শিক্ষক বটে!!!


প্রকাশিত : মার্চ ১৫, ২০১৭ ||

ডুমুরিয়া(খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার বরুনা গ্রামের মাদরাসা শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে মেয়েলি ঘটনার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী মহিলা ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট বিচার চেয়ে অভিযোগ দিয়েছে। আব্দুল্লাহ আল মামুন ডুমুরিয়া উপজেলার বরুনা বাজার দ্বি-মুখি দাখিল মাদরাসার কম্পিউটার শিক্ষক। ৭-৮ বছর ধরে চেঁচুড়ি গ্রামের শাহারুল গাজীর মেয়ে রিনা পারভীনকে ভালোবাসতো। ৪ বছর আগে পারিবারিকভাবে রিনা পারভীনের যশোরের কেশবপুর উপজেলার নারানপুর গ্রামে মুদি দোকানী ডালিমের সাথে বিয়ে হয়। কিন্তু রিনার পিছু ছাড়েনি প্রেমিক আব্দুল্লাহ আল মামুন। দূরবর্তী আত্মীয় সম্পর্কের সূত্র ধরে আব্দুল্লাহ নারানপুর রিনা পারভীনের শ্বশুরবাড়িতে যাতায়াত করে। একপর্যায়ে সম্পর্ক পরকীয়ায় রূপ নেয়। সুযোগমত অবৈধ মেলামেশা শুরু করে। একপর্যায়ে আব্দুল্লাহ আল মামুন ১৬ ফেব্রুয়ারি নারানপুর গ্রামে রিনা পারভীনের সাথে অবৈধভাবেমিলিত হলে এলাকাবাসি পাকড়াও করে। শালিশী বৈঠকে রিনার স্বামী তাকে বিচ্ছেদ করে দেয় এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি রিনার আত্মীয়রা মিলে আব্দুল্লাহ আল মামুনের সাথে রিনাকে বিয়ে দেয়। প্রায় দু’সপ্তাহ তারা সংসার করার পর চতুর আব্দুল্লাহ গা ঢাকা দেয়। তখন থেকে রিনা তার স্বামী আব্দুল্লাহকে খুঁজে না পেয়ে শ্বশুর আহাদ আলীকে তার স্বামীর খোজ নিতে বলে। একপর্যায়ে আব্দুল্লার ভগ্নিপতি জসিম গাজী ৩ ফেব্রুয়ারি আব্দুল্লাহর সাথে দেখা করার কথা বলে রিনাকে নিয়ে যায়। পথিমধ্যে মৃত্যুর হুমকি দিয়ে কাগজে সই করিয়ে ছেড়ে দেয়। এ দিকে ইউপি চেয়ারম্যান রেজোয়ান মোল্যা জানান; আমি রিনা পারভীন ও আব্দুল্লাহ আল মামুনের তালাকের নোটিশ পেয়েছি। রিনা পারভীন জানায়; আমি কোন তালাক দেয়নি। একটি ভূয়া তালাক তৈরি করে হয়তো ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট পাঠিয়েছে, আমি কোন নোটিশ পাইনি। এ বিষয়ে আমি ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। বরুনা দ্বি-মুখি দাখিল মাদরাসার সুপার মাহমুদুর রহমান বলেন; আব্দুল্লাহ প্রাথমিকভাবে সাধারণ ছুটি নিয়ে অনুপস্থিত ছিল কিন্তু পরবর্তীতে তিমি সপ্তাহখানেক মেডিকেল ছুটির আবেদন করেছেন। তিনি আরও বলেন; ইস! কাজটা অত্যন্ত জঘন্য। প্রমাণিত হলে কমিটি ডেকে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেব। ১নং ধামালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান রেজোয়ান মোল্যা বলেন; আমার কাছে অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি নিয়ে আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসার, শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে আলোচনা করেছি। তাদের একটাই বক্তব্য আগে ঐ ছেলেকে ধরে বিয়ে দেন তারপর জানান। তাছাড়া এটা নিয়ে আগামি শনিবার ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যদের নিয়ে বসবো। মাদরাসা শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন: এখন আমি মুখ খুলতে চাইনা। সময় হয়ে সবই জানতে পারবেন।