জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের ধুলিহরের সেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৭ ||

পত্রদূত রিপোর্ট: সদর উপজেলার ধুলিহর সাহেববাড়ি মোড় এলাকায় গত রবিবার ধুলিহর ইউনিয়ন যুবলীগ কর্তৃক জোরপূর্বক জমি ও ঘর দখলের  জায়গা মঙ্গলবার রাতে সরোজমিনে পরিদর্শন করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম। এসময় তিনি উপস্থিত লোকজনের কাছে  প্রকৃত ঘটনা অবগত হয়ে তাৎক্ষণিক দলীয় সকল ব্যানার, ফেষ্টুন ও সাইনবোর্ড অপসারণের নির্দেশ দেন।  এছাড়া ওই জমি ও ঘরে কেউ যাতে অবস্থান করতে না পারে ও এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্থানীয় ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জকেও তিনি কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। অপরদিকে বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তি করতে ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম, ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান (বাবু সানা), ব্রহ্মরাজপুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রশিদ সরদার ও সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুছ ছালামের উপর দায়িত্ব দিয়েছেন। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম শওকাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, পৌর আ‘লীগের সভাপতি আবু সাঈদ, সদর থানা আ‘লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক গণেষ চন্দ্র মন্ডল, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক স. ম জালাল উদ্দীন, সদর থানা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাবু সহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য, গত রবিবার ব্রহ্মরাজপুর ইউপি মেম্বর ও ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম মিঠুর বড় ভাই ব্রহ্মরাজপুর বাজারের হোটেল ব্যবসায়ী মো. আব্দুস সেলিম সাহেব বাড়ি মোড় এলাকার সন্তোষ দাসের পুত্র মোহন দাসের নিকট থেকে তার চল্লিশ বছরের ভোগ দখলীয় বসবাসকৃত ঘর-বাড়ি ও ক তফসিলভুক্ত জমির দখল (যা হস্তান্তরযোগ্য নয়) স্বত্ত্ব লিখিতভাবে হস্তান্তর করে নেয়। এ খবর জানতে পেরে আব্দুস সেলিম দখল বুঝে নেওয়ার আগেই ধুলিহর ইউনিয়নের যুবকরা তাদেরকে বের করে দিয়ে দখলে নেয়। এরপর সেখানে তারা দলীয় ব্যানার, ফেষ্টুন ও সাইনবোর্ড টানিয়ে ধুলিহর ইউনিয়ন যুবলীগের কার্যালয় বানানোর চেষ্টা করে।  কার্যালয় বানিয়ে রাতভর সেখানে পিকনিকও করা হয়। এসব বিষয় নিয়ে ভূক্তভোগী সেলিম ও সন্তোষ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের নিকট মৌখিকভাবে অভিযোগ করলে তিনি তাদেরকে সুষ্ঠুভাবে সমাধানের আশ্বাস দেন। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম সরেজমিন পরিদর্শন করে নিজে সব কিছু জেনে সঠিক  সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তার এ সিদ্ধান্তকে সাতক্ষীরার সকল শ্রেণিপেশার মানুষ সাধুবাদ জানিয়েছেন।