শ্যামনগরে কৈখালী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগে মামলা: পাল্টা সংবাদ সম্মেলন


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৭ ||

শ্যামনগর সদর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ৫নং কৈখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

 

সৃষ্ট ঘটনাকে কেন্দ্র করে তারানিপুর গ্রামে মো. আব্দুল মান্নান গাজীর পুত্র আব্দুল মজিদ গাজী বাদী হয়ে ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম সহ ৮ জনের বিরুদ্ধে শ্যামনগর থানায় ২২/৬২, তারিখ ১৬-০২-২০১৭ নং মামলা করেছে। মামলা সূত্র মাতে, বাদী আব্দুল মজিদ একজন বালু ব্যবসায়ী। আসামী শেখ আব্দুর রহিম ইট ভাটার মালিক। আব্দুল মজিদ আব্দুর রহিমের ইটের ভাটায়  প্রয়োজনীয় বালু সরবরাহ করে। বাকীতে বালু বিক্রয় বাবদ আব্দুর রহিমের কাছে ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা পাওনা হয়। গত ২ ফেব্রুয়ারী আব্দুল মজিদ নিজের অসুস্থতার জন্য নাবালক পুত্র ই¯্রাফিলকে পাওনা টাকা আদায়ের জন্য রহিমের কাছে পাঠায় কিন্তু টাকা না দিয়ে টালবাহানা এক পর্যায়ে আব্দুর রহিমের সহযোগী জয়াখালী গ্রামের দাউদ গাজীর পুত্র আব্দুর রহমান, মৃত্যু সেইতা গাজীর ছেলে আব্দুর রাশেদ, আমজাদ গাজীর ছেলে হাবিবুর রহমান হাবিব, অমেদ গাজীর ছেলে আব্দুল মান্নান এবং একই ইউনিয়নের বৈশখালী গ্রামের আব্দুর রশিদের পুত্র আবু তাহের এবং পূর্ব কৈখালী গ্রামের বাবলু গাজীর পুত্র আবু রায়হান গাজী ও মৃত সোহরাব গাজীর ছেলে রফিকুল ইসলাম ওরফে মুরশিদ দলবদ্ধ ভাবে ই¯্রাফিলকে মারধর করে এবং ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ঘরে আটকে রাখে। দীর্ঘক্ষন বাড়ীতে না ফেরার কারনে আব্দুল মজিদ ছেলে ই¯্রাফিলের কাছে ফোন করে। কিন্তু ফোনটি আবু তাহের রিসিভ করে  ই¯্রাফিলকে ইট ভাটায় আটকে রাখার কথা স্বীকার করে। এক পর্যায়ে আব্দুল মজিদ রাত ১০ টার দিকে ইট ভাটায় যেয়ে পুত্রকে খোজ করতে থাকে। এ সময় আসামীরা মজিদকে জানায় ই¯্রাফিল আব্দুর রহিমের বাড়ীতে আছে। কথামত আব্দুল মজিদ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিমের বাড়ীতে যেয়ে ছেলে ই¯্রাফিলকে ফিরিয়ে চায়। তখন আব্দুর রহিম ছেলেকে আর কখনও পাওয়া যাবে না একথা জানিয়ে দেয়। উপায়ান্তর না পেয়ে অসহায় আব্দুল মজিদ বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্যকে অবহিত করে। বাদী অভিযোগে আরো জানায়, আসামীরা আমার ছেলেকে ইটের ভাটায় আগুনে ফেলে হত্যা করেছে। প্রশাসনের কাছে আব্দুল মজিদ আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার পূর্বক ছেলে হত্যার বিচারের বাদী জানিয়েছেন। আপর দিকে কৈখালী ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম গতকাল বৃহস্পতিবার শ্যামনগর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বলেন, তার প্রতিদ্বন্দী পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী রেজাউল করিম ক্ষোভে ও আক্রোশে মিথ্যা অজুহাত খাড়া করে সমাজে হয়রানি ও হেয় করার লক্ষে দুর্নীতি কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে এবং একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে সমাজের চোখে হেয় করছে। তিনি এহেন বিষয় হতে প্রতিকার পাওয়ার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করেছেন।