বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে পাসপোর্ট যাত্রীদের দুর্ভোগ


প্রকাশিত : মার্চ ২২, ২০১৭ ||

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কড়াকড়িতে অবশেষে বেনাপোল ইমিগ্রেশনে বহিরাগত দালালদের অপতৎপরতা কমেছে। মঙ্গলবার দিনভর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকার ছিল দালালমুক্ত। কালাম নামে অভিযুক্ত বহিরাগত এক দালালকে আটক করে পুলিশ কোর্ট হাজতে প্রেরণ করেছে। এব্যাপারে অজ্ঞাত নামা করে আরো ১৫/২০জনের নামে মামলা হয়েছে বলে জানান পোর্ট থানার ওসি অপূর্ব হাসান ও ইমিগ্রেশন ওসি একবাল মাহমুদ। পাসপোর্ট যাত্রীদের নিরাপত্তায় বিশেষ নজরদারী বাড়ানো হয়েছে বলে জানান তারা। পাসপোর্ট যাত্রীদের গতিবিধি লক্ষ সহ নজরদারী বাড়ানোই যাত্রীদের লাইন বাড়ছে বলে জানান তারা। এছাড়াও ডেক্স সংকট ও যাত্রী যাতায়াত বেড়ে যাওযায় এমন পরিস্তিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান, পুলিশ কর্মকর্তারা। স্থানীয়দের দাবি সাতক্ষীরা কলারোয়া যশোর সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বহিরাগত দালালদের কারণে ইমিগ্রেশনের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছিল। বহিরাগত দালালদের আটকের দাবিও জানান স্থানীয়রা।
তবে মঙ্গলবার দিনভর বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন এলাকায় পাসপোর্ট যাত্রীদের ছিল সীমাহীন দুর্ভোগে। মহাসড়কে সকাল থেকেই যাত্রীদের দীর্ঘ লাইন ছিল। সড়কের উপর যাত্রীদের লাইন থাকায় যান চলাচলে বিঘœ ঘটেছে। বিপাকে পড়ছেন পথচারীরা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালামসহ প্রশাসনের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে কোন সুরাহা হয়নি। বেনাপোল কলিকাতা মহাসড়কে হাফ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তৈরী হচ্ছে ভারত গমনেচ্ছু পাসপোর্ট যাত্রীদের ভীড়। দীর্ঘ লাইনে প্রচন্ড রোদ্রে দাড়িয়ে নারী শিশু বৃদ্ধ ও রোগীরা অসুস্থ্য হয়ে পড়ছেন। বেনাপোল চেকপোষ্টের বঙ্গপ্রান্তে পাসপোর্ট যাত্রীদের দীর্ঘ লাইন থাকলেও ন্যোম্যান্সল্যান্ড এলাকা ছিল ফাঁকা। কষ্ট হলেও এমনি চাঁদামুক্ত পরিবেশ চান যাত্রীরা। তবে নীরবে যাত্রী সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন ইমিগ্রেশন ডেস্কে কর্মরতরা। ইমিগ্রেশন পুলিশ ও কাষ্টম সদস্যরা ছিল সতর্কাবস্থায়।
উল্লেখ্য বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোষ্ট নিয়ে একটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় পুলিশ কালাম নামে এক দালাল সর্দারকে আটক করে জেলা হাজতে প্রেরণ করেছে। মামলা হয়েছে অজ্ঞাত ১৫/২০জনের নামে। এর ফলে ইমিগ্রেশন পুলিশ কড়াকড়ি আরোপ করায় এমন অবস্থায় সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা। এর সুরাহা চান দুর্ভোগে পড়া যাত্রীরা। তবে ইমিগ্রেশন ওসি ইকবাল মাহমুদ ও পোর্ট থানার ওসি অপূর্ব হাসান বলেন,নিরপত্তা সহ যাত্রীদের গতিবিধি লক্ষ ও ডেস্ক সংকটের কারণেই যাত্রীদের লাইন বাড়ছে। সুরাহের চেষ্টা চালাচ্ছেন তারা।
শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালাম বলেন, যাত্রী সেবায় সব ধরণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে প্রশাসন। স্থান ও ডেস্ক সংকটের কারণে যাত্রীরা কিছুটা সমস্যায় পড়ছেন। পোর্ট থানা ও ইমিগ্রেশন ওসিকে বিষয়টি সুরাহের জন্য বলা হয়েছে। যাত্রী দুর্ভোগ কমে আসবে বলে আশা করেন তিনি।