চিকিৎসক দিবস ২০১৭ মৃতুই যখন অনিবার্য, চিকিৎসকের ভুল সেখানে হবেই


প্রকাশিত : মার্চ ৩০, ২০১৭ ||

ডা. সুব্রত ঘোষ
‘মৃতুই যখন অনিবার্য, চিকিৎসকের ভুল সেখানে হবেই’-এ কথা সকলেরই জানা। চিকিৎসকরা তো রক্ত মাংসেরই মানুষ। আজও নানা অনুযোগ আর অভিযোগের পরেও সমাজে একমাত্র ঈশ্বরের পরের স্থান এই চিকিৎসকেরই। কর্মই হোক আর মর্মই হোক অথবা নিছকই প্রতীকিই হোক প্রায় হাজারো দিবস বিশ্বে জায়গা করেই নেয়নি, তাহা ঘটা করে বিশ্বব্যাপী পালন হয়ে আসছে অনেক দিন ধরেই। ভাবতে কষ্টের পাশাপাশি অবাকও লাগে প্রাথমিক বিদ্যালয় কিংবা মাধ্যমিক পর্যায়ে অধ্যয়নের সময় জীবনের লক্ষ্য রচনা লিখতে গিয়ে প্রায় ৭০-৮০ ভাগ ছাত্র-ছাত্রী নিজেকে ভবিষ্যতে ডাক্তার ভাবার স্বপ্নে বিভোর থাকে কিন্তু বাস্তবে তার প্রতিফলন নগন্য-সেটা সবারই জানা। রচনার পথ ধরে হেঁটে জীবনের উপসংহারে জীবনের লক্ষ্য কখনো স্থির হয়নি কারও আবার কারও বা হয়েছে।
৩০ মার্চ আন্তর্জাতিক চিকিৎসক দিবস। চিকিৎসা সেবা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে ডাক্তার রোগীর সম্পর্ক হচ্ছে অন্যতম প্রধান বিষয়। এই দিবসটি পরিচিতি পায় ৩০ মার্চ, ১৯৩৩ সালে। সেই অনুষ্ঠানেই প্রথম দিবসের স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে ডাক্তার রোগীর সম্পর্কের ব্যাপারটি ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। ইউডোরা ব্রাউন এ্যালমন্ড ডা. চার্লস ব্রাউন এ্যালমন্ডের স্ত্রী, প্রথম ডাক্তারদের সম্মানে একটা দিবস পালনের ধারণা ব্যক্ত করেন। এই অনুষ্ঠানে অন্তর্ভুক্ত ছিল অভিবাদন কার্ড বিতরণ এবং মৃত ডাক্তারদের সমাধিতে ফুল দেওয়া। ডা. ক্র্যাফোর্ড ডব্লিউ লং জর্জিয়ার এম. ডি আমেরিকা কর্তৃক অবশ পরিচালনা (এ্যানেসথেশিয়া প্রয়োগ) দিবসের প্রথম বর্ষ পূর্তিতে ইহা সংগঠিত হয়। ৩০ মার্চ ১৮৪২ সালে ডা. ক্র্যাফোর্ড ডব্লিউ লং প্রথম তরল ঔষধের মাধ্যমে তার রোগী মি. জেমস ডেনবেলকে অবশ করেন এবং তারপর তার ঘাড়ের টিউমার অপসারণ করেন। লোকটি পরবর্তীতে স্বীকার করেন যে সার্জারীর সময় কিছুই অনুভব করতে পারেনি যতক্ষন না সে জেগে উঠেছিল ডা. লংয়ের সেই অর্জনের ইতিহাস এবং মানুষের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য ১৬৭ বছর ধরে ডাক্তারদের নিরলস প্রচেষ্টা আন্তর্জাতিক ডাক্তার দিবস পালনের মূল ভিত্তি হয়ে ওঠে। মার্কিন রাষ্ট্রপতি জর্জ বুশ (সিনিয়র) ৩০শে অক্টোবর ১৯৯০ সালে ৩০শে মার্চকে যুক্তরাষ্ট্রে’র জাতীয় ডাক্তার দিবস পালনের জন্য আইন পাশ করেন।
ঈশ্বরের আর্শীবাদে আমরা যারা চিকিৎসক হয়ে রোগীদের রোগ নিরাময়ে নিরলস সেবা দিয়ে যাচ্ছি কষ্টটা তাই আমাদের একটু বেশী যে হাজারও দিবস পালিত হলেও ডাক্তারদের নিয়ে যে আন্তর্জাতিক একটা দিবস আছে সেটা ২০০৮ সালে প্রথম জানলাম এবং ২০০৯ সালে বাংলাদেশে প্রথম কয়েকটি ফার্মাসিউটিক্যালস ডাক্তারদের একটা অভিবাদন কার্ড আর ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো শুরু করে। সেটা আজও কোনরকমে ধারাবাহিকভাবে বজায় রয়েছে। এই দিনটিতে বিভিন্ন ফার্মাসিউটিক্যালস চিকিৎসকদের কার্ড, ফুলসহ বিভিন্ন উপহার দিয়ে অভিনন্দিত করে এবং তারই ধারাবাহিকতায় গত কয়েক বছর ধরে বেশ কিছু টিভি চ্যানেল বিশেষ টকশোর আয়োজন করছে। সবচেয়ে অবাক হওয়ার বিষয় খোদ চিকিৎসক সমাজের বেশির ভাগই জানেন না তাঁদের নিয়ে একটি বিশেষ দিন আছে যেটা বিশ্বব্যাপী ঘটা করে পালিত হয়ে আসছে। অথচ এই দিবসটি নিয়ে প্রতিটি চিকিৎসালয়ে সাজ-সাজ রব থাকার কথা ছিলো- প্রতিটি হাসপাতালেই চিকিৎসক সমাবেশ হওয়ার কথা ছিলো কিন্তু কোথাও তার ছিটে ফোঁটা আজ অবধি চোখে পড়ে না।
ক্যালেন্ডারের পাতা অনুসারে বছরের প্রতিটি দিনের ২৪ ঘন্টাই এমনকি প্রতিটি পাবর্নেও তারা আনন্দকে বিসর্জন দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অসহায় অসুস্থ মানুষের পাশে আছে সব সময়, না তার পরও রাষ্ট্র তাদের এই দিবসকে ঘিরে আয়োজন করছে না কোন বিশেষ অনুষ্ঠানের বরং চাপিয়ে দিচ্ছে একের পর এক কর্তব্যের বোঁঝা। বার বার চিকিৎসকদের উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বিভিন্ন কালো আইন যা চিকিৎসকদের সেবা প্রদানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে, ভেঙে যাচ্ছে সেবা প্রদানের মনোবল। আমাদের দেশে চিকিৎসকদের রাজনৈতিক সংগঠনগুলো (স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ-স্বাচিপ, ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ড্যাব, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম-এনডিএফ, বাংলাদেশ চিকিৎসক সংসদ, ডক্টরস ফর হেলথ এন্ড এনভায়রনমেন্ট) তো নয়ই এমনকি চিকিৎসকদের জাতীয় সংগঠন বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন (বিএমএ) এই দিবসটি পালন করে না কখনোই। কালের পরিক্রমায় ২০১২ সাল থেকে বেশ কয়েকটি ফার্মাসিউটিক্যালস করপেরেট প্রমোশনাল পলিসির অংশ হিসেবে এ দিবসটিকে গুরুত্বের সাথে পালন করতে থাকে। আন্তর্জাতিক ডাক্তার দিবসের কথা না হয় বাদই দিলাম, স্বাধীনতার মাসে যে সমস্ত অগ্রজ চিকিৎকবৃন্দ (ডা. মোহাম্মদ ফজলে রাব্বি, ডা. আব্দুল আলীম চৌধুরী, ডা. শামছুদ্দিন আহম্মেদ সহ ৮৭ জন চিকিৎসক এবং নাম না জানা শত শত চিকিৎসক) মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন তাদের জন্য সরকার, চিকিৎসক সমাজ, চিকিৎসক সংগঠন কিংবা করপোরেট মার্কেট গ্রাস করা ফার্মাসিউটিক্যাল গুলো বিশেষ ভাবে কি কখনও তাঁদের স্মরণে কিছু করেছেন?
একটা জায়গাতে বাংলাদেশের চিকিৎসকরা বিশেষ গর্ব অনুভব করেন, আমাদের গর্ব ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধসহ কালে কালে যুগে যুগে বাংলাদেশের সকল প্রগতিশীল আন্দোলনেই চিকিৎসক সমাজের রয়েছে প্রত্যক্ষ ভূমিকা। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে পেশাজীবী শ্রেণীর মধ্যে সর্বাধিক শহীদ হন চিকিৎসকরা। বাংলাদেশের দক্ষ চিকিৎসকগণ পৃথিবীর আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে প্রতি নিয়তই সফলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন তাঁদের মেধা-মনন-প্রজ্ঞা-নিষ্ঠা আর একাগ্রতা দিয়ে।
আমেদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের প্রথিতযশা চিকিৎসক ডা. বিধান চন্দ্র রায় -এর স্বরণে পহেলা জুলাই সেদেশে ডাক্তার দিবস পালন করা হয়। আর পাঁচটা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষ দিবসের ন্যায় আন্তর্জাতিক ডাক্তার দিবসও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে জাতীয় ভাবে পালিত হয়ে আসছে এবং এ উপলক্ষে বিশেষ ক্রোড়পত্র ও অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়। এছাড়াও বিভিন্ন ফার্মাসিউটিক্যালস এবং স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ডাক্তারদের প্রনোদনা মূলক অনুষ্ঠানের বিশেষ আয়োজন করে থাকে। তবে কেবল পালিত হয় না আমাদের দেশেই। বছরের ৩৬৫ দিনই দিন রাত ২৪ ঘন্টা খেয়ে-না খেয়ে, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, উৎসব-অনুষ্ঠান ত্যাগ করে জাগতিক কোন প্রকার প্রাপ্তির আশা ছাড়াই কেবল মাত্র আর্ত-মানবতার সেবায় কাজ করে যাচ্ছে আমাদের চিকিৎসক সমাজ। কর্মক্ষমতার প্রায় দশগুণ সেবা প্রদান করতে হয় প্রতিদিন। বাহবা বা কোন প্রশংসা বাক্য তো নয়ই বরং পান থেকে চুন খসলেই সমাজ তার শব ব্যাচ্ছেদ করে শকুনীর মতো। লাঞ্ছনা গঞ্জনার শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়তই। চিকিৎসক হত্যা-চিকিৎসক নির্যাতন -এর সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের দৃষ্টান্ত এখন পর্যন্ত বিরল আমাদের দেশে। কথায় কথায় ঠুনকো অজুহাতে চিকিৎসক নির্যাতন এমনকি হত্যার মতো ঘটনা দিন দিন বাড়ছে আমাদের দেশে। কর্মক্ষেত্রে ধর্ষনের শিকার হয়েছেন বেশ ক’জন মহিলা চিকিৎসক, হয়েছেন শারিরীক লাঞ্ছনার শিকার। সকল প্রতিকূলতার ভিতর থেকে সর্বোচ্চ সেবা প্রদান করার পরও চিকিৎসকরা আর সমাজের চোখে “কসাই”। বাংলাদেশের চিকিৎসকদের কর্মক্ষেত্রে বেতন বৈষম্য, পদোন্নতি বৈষম্য আর আন্ত ক্যাডার বৈষম্য চলে আসছে সেই আদিকাল থেকেই। শিক্ষানবিস ইন্টার্নি চিকিৎসক এবং অনারারি মেডিকেল অফিসার এবং উচ্চতর ডিগ্রী’র জন্য অধ্যয়নরত চিকিৎসকদের নুন আনতে পান্তা ফুরায় এই দেশে। কথিত আছে একজন রিকসা চালক বা ভ্যান চালকের দৈনিক আয়ও তাঁদের থেকে বেশী।
আরও একটি ব্যাপারে বাংলাদেশের মানুষদের ভুল ধারণা রয়েছে যেটার জন্য প্রতিনিয়তই তারা চিকিৎসকদের গালিগালাজ করে থাকেন। বাংলাদেশের আপামর জনগণের ধারণা কেবলমাত্র চিকিৎসকরাই্ জনগণের করের টাকায় মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা করেন আর তাই জনগণের প্রতি, সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা শুধুমাত্র চিকিৎসকদেরই। যারা এই ধারণা পোষণ করেন তাদের প্রতি বিনয়ের সাথে বলতে চাই, প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়–য়া ব্যক্তিই জনগনের করের টাকায় পড়েন। সেই হিসেবে প্রশাসনের আমলা থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য, উকিল, বিচারপতি, প্রকৌশলী, শিক্ষকসহ সকল পেশার মানুষই কোন না কোনভাবে জনগনের করের টাকায় পড়েছেন। সুতরাং জনগনের করের টাকায় পড়ায় দায় শুধুমাত্র চিকিৎসকরা নেবেন কেন? আর জনগনের অন্যতম মৌলিক অধিকার চিকিৎসা সেবা প্রদানের দায়িত্ব রাষ্ট্রের। রাষ্ট্র তার জনগনের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য চিকিৎসক তৈরী করবে এটাই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। মেধাবীরা প্রতিযোগীতার মাধ্যমে তাঁদের মেধা দিয়ে চিকিৎসক হবার জন্য রাষ্ট্র কর্তৃক নির্বাচিত হন। এভাবেই চিকিৎসক তৈরী হয়। তবে চিকিৎসকগণ সেবা প্রদানকালে দায়বদ্ধতার চেয়ে মানবিকতাকেই বেশী গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। দুই একজন ব্যাতিক্রম যে একেবারেই নেই তা নয়, তবে এরকম ব্যাতিক্রম সব পেশাতেই সর্বকালে সর্বদা বিদ্যমান। সংকটাপন্ন রোগীর জরুরী রক্তের প্রয়োজন হলে সবার আগে এগিয়ে যান কিন্তু সমাজের চোখে “কসাই” এই চিকিৎসকরাই। এটাই মানবিকতা যা একজন চিকিৎসক আমৃত্যু লালন করেন তাঁর মনের গহীনে।
আমরা বিশ্বাস করি চিকিৎসক, সেবিকা, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই চিকিৎসক সেবাকে সার্বজনীন করা সম্ভব। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানের অংশ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বিশ্বমানের স্বাস্থ্য সেবাকে ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে তৃণমূলে পৌঁছে দেবার যে অক্লান্ত প্রচেষ্টা, সেই প্রচেষ্টারই অগ্র সৈনিক আমাদের চিকিৎসক সমাজ। আমাদের এ অভিযাত্রার সহযাত্রী প্রশাসন এবং সাংবাদিক বন্ধুরা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিরা বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে বিভিন্ন উপায়ে চিকিৎসক সমাজের সাথে প্রশাসন, সাংবাদিক এবং জনগনের বিরোধ সৃষ্টির মাধ্যমে সাস্থ্য সেক্টরে তিল তিল করে আমাদের অর্জিত সাফল্যকে ধ্বংশ করার অপচেষ্টায় লিপ্ত ক্ষণে ক্ষণে। আমাদেরকে এই অপশক্তির বিপক্ষে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে, সকল শ্রেণী-পেশার মানুষদের ভিতর সম্প্রীতিই পারে বাংলাদেশেরে তৃণমূলের প্রতিটি মানুষের হাতের নাগালে বিশ্বমানের চিকিৎসা সেবাকে পৌঁছে দিতে যে স্বপ্নটি দেখেছিলেন আমাদের ভাষা সৈনিক এবং মুক্তিযোদ্ধা অগ্রজবৃন্দ।
সব কিছুর পরও চিকিৎসক হতে পেরে আমরা গর্বিত- গর্বিত মানবতার কল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দিতে পেরে। আমাদের আনন্দ-বেদনা, হাসি-কান্না, সফলতা-বিফলতা সবকিছু সেই রোগীদের নিয়েই। অসুস্থ রোগীর আর্তনাদ আমাদের মনকে ব্যাথিত করে প্রবলভাবে। আমরা চাই সকলের সুস্থ্যতা, রোগমুক্ত পৃথিবী। সুস্থ্য রোগীর হাসি আমাদের পথচলার নতুন প্রেরণা। বছরের একটি বিশেষ দিন নয় প্রতিটি দিনই হোক আমাদের চিকিৎসকদের। জয় হোক মানবতার, জয় হোক চিকিৎসকদের। লেখক: চিকিৎসক, কলামিস্ট, সংগঠক ও সমাজকর্মী