নারানজোল জহুরুল মাস্টারের বাড়ি দিনের বেলায় চুরি

আগরদাড়ি প্রতিনিধি: মঙ্গলবার দিনের বেলায় বাড়ির গ্রীল ভেঙ্গে সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় নারানজোল বাজারের পূর্ব পাশে মাস্টার মো. জহুরুল কবিরের বাড়ি হতে চুরি হয়। স্বামী-স্ত্রী উভয় পেশায় শিক্ষক হওয়ায় মাদ্রাসায় গেলে বাড়ির গ্রীল ভেঙ্গে ৯ভরি ওজনের স্বর্ণলংকার নিয়ে যায় চোরেরা। এছাড়া নগদ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। চুরির ঘটনায় অভিযোগ করলে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।

আজ শুরু নলতা শরীফে পীর কেবলার ৫৩তম বার্ষিক ওরছ শরীফ

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, শিক্ষা ও সমাজ সংস্কারক, শতাধিক গ্রন্থের রচয়িতা, বিশিষ্ট দার্শনিক, সাহিত্যিক, অসাম্প্রদায়িক চেতনার অধিকারী,  নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনসহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা, সুফী-সাধক, পীরে কামেল সুলতানুল আউলিয়া কুতুবুল আকতাব গওছে জামান আরেফ বিল্লাহ হজরত শাহ্ছুফী আলহাজ্জ খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) এঁর ৫৩ তম বার্ষিক ওরছ শরীফ যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা শরীফে আজ থেকে শুরু হচ্ছে।
নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের সার্বিক ব্যস্থাপনায় এবং পাক রওজা শরীফের শ্রদ্ধেয় খাদেম ও পবিত্র ওরছ শরীফ উদ্যাপন কমিটির আহবায়ক আলহাজ্জ মৌলভী আনছার উদ্দিন আহমদ’র বিশেষ দিক নির্দেশনায় অন্যান্য বছরের ধারা অব্যাহত রেখে এবছর ৮, ৯, ১০ ফ্রেব্রুয়ারি এবং ২৬, ২৭, ২৮ মাঘ রোজ বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবার তিনদিন ব্যাপী বার্ষিক ওরছ শরীফ সফল করার জন্য কেন্দ্রীয় আহছানিয়া মিশনের সভাপতি আলহাজ্জ মুহাম্মদ সেলিমউল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্জ  আব্দুল মজিদ, যুগ্ম-সম্পাদক আলহাজ্জ সাইদুর রহমান শিক্ষক, সহ-সম্পাদক আলহাজ্জ চৌধুরী আমজাদ হোসেন, মালেকুজ্জামান, কোষাধ্যক্ষ আলহাজ্জ মোহাম্মদ ইউনুছ, কর্মকর্তা আলহাজ্জ ডা. আকবর হোসেন, আবুল ফজল শিক্ষক, আলহাজ্জ এনামুল হক খোকন, শফিকুল আনোয়ার রঞ্জু, আলহাজ্জ ডা. আবুল কাশেম. শফিকুল হুদা, ডা. নজরুল ইসলাম, আনছার আলী, খায়রুল হাসান, মোহাসিন হালদার, আলহাজ্জ  মুজিবর রহমান, আলহাজ্জ একরামুল রেজা, রবিউল হকসহ নির্বাহী কমিটির কর্মকর্তারা বিভিন্ন কর্মসূচি।
আর উক্ত তিন দিন ব্যাপী বার্ষিক ওরছ শরীফে প্রতিদিন ভোর থেকে সারাদিন ব্যাপী পাক রওজা শরীফে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পাশাপাশি মাহফিল মাঠে যে সমস্ত প্রখ্যাত আলেম পবিত্র কোরআন ও হাদীসের আলোকে নবী, রসুল ও ওলি-আউলিয়াদের জীবন দর্শন সম্পর্কে আলোচনা রাখতে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন তারা হলেন- অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ক্বারী হাফেজ মাওলানা সাইদুল ইসলাম আসাদ (আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পুরস্কারপ্রাপ্ত, প্রিন্সিপাল, মাদ্রাসা-ই-নূরে মদীনা, রায়েরবাগ, ঢাকা)।
২৬ মাঘ, ৮ ফেব্রুয়ারি বুধবার হজরত মাওলানা আল্লামা আলহাজ্জ আবু ছুফিয়ান খান আবেদী আল কাদেরী (আন্তর্জাতিক ও সকল দেশে ইসলঅম প্রচারক, আওলাদে অলি, খলিফায়ে গাওছুল আযম বাগদাদ শরীফ (ইরাক),চাঁদপুর, বাংলাদেশ), আলহাজ্জ মুফতী মুহাম্মদ নাজমুস সায়াদাত ফয়েজী (খতিব, মসজিদ-এ-বেলাল (রা.), আরবী প্রভাষক-কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদরাসা, মোহাম্মদপুর,ঢাকা), আলহাজ্জ হজরত মাওলানা মুফতী মো. আব্দুল মজিদ (পিরোজপুরী) খতিব, হবিগঞ্জ কেন্দ্রীয় সুন্নী জামে মসজিদ, হবিগঞ্জ), আলহাজ্জ মাওলানা মো. আবু সাঈদ রংপুরী (মুফাস্সির ও মুহাদ্দিস, খতিব-নলতা শরীফ শাহী জামে মসজিদ)।
২৭ মাঘ, ৯ ফেব্রুয়ারি বৃহষ্পতিবার হাফেজ মাওলানা মোখলেছুর রহমান বাঙ্গালী (আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, কুষ্টিয়া), মাওলানা মো. মফিজুর রহমান খোকা ভাই (আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বক্তা, ভারত), মুফতি শাইখ মোহাম্মাদ উসমান গনী (সহকারী অধ্যাপক, আহ্ছানিয়া ইনস্টিটিউট অব সুফীজম, ঢাকা), মুফতী মাওলানা মো. আলমগীর হুসাইন সাইফী (খতিব, বায়তুল আমান জামে মসজিদ, হবিগঞ্জ)।
২৮ মাঘ, ১০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকাল ৯ টায় আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে তিনদিন ব্যাপি পীর কেবলা হজরত খানবাহাদুর আহছানউল্লা (র.) এঁর ৫৩তম বার্ষিক ওরছ শরীফের পরিসমাপ্তি ঘটবে।

কলারোয়ায় আরাফাত হোসেনের দলীয় মনোনয়নে আনন্দ মিছিল

কলারোয়া প্রতিনিধি: আগামী ৬মার্চ অনুষ্ঠেয় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের উপ-নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন লাভ করেছেন জেলা আ’লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আরাফাত হোসেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন এ মনোনয়ন লাভের সত্যতা নিশ্চিত করেন। দলীয় মনোনয়ন লাভ করার পর পরই মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে কলারোয়া পৌর শহরে আরাফাত হোসেনের সমর্থনে আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি কলারোয়া পৌর সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে রূপালী ব্যাংকের সামনে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন দলীয় মনোনীত প্রার্থী আ’লীগ নেতা আরাফাত হোসেন, পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক সহিদুল ইসলাম, পৌরসভার প্যানেল মেয়র প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান বুলবুল, পৌর কাউন্সিলর এসএম মফিজুল ইসলাম, আকিমুদ্দীন আকি, মেজবাউদ্দীন নিলু, জাহাঙ্গীর হোসেন, প্রভাষক আরিজুল ইসলাম, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান তুহিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মুন্না প্রমুখ।

কেশবপুর সড়ক দুর্ঘটনায় ১জন নিহত: আহত ৩

যশোর প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মারাত্মকভাবে আহত হয়েছে তিনজন। স্থানীয় মেম্বর গৌতম রায় ও হাসপাতাল সুত্রে জানা গেছে, চুকনগর থেকে ছেড়ে আসা একটি আলমসাধু টমেটো বোঝাই করে সোমবার সন্ধ্যার দিকে মনছুর আলি, শফিকুর, সালাম কফিল মনিরামপুরের উদ্দেশ্যে আসছিলো। পথিমধ্যে মঙ্গলকোট বাজারের আশ্রয়ন প্রকল্পের নিকট পৌঁছালে আলমসাধুর চাকা ব্লাস্ট হয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে একটি গাছের সাথে ধাক্কা লাগে। ঘটনাস্থলে আলমসাধুর ড্রাইভার মনিরামপুর উপজেলার হাসাডাঙ্গা গ্রামের মুনসুর আলীর পুত্র আলতাপ হোসেন (৪০) মারা যায়। মারাত্মক আহত অবস্থায় আলমসাধুর অপর তিনজন যাত্রীকে তাৎক্ষণিক কেশবপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের অবস্থা আশংকা জনক বলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান।

প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার গাইডার মফেজ উদ্দীনের মনের আকুতি

পত্রদূত ডেস্ক: আমি দেশের জন্য জীবন বাজী রেখেও মুক্তিযোদ্ধা হতে পারলাম না। একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার গাইডার এর রাস্তায় দিনাতিপাত দেখলে সত্যিই হৃদয় বিদারক মনে হয়। আশাশুনি থানার আদালতপুরের মৃত মেছের আলী সানার পুত্র মফেজ উদ্দীন সানা (৮৪) মফেজ উদ্দীন সানা একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার গাইডার হওয়া স্বত্ত্বেও তিনি অজগ্রামে বসবাস করার কারণে এবং পদ্ধতি না জানার কারণে আজও মুক্তিযোদ্ধা হতে পারেন নি। ১৯৩৩ সালে জন্ম গ্রহণ করে। ৮৪ বছর বয়স্ক এই মফেজ উদ্দীন বর্তমানে প্রভাব শালীদের অত্যাচারে অতিষ্ঠিত হয়ে সর্বোস্ব হারিয়ে রাস্তার পাশে কুড়ি ঘর বেধে বসবাস করেন। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা অসংখ্য হত দারিদ্র মানুষকে ভাতা দিয়ে তাদের জীবন স্বচ্ছল করলেও মুক্তিযোদ্ধার থলে বকচা বহনকারী আশাশুনি আদালতপুরের মফেজ উদ্দীন আজও কোন ভাতা বা কোন সরকারী সহযোগীতা পাননি। তার অনলাইনের আবেদন অনুসারে তিনি ১৯৭১ সালে আগস্ট মাসে কাজল নগর, হিতাইল বুনিয়া ৩০৩ রাইফেল ও গ্রেণেড বহন করত। মফেজ উদ্দীনের ভাষ্য অনুযায়ী তিনি আশাশুনি এবং চালনায় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে স্বক্রিয় ভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করেছেন। তিনি আরও বলেন, যুদ্ধকালীন সময় আমার অধিনায়ক ছিলেন, লে. কর্ণেল আলম সাহেব এবং মোকছেদ আলী। তিনি ৯ নং সেক্টরে মেজর এম.এ জলিলের আন্ডারে কাজ করতেন। নাম প্রকাশ না করার স্বত্ত্বে একজন মুক্তিযোদ্ধা বলেন, মফেজ উদ্দীন মুক্তিযোদ্ধাদের গাইডার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গাইডারদের একটি ভুলের কারণে ঐ প্লাটুনের সকল মুক্তিফৌজের মৃত্যু হতে পারে জীবনের ঝুকি নিয়ে তিনি মুক্তিফৌজদের সমস্ত দায়-দায়িত্ব পালন করেছেন অথচ আজও রাস্তার পরে অতি কষ্টে আধাপেটা খেয়ে না খেয়ে দিন অতিবাহিত করে যাচ্ছেন। এটা সত্যিই একটা দেশের জন্য অভিশাপ। জাতির জনকের ভাস্য ছিল সকল মুক্তিযোদ্ধাকে যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শন করা। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধার এই গাইডার মফেজ উদ্দীন আজও মুক্তিযোদ্ধা হতে পারলেন না। এব্যাপারে লাল তালিকার মুক্তিযোদ্ধা গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের মৃত মোন্তাজ উদ্দীন গাজীর পুত্র জি.এম আব্দুল গণির কাছে জনম দুঃখী এই মুক্তিযোদ্ধার গাইডার মফেজ উদ্দীন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি মিডিয়া কর্মীদের বলেন, আমি জানি ১৯৭১ সালে আশাশুনি ও চালনায় মুক্তিযোদ্ধার গাইডার হিসাবে তিনি আমাদের সাথে থেকে অনেক দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ত্যাগ স্বীকার করেছেন এবস কথা বলে তিনি লিখিত অঙ্গীকার দিয়েছেন। যার মুক্তিযোদ্ধা কার্ড নং-৪১০। এ ব্যাপারে আশাশুনি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হান্নান সাহেবের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি বলেন, মফেজ উদ্দীন আমার আত্মীয় এ বারের বাছাই পর্ব হয়ে গেলে আমি নিজেই ঢাকা যেয়ে তাকে মুক্তিযোদ্ধা করে আনব এব্যাপারে একটি আবেদন পত্র লিখে আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জমা দেওয়া আছে। আশাশুনি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হান্নান সহানুভুতির দৃষ্টিতে তাকালে মফেজ উদ্দিন মুক্তিযোদ্ধা হতে পারতেন। অসহায় মফেজ উদ্দীন এ ব্যাপারে উর্দ্ধতনও কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আলিপুরে আগুনে পুড়ে ছাঁই হলো দুটি দোকান

আলিপুর প্রতিনিধি: সদর উপজেলার আলিপুর বাজারখোলায় মঙ্গলবার গভীর রাতে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে একটি হার্ডওয়ার ও একটি ভ্যারাইটিজ স্টোর পুড়ে ছাঁই হয়েছে। এতে ১৫ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ক্ষতি সাধন হয়েছে বলে জানান মালিকরা।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদাররা জানান, সোমবার দিনগত রাত ১টায় কে বা কারা আলিপুর বাজারখোলার মেসার্স সিদ্দিক হার্ডওয়ার ও মেসার্স বুলু ফল ভ্যারাইটিজ স্টোরে আগুন লাগিয়ে দেয়। প্রায় ১ ঘন্টা পর নাইটগার্ড দেখতে পেয়ে দোকান দুটির সত্তাধিকারী সিদ্দিক ও হুমাউন কবির ডেকে নিয়ে আসে। ঘটনাস্থলে এসে তারা ফায়ার ব্রিগেডে খবর দিলে বাহিনী এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে দেরি হওয়ায় দুটি দোকানই পুড়ে সিদ্দিক হার্ডওয়ারে থাকা উন্নতমানের সামগ্রী ছাই হয়ে প্রায় ১৩লক্ষ টাকা ও বুলু ভ্যারাইটিজে মালামাল, ফ্রিজ, হিসাবখাতা পুড়ে ২লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি সাধন হয়। ক্ষতিগ্রস্তরা আরো জানান, আমরা  আশা সমিতি, সোনালী ব্যাংক, টিএমএসএস, ব্র্যাক সমিতি, আলিপুর বাজার সমিতিসহ একাধিক সমিতি থেকে ঋণ নিয়ে দোকান করেছিলাম। এখন কিভাবে ঋণ শোধ করব? এ অবস্থায় উক্ত দোকানদাররা হতাশায় কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে।

নবাগত জেলা শিক্ষা অফিসারের সাথে সদর ও আশাশুনি উপজেলা শিক্ষক সমিতির ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়

নিজস্ব প্রতিনিধি: নবাগত সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসার মো. ফরিদুল ইসলামের সাথে ফুলেল শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেছেন সদর উপজেলা ও আশাশুনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ। মঙ্গলবার বিকেলে জেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে শিক্ষক নেতারা এ শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেন।
জেলা শিক্ষা অফিসার মো. ফরিদুল ইসলাম এসময় শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম পরিচালনা ও প্রশ্নপত্র প্রণয়নের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ডিজিটাল কন্টেন্টের মাধ্যমে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম পরিচালনা করে কঠিন বিষয়কে সহজবোধ্য করে উপস্থাপন করতে হবে। একইসাথে শিক্ষকদের প্রশ্নপত্র প্রণয়নে দক্ষ হতে হবে। নোট গাইড একবারেই পরিহার করে সৃজনশীল শিক্ষা পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। শিক্ষকদের ইনহাউস ট্রেনিং দিতে হবে। এজন্য সকলকে একসাথে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. রেজাউল করিম, সাধারণ সম্পাদক বিএম শামছুল হক, সহ-সভাপতি আমিনুর রহমান, আব্দুল জব্বার, মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মনোরঞ্জন মন্ডল, সফিকুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক এমাদুল ইসলাম দুলু, শাহাজান আলী, ফিরোজউদ্দীন, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল্লাহ, আশরাফুর রহমান, জাহিদ হাসান, এসএম শহীদুল ইসলাম প্রমুখ। অপরদিকে আশাশুনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি নীলকন্ঠ সোম, প্রধান শিক্ষক পরিমল কুমার দাশ, গোলাম কিবরিয়া, বুদ্ধদেব সরকার, এসএম আবু ছালেক, দেবব্রত রায় প্রমুখ। এছাড়া সহকারি জেলা শিক্ষা অফিসরার অলোক কুমার তালুকদার, গবেষণা কর্মকর্তা ইমরান হোসেন, সহকারি পরিদর্শক রাকিবা ইয়াসমীন, নূরুজ্জামান, আইয়ূব হোসেন ও মাহমুদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. রেজাউল করিম ও সাধারণ সম্পাদক বিএম শামছুল হক শিক্ষকদের কল্যাণে ও সমিতির উন্নয়নে বেশ কিছু সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। আশাশুনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি নীলকন্ঠ সোম বলেন, জেলা শহরে একজন দালাল আছে, যার কোনো লাইব্রেরী নেই। সেই দালাল শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মনগড়া অভিযোগ তুলে চাঁদাবাজি করে। তিনি চিহ্নিত এ দালাল সম্পর্কে সতর্ক থাকার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

আশাশুনির নবাগত ওসিকে পূজা উদযাপন পরিষদের সংবর্ধনা

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনিতে নবাগত থানা অফিসার ইনচার্জকে সংবর্ধনা প্রদান করেছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ। সোমবার সকালে পরিষদের উপজেলা শাখার আয়োজনে বাজার কালীমন্দির প্রাঙ্গনে থানা অফিসার ইনচার্জ শাহিদুল ইসলাম শাহিনকে সংবর্ধনা সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিষদের সভাপতি নীলকন্ঠ সোম। সভায় সংবর্ধিত প্রধান অতিথি বলেন, সমাজের সচেতন মহল মাদক, সন্ত্রাস, দালাল নির্মুলে এগিয়ে না আসলে দুষ্কৃতিকারিরাই সমাজে প্রভাব সৃষ্টি করবে। মাদকাসক্ত, সন্ত্রাস ও দালালমুক্ত আশাশুনি উপজেলা গড়তে সঠিক তথ্য দিয়ে পুলিশ প্রশাসনকে সহযোগীতা করতে সুধীমহলের প্রতি আহবান জানান। পরিষদের সম্পাদক রনজিৎ বৈদ্যের উপস্থাপনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কাদাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান দীপঙ্কর সরকার দিপ, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক সুবোধ চক্রবর্তী, এসআই শোয়েব, পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক হিরুলাল বিশ্বাস, পরিষদ নেতা সমীরন বিশ্বাস, অনন্ত বৈরাগী, দীপন মন্ডল, বরুন মন্ডল, কৃষ্ণপদ মন্ডল, কাশীনাথ মন্ডল প্রমুখ। সভায় বাংলাদেশ আ’লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও সংবিধান প্রণেতা কমিটির সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এমপি’র মৃত্যুতে তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

কারাগার পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক ও উপজেলা চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিনিধি: জেলা প্রশাসক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জেলা কারাগার পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন ও উপজেলা চেয়ারম্যান আছাদুজ্জামান বাবু কারাগারের ভিতরে প্রবেশ করেন। জেলা কারাগারের সুপার মো. আবু জাহেদ ও জেলার তুহিন কান্তি জানান, মঙ্গলবার জেলা প্রশাসক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কারাগার পরিদর্শন করেছেন। জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে কারাগারের ক্যান্টিন, হাজতি ও কয়েদিদের কক্ষে যান। কারাগারের খাওয়া, থাকা, বাথরুমসহ বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজ খবর নেন। কারাগারের কার্যক্রম ও পরিবেশ দেখে তারা সন্তোস প্রকাশ করেন। দুই কর্মকর্তা জানান, ২০১৬ সালে জেলের কার্যক্রম, পরিবেশ ও দুর্নীতিমুক্তসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফলতা দেখন। এ কারণে বাংলাদেশের মধ্যে শ্রেষ্ঠ জেল হিসেবে নির্বাচিত হয়ে পুরস্কার লাভ করেন।
জেল থেকে মুক্তি পাওয়া হাজতি আব্দুল কাদের, মুজিদ জানান, আমরা শুনেছি জেলের ভিতরে অনেক কষ্ট করতে হয়। কিন্তু বর্তমান জেল খানার ভিতরে কোন কষ্ট নেই বললেই চলে। থাকা ও খাওয়ার কোন কষ্ট নেই। বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়া জেলাখানার ভিতরে দুই কর্মকর্তা জেল খানায় ভিতরে সকল সময় হাজতি ও কয়েদিদের খোজখবর নেন। লাইনে দাড় করিয়ে কোন অভিযোগ আছে কিনা জানতে চান। এছাড়া ভিতরে বিভিন্ন ধরণের হাতের কাজ করা হয়। সেখান থেকে টাকা দেওয়া হয়। ওই টাকা বাড়িতে পাঠানো হয়। বর্তমান জেলখানা এখন আর আগের মত নেই।

পাটকেলঘাটার চাঞ্চল্যকর মহাদেব হত্যা ও বিস্ফোরক মামলা ৮ বছর পর বিএনপি নেতা নুর আহমদ, জনযুদ্ধ ক্যাডার শিব সরকারসহ ৪ জন গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটার চাঞ্চল্যকর মহাদেব সরকার হত্যা মামলায় আট বছর পর গ্রেপ্তার হয়েছে হত্যা পরিকল্পনাকারী বিএনপি নেতা নূর আহমদ, শিবপদ সরকারসহ ৪ জন। মঙ্গলবার আসামীরা সাতক্ষীরা জুডিশিয়াল আদালতে জামিনের আবেদন করলে আদালতের বিচারক মহিবুল হাসান তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জের হাজতে পাঠিয়ে দেন।
আসামীদের মধ্যে নূর আহমদ শেখ খলিষখালী ইউনিয়ন বিএনপি‘র সভাপতি ও শিবপদ সরকার উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও জনযুদ্ধে ক্যাডার। তাদের বিরুদ্ধে তালা উপজেলা বিএনপি সভাপতি এবিএম আলতাফ হোসেন হত্যা, গোঁরাচাদ হত্যা মামলা, বোমা হামলা, নাশকতা, চাঁদাবাজী, বিস্ফোরক আইনের মামলাসহ ৭টি মামলা রয়েছে। সব মামলারই তারা চার্জশীটভুক্ত আসামী। পাটকেলঘাটার খলিষখালী ইউনিয়নের দক্ষিঞ্চলের ভয়ংকর ত্রাস শিবপদ সরকার নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী দলের নিয়ন্ত্রণ করায় বহু পরিবার ভয়ে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে গেছে।
মামলা সুত্র জানায়, ২০০৮ সালের ১৪ এপ্রিল রাত আটটার দিকে বোমা হামলা চালিয়ে সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটার দুর্গাপুর গাছা গ্রামের মহাদেব সরকার (২৮) কে হত্যা করা হয়। মৎস্য ঘেরের বাসায় বোমা মেরে শিবপদ সরকার তার সন্ত্রাসী বাহিনীর মহাদেব সরকার কে হত্যা করে। মহাদেব সরকার পাটকেলঘাটা থানার দুর্গাপুর গ্রামের বাসুদেব সরকারের ছেলে। একমাত্র আপন চাচাতো ভাই মহাদেব সরকারের এর ৪০ বিঘারও বেশি সম্পদ নিজের দখলে নিতে এ হত্যার ঘটনা ঘটানো হয়।
এদিকে হত্যার রাতেই শিবপদ সরকার নিজে বাদী হয়ে আওয়ামী লীগ নেতা গনেশ বর্মন, পঙ্কজ রায়, সাবেক চেয়ারম্যান প্রভাষক সাবির হোসেন, যুবলীগ নেতা খলিলুর রহমান, অজয়  কুমার সরকারসহ ৭ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলা দায়েরের মুহূর্তেই নুর আহম্মদ ও শিবপদ সরকার এলাকার হিন্দুদের প্রায় শতাধিক বিঘা মৎস্য ঘের দখল করে নেয় এবং বহু মানুষকে মামলার ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করে।
পুলিশ ঘটনার রাতেই বিএনপি নেতা শিবপদ সরকারের ভাগ্নে মৃত্যুঞ্জয় মন্ডল, ঘেরের কর্মচারী উত্তম দাস ও তারক রায়কে গ্রেপ্তার করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে সে সময় বেরিয়ে আসে মহাদেব সরকার হত্যার মূল রহস্য। আদালতে হত্যা কান্ডের বিষয়ে স্বিকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় গ্রেপ্তারকৃত আসামী শিবপদ সরকারের ঘেরের কর্মচারী উত্তম দাশ। আসামী উত্তম দাসের বাড়ি আশাশুনি উপজেলার রামদেবকাটি গ্রামে।
পরে পাটকেলঘাটা থানার তৎকালিন ওসি কাজী দাউদ হোসেন তদন্ত শেষে ২০০৯ সালের ২১ ডিসেম্বর আদালতে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলার চাজর্শীট দাখিল করেন। একই সাথে এজাহার নামীয় আসামীদের মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে মামলার বাদী বিএনপি নেতা নিহতের আপন চাচাতো ভাই শিবপদ সরকার, নূর আহম্মদ শেখ, জাহাঙ্গীর সরদার, জনযুদ্ধের ক্যাডার বিমল বাছাড়, তুরফান সরদার, মৃত্যুঞ্জয় মন্ডল, তারক রায়, উত্তম দাসকে আসামী করা হয়।
সুত্র জানান, জনযুদ্ধ ক্যাডার শিব সরকার নিজেকে রক্ষা করতে আদালতে নারাজি পিটিশন দাখিল করে। পরে সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে সরকারী কৌশলী (পিপি) এসএম হায়দার আলী চার্জশীট বহালের দাবীতে আবেদন করেন। আদালত পরবর্তীতে দীর্ঘ শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ আদালত নি¤œ আদালতকে চার্জশীট গ্রহণের আদেশ দেন।
দীর্ঘদিন পালিতে থাকার পর আসামীরা মঙ্গলবার সাতক্ষীরা জুডিশিয়াল আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালতের বিচারক মহিবুল হাসান জামিন নামুঞ্জুর করে তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এদিকে স্থানীয় অনেকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মহাদেব সরকার হত্যা কে পুঁজি করে জনযুদ্ধ ক্যাডার শিব সরকার ও নুর আহমদ, কৃর্তিবাস রায় চৌধুরী, বিমল বাছাড় ও তাদের সাঙ্গপাঙ্গরা প্রতি রাতে পুলিশ নিয়ে গাছা, গোপালডাঙ্গা, কেশনগর গ্রাম সহ খলিষখালী একাধিক গ্রামে সাধারণ মানুষকে হত্যা মামলায় ঢুকানোর ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করেছে। তাদের অত্যাচারে পাটকেলঘাটা থানার গাছা গ্রামের দূর্গাপদ রায়, কার্তিক রায়, তারাপদ রায়, হৃদয় মন্ডল, গোপালডাঙ্গা গ্রামের গৌতম সরকার, মাধবেন্দ্র সরকার, কেশনগর গ্রামের পরিতোষ সরকার, বিশ^জিৎ সরকার, জগদিশ সরকারসহ অর্ধশত পরিবার দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যায়।
নিহত মিহাদেব সকারের বৃদ্ধ বাবা বাসুদেব সরকার দির্ঘদিন পরে হলেও আসামী যখন গ্রেপ্তার হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছে। তিনি জানান একমাত্র সন্তান হত্যার বিচার চেয়ে বিভিন্নস্থানে ধর্নাদিয়ে এক প্রকার তিনি বিচারের আশা ছেড়ে দিয়ে ছিলেন। এখন তিনি নতুন করে ছেলে হত্যার বিচার দাবী করে আসামীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছেন।

ইটের ভাটা গিলে খাচ্ছে বেতনার চর: জলাবদ্ধতায় নাকাল হয় দু’পাড়ের মানুষ

নিজস্ব প্রতিনিধি: এক সময়ের প্রমত্তা বেতনা নদী এখন সরু নর্দমা। বেতনা নদীর মাটি কেটে খানা খন্দে পরিণত করছে প্রভাবশালী মহল। বেতনার মাটি যাচ্ছে ইটের ভাটায়। সেখানে তৈরি হচ্ছে ইট। কাঁচা ইট পাকা করতে পোড়ানো হচ্ছে কাঠ। পরিবেশ হচ্ছে দূষিত। যার প্রভাব পড়ছে কৃষি ও পরিবেশের উপর। খেশারত দিচ্ছে কৃষকরা। জলাবদ্ধতায় নাকাল হচ্ছে বেতনা পাড়ের বাসিন্দারা। আলোচিত এ ঘটনা সাতক্ষীরা সদর উপজেলার-লাবসা ইউনিয়নের বিনেরপোতা এলাকা থেকে দক্ষিণে আশাশুনি পর্যন্ত।
এঘটনায় এলাকাবাসীর পক্ষে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন জেলা কৃষকলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও ব্রহ্মরাজপুর ইউপি সদস্য এসএম রেজাউল ইসলাম। জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দীন তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুর হোসেন সজলকে দায়িত্ব দিয়েছেন।
লিখিত অভিযোগ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা গেছে, কোনো প্রকার ডিসিআর ছাড়াই বেতনা নদীর ভরাট হওয়া চর দখল করে সেখানে প্রভাবমালী মহল গড়ে তুলেছে ইটের ভাটা। প্রত্যেকটি ইটের ভাটায় রয়েছে ৮০/৯০ বিঘা সরকারি সম্পত্তি। এমনই একটি ইটের ভাটার মালিক লিয়াকত হোসেন। বিনেরপোতার দক্ষিণে গোপিনাথপুর স্লুইস গেট সংলগ্ন এলাকায় বেতনা নদীর চর দখল করে গড়ে তুলেছেন ইটেরভাটা। এছাড়া শুকুর আলী নামক আরো একজন একইভাবে গড়ে তুলেছেন ইটের ভাটা। এভাবে বেতনার দুপাড় এখন ইট তৈরির কারখানায় পরিণত হয়েছে। এসব কারখানায় কাঁচা ইট পাকা করতে পোড়ানো হয় কাঠ। জীবন্ত গাছ কেটে কাঠ বানানো হয়। পরিবেশ অধিদপ্তর এসব দেখেও চোখে ঠুসি লাগিয়ে রাখে। ইটের ভাটার জমি পাওবো’র হলেও তারা টাকা নিয়ে মৌখিক অর্ডার দিয়েছে। ফলে বেতনা নদী অস্তিত্ব সংকটে। প্রতিবছর বর্ষা এলেই বেতনার দু’কুল ভেসে যায় বানের জলে। ঘরবাড়ি ছেড়ে শরণার্থীর মতো মানুষ চলে যায় উঁচু বেড়ি বাঁধের উপর। বেড়িবাঁধের উপর পাটকাঠির বেড়ায় তৈরি ঘরে ঠিকানা হয় বেতনা পাড়ের মানুষের। ফসল হারা কৃষকের বুক ফাটে বোবা কান্নায়। বিরান ভূমিতে পরিণত হয় বেতনার দু’কুল। কাঠ পোড়ানোর ফলে ফসলি জমি হারায় উর্বরতা। এভাবে প্রভাবশালী মহলের কালো থাবায় বেতনার বুক ক্ষত-বিক্ষত। এলাকাবাসি জানায়, দিন আসে, দিন যায়। বদলায় অনেক কিছু। শুধু বদলায় না বেতনাপাড়ের মানুষের ভাগ্য। বেতনা পাড়ের অসহায় মানুষের বোবা কান্না পৌছায় না প্রশাসনের কানে। শুষ্ক মৌসুম এলেই প্রভাবশালীরা নামে চর দখলের প্রতিযোগিতায়। এতে করে গরিব-অসহায় কৃষকরা হারায় ফসল ও মাছ। প্রতিবাদ করলে নেমে আসে নির্যাতনের খড়গ। মিথ্যা মামলা দিয়ে করা হয় হয়রানি। তাই তারা নাম পরিচয় দিয়ে মুখ খুলতে চায় না। এলাকাবাসি এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসকের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আশাশুনির বাওচাষ প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করলেন ইউনিসেফ প্রতিনিধি দল

নিজস্ব প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নের বাওচাষ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে বিদ্যালয় ভিত্তিক চাইল্ড ফ্রেন্ডলি স্কুল কর্যক্রম পরিদর্শন করলেন ইউনিসেফ’র রিজিওনাল এডুকেশন এডভাইজার উর্মিলা সরকার। এ সময় তার সাথে ছিলেন সেকশন চিপ পাওয়ান কুচিতা, এডুকেশন স্পেশালিস্ট মো. মহাসিন, বিভাগীয় প্রধান মো. কফিল উদ্দিন ও শিক্ষা কর্মকর্তা মো. তানভীরুল ইসলাম।
প্রতিনিধি দলটি ইউনিসেফের আর্থিক সহযোগীতায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্কুলের প্রাচীর নির্মান শিক্ষার্থীদের ইউনিফমসহ স্কুলের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
স্কুলের শিক্ষার্থীরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন এবং ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি নাটক পরিবেশন করেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা তাদের হাত ধোয়ার কৌশল, ওজন নির্নয়, স্কুলের গাছ-গাছালি ও বৃক্ষা রোপন ও তার সঠিক পরিচর্চা প্রদর্শন করে। স্কুলের পরিবেশ সার্বিক পরিবেশ দেখে ইউনিসেফ প্রতিনিধি দলটি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
পরে প্রতিনিধি দলটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক সন্তোষ কুমার দাশ, শিক্ষক সোমারানী দাশ, সাবিনা সুলতানা, সুমিত চৌধুরী, রামপ্রসাদ বাছাড়, রেবতী সানা, সাহজান শামিম, লুবনা ইয়াসমিন, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল জলিল, সদস্য মানিক চন্দ্র বাছাড়, সাজ্জাত হোসেন, আলাউদ্দীন সরদার, প্রভাষক শেখ হেদায়েতুল ইসলামসহ শিক্ষক ও অভিভাবকদের সাথে মতবিনিময় করেন।

বাংলা ইশারা ভাষা দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি: ‘ইশারা ভাষার উন্নয়নে সচেতন হব প্রতিজনে’ প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে জেলায় পালিত হলো বাংলা ইশারা ভাষা দিবস ২০১৭। জেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে নয়টায় শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক থেকে এ উপলক্ষে এক বর্নাঢ্য র‌্যালী বের হয়। র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা চত্বরে যেয়ে শেষ হয়। র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। র‌্যালি শেষে উপজেলা অডিটোরিয়ামে জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক দেবাশিস সরদারের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য দেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা তুলসী কুমার পাল, সুইড খাতিমুন্নেছা হানিফ লস্কর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম, ঋশিল্পীর প্রোগ্রাম ম্যানেজার শেখ বাবলু রহমান, সিডোর প্রধান নির্বাহী শ্যামল বিশ্বাস, শিক্ষিকা সোহেলি আক্তার প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুল, ঋশিল্পী এবং সিডো প্রতিবন্ধী স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের সমন্বয়ে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সমাজ সেবা অফিসার ইমদাদুল হক।

ঢালিউডের নায়ক-নায়িকাদের নামের আড়ালে নাম

বিনোদন ডেস্ক: রিতা নামের মেয়েটিকে কি চেনেন আপনি? কিংবা নিপাকে? মাসুদ রানা বা নূপুরটাই বা কে? চলচ্চিত্রজগতে অভিনয় করতে এসে অনেকের পরিবর্তন হয়ে যায় নিজের নাম। কেউ স্বেচ্ছায়, কেউ ইন্ডাস্ট্রির প্রয়োজনে। এমনই কয়েকজনের সত্যিকারের নাম আর পর্দার নাম নিয়ে আমাদের আজকের এই আয়োজন।
ইলিয়াস কাঞ্চনইদ্রিস থেকে ইলিয়াস কাঞ্চন
চলচ্চিত্র নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের বাবা-মায়ের রাখা নাম মোহাম্মদ ইদ্রিস। স্কুলে পড়ার সময় এক শিক্ষক তা পরিবর্তন করে রাখেন মোহাম্মদ ইলিয়াস। কিন্তু বিচক্ষণ এই অভিনেতা ওই সময়ই ভাবলেন বাবা-মায়ের দেওয়া নাম পরিবর্তন করা ঠিক হবে না। তাই পরিচয় দিতেন ইদ্রিস ইলিয়াস নামে। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরের ঘটনা। পাড়ার সৃজন সংঘ ক্লাব থেকে মঞ্চস্থ করা সুবচননির্বাসনেনাটকে অভিনয় করেছিলেন ইলিয়াস। ওই দিন নাটক দেখতে প্রধান অতিথি হিসেবে গিয়েছিলেন পরিচালক সুভাষ দত্ত। ইলিয়াসের অভিনয় দেখে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে একদিন দেখাও করতে বলেন স্বনামধন্য এই পরিচালক। দেখা করতে গেলে সুভাষ দত্ত চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন। রাজি হয়ে যান ইলিয়াস। গোল বাধে ‘ইদ্রিস ইলিয়াস’ নাম নিয়ে।
নাম পরিবর্তন প্রসঙ্গে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘ওই দিন সুভাষ দা বলেছিলেন, “সিনেমাতে এ নাম রাখা যাবে না। নামটি পরিবর্তন করতে হবে।” পরে একদিন গেলাম, তিনি আমাকে বললেন, “আজ থেকে তোমার নাম ইলিয়াস কাঞ্চন”।’ ওই নামেই ১৯৭৭ সালে প্রথম সুভাষ দত্তের বসুন্ধরা ছবিতে অভিনয় করেন। সেই থেকে তিনি ইলিয়াস কাঞ্চন হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।

 

 

আমিন খানআমিন খানের আড়ালে স্বপন
তাঁর ডাক নাম স্বপন। পুরো নাম আমিনুল ইসলাম। স্কুলের বন্ধুরা এখনো স্বপন বলেই ডাকেন। ১৯৯০ সালে বিএফডিসির নতুন মুখের সন্ধানে কার্যক্রমের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখেন স্বপন। প্রথম ছবি অবুঝদুটিমন। পরিচালক ছিলেন মোহাম্মদ হোসেন। আমিন খান বলেন, ছবির শুটিং শুরু হয় ১৯৯২ সালে। শুটিংয়ের আগে আগে ১৯৯১ সালের শেষদিকে পরিচালক কয়েকজন সাংবাদিককে নিয়ে নতুন নাম দেওয়ার জন্য একটি রেস্তোরাঁয় বসেন। আমিন খান বলেন, ‘অনেক নাম থেকে বাছাই করে সাংবাদিকেরাই এই নামটি দিয়েছিলেন।’

 

 

 

শাবনূর নামটি পরিচালক এহতেশামের দেওয়া

পুরো নাম শারমিন নাহিদ নূপুর। সিনেমায় আসার আগে তাঁর নাম ছিল ‘নূপুর’। চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে এসেই একসময় শাবনূর হয়ে গেলেন তিনি। ১৯৯৩ সালের কথা। ওই বছর চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় শাবনূরের। প্রথম ছবি চাঁদনীরাতে। ছবিটির পরিচালক ছিলেন এহতেশাম। ওই ছবিতে অভিনয় শুরু করার আগেই নূপুর নামটি পরিবর্তন করে দেন পরিচালক। রাখা হয় শাবনূর। সেই থেকে শাবনূর নামেই পরিচিত তিনি।

শাকিব খানপরিবারের সবার কাছে মাসুদ রানা

পরিবারের কাছে তিনি এখনো মাসুদ রানা। এই নামেই ডাকেন বাবা-মাসহ সবাই। কিন্তু এই ‘মাসুদ রানা’র দেশজুড়ে থাকা অনেক ভক্তই জানেন না তিনি ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খান। দর্শক ও ভক্তের মনে ঠাঁই করে নিয়েছেন শাকিব খান নামেই।
নামের পরিবর্তন কীভাবে হলো? ১৯৯৯ প্রথম ছবি অনন্তভালোবাসায় অভিনয় করতে গিয়ে তাঁর নাম মাসুদ রানা থেকে শাকিব খান হয়ে যায়। সেদিনের স্মৃতি মনে করে শাকিব খান বলেন, ‘সেই সময় শাকিল খানও চলচ্চিত্রে অভিনয় করতেন। আবার মাসুদ রানার সঙ্গে সোহেল রানা মিলে যায়। শেষ পর্যন্ত পরিচালক সোহান ভাই ও প্রযোজক কুদ্দুস ভাই মিলে আমাকে শাকিব খান নামটি দিয়েছিলেন।’

শাবনূর, মাহি, পূর্ণিমাস্বপ্নে পাওয়া নাম পূর্ণিমা
আত্মীয়স্বজন ও পরিবারের সবাই তাকে রিতা নামে ডাকেন। ফেসবুক আইডিতে এই নামটি রেখেছেন একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূর্ণিমা। অবশ্য পূর্ণিমা ছাড়া তাঁর পুরো নাম দিলারা হানিফ রিতা। পূর্ণিমা নামটি তাঁর নামের সঙ্গে যুক্ত হয় ১৯৯৭ সালে চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে এসে। ১৯৯৭ সালে জাকির হোসেনের এজীবনতোমারআমারছবিতে প্রথম অভিনয় করেন তিনি। পূর্ণিমা বললেন, ‘ছবিটির প্রযোজক ছিলেন মতিউর রহমান। তিনি নাকি পূর্ণিমা নামটি স্বপ্নে দেখেছিলেন। ওনার ডাক নাম ছিল পানু। তিনি একদিন আমাকে বললেন, ‘‘তুমি তো দেখতে পূর্ণিমার মতোই। সিনেমায় তোমার নাম হবে পূর্ণিমা। এই নামটি আমি স্বপ্নে পেয়েছি।” পরদিন রমনা রেস্তোরাঁয় সাংবাদিকদের সামনে আমাকে পূর্ণিমা নামে পরিচয় করিয়ে দিলেন।’ তারপর থেকে রিতা হয়ে গেলেন পূর্ণিমা।

মাহিয়া থেকে মাহিয়া মাহি
পুরো নাম মাহিয়া শারমিন আক্তার নিপা। সিনেমায় অভিনয় শুরু করার আগে নিপা বলেই ডাকত সবাই। ২০১২ সালে ভালোবাসাররংছবিতে অভিনয় করতে এসেই মাহিয়া নামটির সঙ্গে মাহি নামটি যোগ হয়। মাহিয়া মাহি নামে পরিচিতি পান এই অভিনেত্রী।
মাহি বলেন, ‘ভালোবাসাররংছবির শুটিংয়ের আগে আগে জাজ মাল্টিমিডিয়ার আজিজ ভাই মাহি নামটি পছন্দ করে দিয়েছিলেন।’

জ্যাকলিন মিথিলার আত্মহত্যা

ডেস্ক: গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ঢাকাই ছবির আইটেম কন্যা জ্যাকলিন মিথিলা। গত ২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের বাড়িতে তিনি মধ্যরাতে আত্মহত্যা করেন বলে জানা গেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মইনুল ইসলাম খবরটি নিশ্চিত করে বলেন, “এই মৃত্যুর কারণ উল্লেখ করা হয়েছে- স্বামীর সঙ্গে তার ঝগড়া।”

পুলিশের এই কর্মকতা আরও বলেন, মামলায় প্রকৃত নাম দেয়া হয়েছে জয়া শিল, বয়স ২২ বছর। তিনি বিবাহিত ছিলেন। তার স্বামীর নাম উৎপল রায়। স্বামীর বাড়ি ফটিকছড়ি। “

“স্বামীর সঙ্গে তার প্রায়ই ঝগড়া লাগতো। এই কারণে সে আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে তাকে চিতায় পোড়ানো হয়েছে বলে জেনেছি।” বলেও জানান তিনি।

মিথিলার বাবা স্বপন শীল জানান, “গলায় দড়ি দিয়ে সে আত্মহত্যা করেছে। এর আগে সে ঘুমের বড়ি খেয়েছিল। তবে কী কারণে সে আত্মহত্যা করেছে তা এই মুহূর্তে বলতে চাচ্ছি না।”

কয়েকটি ছবিতে তিনি আইটেম গানে নেচেছেন জ্যাকলিন। সর্বশেষ পিএ কাজল পরিচালিত ‘চোখের দেখা’ ছবির আইটেম গানে নাচেন তিনি।

সূত্র: অনলাইন