাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেওয়া হোক। আর আমি যেনো নিজের নামের কাছে লিখতে পারি যে আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা ২৫ র সন্তান। বৃহস্পতিবার দুপুরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মো. ইয়াকুব আলি সানা, মো. শরিফুজ্জামান ও শেখ আতিকুল ইসলাম।

তালায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ব্যবসায়ীর ৫হাজার টাকা জরিমানা

তালা (সদর) প্রতিনিধি: অব্যবস্থাপনায় সার বিক্রয়ের অভিযোগে তালায় তয়েজউদ্দীন (৪৪) নামে এক ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারী) সকালে এই আদেশ দেন তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. ফরিদ হোসেন।
তালা থানার উপসহকারী পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) শফিউজ্জামান মোহন জানান, তালা উপজেলার কলিয়া গ্রামে মৃত দায়েম আলী শেখের পুত্র তয়েজউদ্দীন তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অব্যস্থাপনায় সার-কীটনাশক বিক্রয় করে আসছিলেন। গত বুধবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তালা থানা পুলিশ তাকে আটক করে। বৃহস্পতিবার সকালে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করলে তাকে ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা আইনের ৬/৮ ধারায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে। তালা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান হাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

শ্যামনগরে সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার

শ্যামনগর (সদর) প্রতিনিধি: গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দীর্ঘদিন পলাতক সাজাপ্রাপ্ত এক আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে শ্যামনগর থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেন- পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক রুবেল। সে গড় কুমারপুর গ্রামে এন্তাজ গাইনের ছেলে। শ্যামনগর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সি আর ১৫৪/০২ নং মামলায় ২ মাস সাজাপ্রাপ্ত আসামী খোকন গাইনকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।