জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য সেক্টর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলছে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৭ ||

পত্রদূত ডেস্ক: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেছেন, জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য সেক্টর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর মৎস্য খাতের ব্যাপক উন্নতি করছে। দ্বিতীয় বৈদেশিক মুদ্রা আসে মৎস্য খাত থেকে।
প্রতিমন্ত্রী শনিবার দুপুরে খুলনা জেলা মৎস্য ভবন মিলনায়তনে ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্যচাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্প (২য় পর্যায়) ডিজিটাল ওয়াটার টেস্টিং কিটস বিতরণ ও প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে একটি অনুষ্ঠানে বলে ছিলেন মাছ হবে এদেশের অন্যতম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের উপাদান এবং তিনি গবাদি পশুর প্রথম প্রজনন চালু করেন। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশের অর্থনৈতিক পরিবর্তন এনেছে এবং ২০০৯ সালে ব্যাপকভাবে দেশের অর্থনৈতিক পরিবর্তন হয়েছে। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে। দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে বিপ¬ব ঘটেছে, কৃষিতে ব্যাপকভাবে বিপ¬ব ঘটেছে। তিনি বলেন, মাছের কোয়ালিটি ঠিক রেখে উৎপাদন করতে হবে। দেশের প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ মানুষ মৎস্য সেক্টরে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। ৬০ শতাংশ আমিষের যোগান আসে এ সেক্টর থেকে। রপ্তানির ক্ষেত্রেও মাছ অন্যতম। দিন দিন মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। মৎস্য চাষ ও বিভিন্ন মৎস্য সংশি¬ষ্ট কার্যক্রমের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠির কর্মসংস্থানের সুযোগ সুষ্টি হচ্ছে।
খুলনা মৎস্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক রণজিৎ কুমার পালের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন প্রকল্প পরিচালক ড. জোয়াদ্দার আনোয়ারুল হক, মৎস্য পরিদর্শন ও মাননিয়ন্ত্রণ খুলনা উপপরিচালক প্রফুল্ল কুমার সরকার, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শামীম হায়দার, উপপ্রকল্প পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান এবং খুলনা উপপ্রকল্প পরিচালক লুকাস সরকার।
পরে প্রতিমন্ত্রী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও ক্ষেত্র সহকারীদের মাঝে ডিজিটাল ওয়াটার টেস্টিং কিটস বিতরণ করেন। কর্মশালায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ১১৮ জন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও ক্ষেত্র সহকারী অংশগ্রহণ করেন। সকালে তিনি ডুমুরিয়া কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন এবং বিজয়ীদের  মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। বিকেলে প্রতিমন্ত্রী ডুমুরিয়ার খর্ণিয়া খাল খননের উদ্বোধন,কাঠাঁলতলা মঠ আশ্রমে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এবং  চুকনগর মরহুম আব্দুল কাইয়ুমের স্মরণ সভায় যোগদান করেন।