গাবতলীতে পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষ, ভাঙচুর-আগুন


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৭ ||

ন্যাশনাল েডস্ক: গাবতলীতে পুলিশের সঙ্গে পরিবহন শ্রমিকদের সংঘর্ষের সময় বিভিন্ন স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে আগুন দেওয়া হয়। ভাঙচুর করার হয় বেশ কিছু যানবাহন। ছবি: গোলাম মর্তুজাগাবতলীতে পুলিশের সঙ্গে পরিবহন শ্রমিকদের সংঘর্ষের সময় বিভিন্ন স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে আগুন দেওয়া হয়। ভাঙচুর করার হয় বেশ কিছু যানবাহন। ছবি: গোলাম মর্তুজা

রাজধানীর গাবতলীর আন্তজেলা বাস টার্মিনালের সামনে পুলিশের সঙ্গে পরিবহন শ্রমিকদের সংঘর্ষ হয়েছে। শ্রমিকেরা পুলিশের একটি রেকারে আগুন দিয়েছে। কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।

সংঘর্ষের কারণে আমিনবাজার থেকে ঢাকামুখী ও টেকনিক্যাল মোড় হয়ে সাভারের দিকে যাওয়া শত শত যাত্রী আটক পড়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, রাত আটটার দিকে গাবতলী বাস টার্মিনালের সামনের সড়ক দিয়ে যান চলাচলে বাধা দেয় আন্দোলনকারীরা। এ সময় তারা কিছু গাড়িও ভাঙচুর করে। পুলিশ বাধা দিলে তারা সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়ে। গাবতলী বালুর মাঠের পাশের পুলিশ বক্স ও একটি রেকারে আগুন ধরিয়ে দেয় আন্দোলনকারীরা। পরে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শ্রমিকদের অভিযোগ, বিনা উসকানিতে পুলিশ তাদের লাঠিপেটা করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাত ১০টার দিকে স্থানীয় সংসদ আসলামুল হক টার্মিনাল এলাকায় আসেন। তিনি শ্রমিকদের শান্ত করতে ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে শ্রমিকেরা তাঁকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকেন। পরে তিনি টেকনিক্যাল মোড়ের দিকে চলে আসেন।

ঘটনাস্থল আরো জানা যায়, রাত সাড়ে দশটার দিকেও গাবতলী এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আন্দোলনকারী শ্রমিকেরা টার্মিনালের পশ্চিম দিকে (আমিনবাজারের দিকে), স্থানীয় ছাত্রলীগের কিছু নেতা-কর্মীরা টেকনিক্যাল মোড়ে অবস্থান নিয়েছে। আর মাঝামাঝি জায়গায় অবস্থান নিয়েছে পুলিশ। টার্মিনালের সামনের সড়কের বিভিন্ন স্থানে টায়ারে আগুন জ্বলছে। রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় পড়ে আছে যানবাহনের ভাঙা কাচের টুকরা। টিয়ার শেলের ঝাঁজালো গন্ধ আসছে। এর আগে রাত সোয়া ১০টার দিকে ক্ষুব্ধ শ্রমিকদের ট্রাফিক পুলিশের এক সার্জেন্টকে মারধর করতে দেখা গেছে। ওই সার্জেন্টের মোটরসাইকেলটিও জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে সড়কে এমন পরিস্থিতির কারণে আমিনবাজার থেকে ঢাকামুখী ও টেকনিক্যাল মোড় হয়ে সাভারের দিকে যাওয়া শত শত যাত্রী আটক পড়েছেন। পুলিশ-শ্রমিকের সংঘর্ষের কারণে তারা যেতে পারছেন না।

তবে রাত পৌনে ১১টায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের সহকারী কমিশনার সৈয়দ মামুন মোস্তফা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।



error: Content is protected !!