হাফিজুর আমৃত্যু শ্রমিক ও শ্রমিক শ্রেণির মানুষের স্বার্থে লড়াই করেছেন: মেনন


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৭ ||

 

পত্রদূত ডেস্ক: সদ্য প্রয়াত হাফিজুর রহমান ভুঁইয়া আমৃত্যু শ্রমিক ও শ্রমিক শ্রেণির মানুষের স্বার্থে লড়াই করেছেন বলে মন্তব্য করেছন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি বেসরকারি বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এমপি। তিনি বলেছেন, হাফিজুর রহমান জিয়ার শাসনামলে সরকারি কলকারখানা ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে চন্ত্রান্তের বিরুদ্ধেসহ সকল সময় পাট, বস্ত্রকল শ্রমিকদের রুটি-রুজির আন্দোলনে প্রধাণ্য দিয়েছেন। নির্যাতন, দমন-পীড়ন, হুমকিতে কোনকিছুতেই তিনি শ্রমিকদের দাবি আদায় থেকে বিচ্যুত হননি। তাই তিনি খুলনাসহ সারাদেশের শ্রমিকদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন।

মঙ্গলবার সকালে খুলনার শহীদ হাদিস পার্কে সদ্য প্রয়াত প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি কমরেড হাফিজুর রহমান ভূঁইয়ার প্রথম জানাযা শেষে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনকালে এসব কথা বলেন। সকাল ১০টায় প্রয়াত হাফিজুর রহমানের মরদেহ এখানে আনা হয়। কেন্দ্রীয় ওয়ার্কার্স পার্টি ছাড়াও এখানে বিভিন্ন জলা ও মহানগর ১৪, আওয়ামী লীগ, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, সিপিবি, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ, ন্যাপ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি, নাগরিক ফোরাম, কৃষক লীগ, ছাত্রমৈত্রী, যুবমৈত্রী, জাতীয় কৃষক সমিতি, নারী মুক্তি সংসদসহ শতাধিক রাজনৈতিক দল, সংগঠন, পেশাজীবী সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রয়াত নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি, আনিসুর রহমান মল্লিক, মাহমুদুর রহমান মানিক, নূর আহমেদ বকুল, ইকবাল কবির জাহিদ, অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান এমপি, অ্যাডভোকেট মোস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি, অ্যাডভোকেট টিপু সুলতান এমপি, ইয়াসিন আলী এমপি, কেন্দ্রীয় নেতা দীপংঙ্কর সাহা দিপু, মনোজ সাহা প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন পার্টি খুলনা জেলা সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিনা মিজানুর রহমান।

পরে প্রয়াত হাফিজুর রহমানের মরদেহ তার দীর্ঘদিনের কর্মস্থল প্লাটিনাম জুবলী জুট মিল মাঠে নেয়া হয়। সেখানে তাঁর দ্বিতীয় জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। পরে দৌলতপুর শহীদ মিনার, ইর্স্টাণ জুটমিলস শ্রমিক ময়দান ও পরে ফুলতলা নিয়ে যাওয়া হয়। ফুলতলার ডেবুর মাঠে মরহুমের শেষ জানাযা ও শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে উপজেলা সরকারি কবরস্থানে দাফনের কথা রয়েছে।